চুয়াডাঙ্গা ০৯:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দামুড়হুদায় তুলা চাষে উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রণোদনা কর্মসূচির উদ্বোধন

Padma Sangbad
১১৮

দামুড়হুদা চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা।।

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় ২০২৬-২৭ মৌসুমে তুলা ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রণোদনা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় দামুড়হুদা উপজেলা অডিটোরিয়াম হলে তুলা উন্নয়ন বোর্ড, চুয়াডাঙ্গা জোনের আয়োজনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহিন আলম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন আক্তার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহিন আলম বলেন, “তুলা একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল। আধুনিক প্রযুক্তি ও সরকারি প্রণোদনার যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে তুলার আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধি সম্ভব। এতে কৃষক যেমন লাভবান হবেন, তেমনি দেশের বস্ত্রশিল্পের কাঁচামালের চাহিদা পূরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জোনের প্রধান তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা এ.এস.এম. ইজাজুল ইসলাম।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দামুড়হুদা ইউনিটের কটন ইউনিট অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) বিদ্যুৎ চন্দ্র দাস, চুয়াডাঙ্গা সদর ইউনিটের কটন অফিসার শয়েন চন্দ্র বর্মন, হেমায়েতপুর কটন ইউনিটের ইউনিট অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) আনন্দ মধু, দর্শনা ইউনিটের কটন অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোক্তার হোসেন এবং উপকারভোগী কৃষকরা।

এবার উপজেলায় ৮৭০ জন কৃষক এ প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এসেছেন। প্রত্যেক কৃষককে প্রতি বিঘা জমির জন্য ৬০০ গ্রাম তুলাবীজ, ৫০ কেজি ডিএপি সার, ৫০ কেজি এমওপি সার, ২৫ কেজি ইউরিয়া, ২ কেজি বোরণ এবং ১০ বোতল কীটনাশক প্রদান করা হবে।

আপডেট : ০১:৩০:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

দামুড়হুদায় তুলা চাষে উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রণোদনা কর্মসূচির উদ্বোধন

আপডেট : ০১:৩০:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
১১৮

দামুড়হুদা চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা।।

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় ২০২৬-২৭ মৌসুমে তুলা ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রণোদনা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় দামুড়হুদা উপজেলা অডিটোরিয়াম হলে তুলা উন্নয়ন বোর্ড, চুয়াডাঙ্গা জোনের আয়োজনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহিন আলম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন আক্তার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহিন আলম বলেন, “তুলা একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল। আধুনিক প্রযুক্তি ও সরকারি প্রণোদনার যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে তুলার আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধি সম্ভব। এতে কৃষক যেমন লাভবান হবেন, তেমনি দেশের বস্ত্রশিল্পের কাঁচামালের চাহিদা পূরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জোনের প্রধান তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা এ.এস.এম. ইজাজুল ইসলাম।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দামুড়হুদা ইউনিটের কটন ইউনিট অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) বিদ্যুৎ চন্দ্র দাস, চুয়াডাঙ্গা সদর ইউনিটের কটন অফিসার শয়েন চন্দ্র বর্মন, হেমায়েতপুর কটন ইউনিটের ইউনিট অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) আনন্দ মধু, দর্শনা ইউনিটের কটন অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোক্তার হোসেন এবং উপকারভোগী কৃষকরা।

এবার উপজেলায় ৮৭০ জন কৃষক এ প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এসেছেন। প্রত্যেক কৃষককে প্রতি বিঘা জমির জন্য ৬০০ গ্রাম তুলাবীজ, ৫০ কেজি ডিএপি সার, ৫০ কেজি এমওপি সার, ২৫ কেজি ইউরিয়া, ২ কেজি বোরণ এবং ১০ বোতল কীটনাশক প্রদান করা হবে।