চুয়াডাঙ্গা ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহে স্বাস্থ্যবিধি উধাও, মাস্কে অনীহা হঠাৎ মানুষের সর্দি -জ্বর, কাশি সহ নানা উপসর্গ

Padma Sangbad
১২৫

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
মহামারি করোনা ভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনের সংক্রমণ রোধে সরকারের দেয়া ১১ দফা বিধিনিষেধ কাজে আসছে না। গত এক সপ্তাহে দেশে ২২২ শতাংশ শনাক্ত বাড়লেও এ নিয়ে সাধারণ মানুষের যেন কোনো মাথাব্যথাই নেই। মফস্বল শহর, গ্রামাঞ্চল সহ সর্বত্র যেন কোন মাথাব্যাথা নেই কারো।ঝিনাইদহের উপজেলা গুলোতে নতুন করে আজ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৩৯জন। হঠাৎ অধিকাংশ মানুষের সর্দি -জ্বর, কাশি সহ নানা উপসর্গ দেখা দিয়েছে। অনেকে হাসপাতাল বা পরীক্ষা-নিরিক্ষা না করেই যাচ্ছে ওষধের দোকানে ।জেলার হাট-বাজার সহ বিভিন্ন স্থানে অধিকাংশ মানুষই ইচ্ছেমতো চলাচল করতে দেখা গেছে। সব জায়গার রাস্তায় মানুষের ঢল নামলেও কারো মধ্যেই স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে কোনো আগ্রহ দেখা যায়নি। একেবারেই স্বাভাবিকভাবে লোকজন চলাচল করছে। হোটেল- দোকানে কেনাবেচা হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে। রাস্তায় চলাচল করছে মাস্কবিহীন পথচারীরা। কাউকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যায়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, বেশ কয়েক মাস পর্যন্ত কিছুটা স্থিতিশীল ছিল করোনার সংক্রমণ। কিন্তু গত বছরের ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে ক্রমাগত বাড়তে শুরু করেছে। ওমিক্রনের কারণে দেশে সংক্রমণ বাড়ছে। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টকে সরিয়ে প্রভাব বিস্তার করছে ওমিক্রন। এ অবস্থায় স্বাস্থ্যবিধি মানাছাড়া বিকল্প কিছু নেই। এদিকে গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে কিনা তা নজরদারির বালাই নেই।বিধিনিষেধ মানতে জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পৌরসভা, থানা পুলিশ, ভ্রাম্যমান আদালত বা অন্যান্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের কোন উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঘুরে দেখা গেছে মানুষের মাঝে টিকা নেয়ার হার বেড়েছে। সিভিল সার্জন অফিস জানান, আজ করোনায় ৩৯জন আক্রান্ত হয়েছে। তবে আক্রান্তদের ধরন ডেল্টা না ওমিক্রন তা নিশ্চিত করতে পারেন নি।

আপডেট : ১২:২৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২

ঝিনাইদহে স্বাস্থ্যবিধি উধাও, মাস্কে অনীহা হঠাৎ মানুষের সর্দি -জ্বর, কাশি সহ নানা উপসর্গ

আপডেট : ১২:২৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২
১২৫

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
মহামারি করোনা ভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনের সংক্রমণ রোধে সরকারের দেয়া ১১ দফা বিধিনিষেধ কাজে আসছে না। গত এক সপ্তাহে দেশে ২২২ শতাংশ শনাক্ত বাড়লেও এ নিয়ে সাধারণ মানুষের যেন কোনো মাথাব্যথাই নেই। মফস্বল শহর, গ্রামাঞ্চল সহ সর্বত্র যেন কোন মাথাব্যাথা নেই কারো।ঝিনাইদহের উপজেলা গুলোতে নতুন করে আজ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৩৯জন। হঠাৎ অধিকাংশ মানুষের সর্দি -জ্বর, কাশি সহ নানা উপসর্গ দেখা দিয়েছে। অনেকে হাসপাতাল বা পরীক্ষা-নিরিক্ষা না করেই যাচ্ছে ওষধের দোকানে ।জেলার হাট-বাজার সহ বিভিন্ন স্থানে অধিকাংশ মানুষই ইচ্ছেমতো চলাচল করতে দেখা গেছে। সব জায়গার রাস্তায় মানুষের ঢল নামলেও কারো মধ্যেই স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে কোনো আগ্রহ দেখা যায়নি। একেবারেই স্বাভাবিকভাবে লোকজন চলাচল করছে। হোটেল- দোকানে কেনাবেচা হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে। রাস্তায় চলাচল করছে মাস্কবিহীন পথচারীরা। কাউকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যায়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, বেশ কয়েক মাস পর্যন্ত কিছুটা স্থিতিশীল ছিল করোনার সংক্রমণ। কিন্তু গত বছরের ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে ক্রমাগত বাড়তে শুরু করেছে। ওমিক্রনের কারণে দেশে সংক্রমণ বাড়ছে। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টকে সরিয়ে প্রভাব বিস্তার করছে ওমিক্রন। এ অবস্থায় স্বাস্থ্যবিধি মানাছাড়া বিকল্প কিছু নেই। এদিকে গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে কিনা তা নজরদারির বালাই নেই।বিধিনিষেধ মানতে জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পৌরসভা, থানা পুলিশ, ভ্রাম্যমান আদালত বা অন্যান্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের কোন উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঘুরে দেখা গেছে মানুষের মাঝে টিকা নেয়ার হার বেড়েছে। সিভিল সার্জন অফিস জানান, আজ করোনায় ৩৯জন আক্রান্ত হয়েছে। তবে আক্রান্তদের ধরন ডেল্টা না ওমিক্রন তা নিশ্চিত করতে পারেন নি।