চুয়াডাঙ্গা ১১:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দামুড়হুদায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় আহত শিশুর ঢাকায় মৃত্যু

Padma Sangbad
৬৯

দৈনিক পদ্মা সংবাদ ডেস্ক।।

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার মুক্তারপুর গ্রামে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় গুরুতর আহত ১২ বছর বয়সী শিশু পটল চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত পটল মুক্তারপুর গ্রামের শামসুল হকের ছেলে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গত রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে মুক্তারপুর নতুনপাড়া এলাকার প্রধান সড়ক পার হচ্ছিল পটল। এ সময় দ্রুতগামী একটি মোটরসাইকেল তাকে ধাক্কা দিলে সে সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়।

ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে জরুরি উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার দুপুরের দিকে তার মৃত্যু হয়।

শিশু পটলের আকস্মিক মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছালে স্বজনদের মাঝে শোকের মাতম শুরু হয় এবং পুরো গ্রামে নেমে আসে গভীর শোকের ছায়া।

আপডেট : ১২:৪১:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

দামুড়হুদায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় আহত শিশুর ঢাকায় মৃত্যু

আপডেট : ১২:৪১:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
৬৯

দৈনিক পদ্মা সংবাদ ডেস্ক।।

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার মুক্তারপুর গ্রামে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় গুরুতর আহত ১২ বছর বয়সী শিশু পটল চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত পটল মুক্তারপুর গ্রামের শামসুল হকের ছেলে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গত রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে মুক্তারপুর নতুনপাড়া এলাকার প্রধান সড়ক পার হচ্ছিল পটল। এ সময় দ্রুতগামী একটি মোটরসাইকেল তাকে ধাক্কা দিলে সে সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়।

ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে জরুরি উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার দুপুরের দিকে তার মৃত্যু হয়।

শিশু পটলের আকস্মিক মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছালে স্বজনদের মাঝে শোকের মাতম শুরু হয় এবং পুরো গ্রামে নেমে আসে গভীর শোকের ছায়া।