চুয়াডাঙ্গা ০৮:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধরা পড়া কোরাল মাছটির ওজন কত জানেন?

Padma Sangbad
১৮৮

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার মেঘনা নদীতে জেলের জালে ১২ কেজি ওজনের একটি কোরাল মাছ ধরা পড়েছে। নিলামে মাছটি ১৪ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।

বুধবার (১৩ নভেম্বর) রাতে উপজেলার হরণী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ঘাটের বিসমিল্লাহ মৎস্য আড়তে মাছটি বিক্রি করা হয়।

জানা গেছে, মেঘনা নদীতে বুধবার বিকেলে জালে বিশাল আকৃতির কোরাল মাছ ধরা পড়ে। তারপর রাতে হরণী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ঘাটের বিসমিল্লাহ মৎস্য আড়তে মাছটি নিয়ে আসেন। নিলামে ১১৬০ টাকা করে মহসিন বেপারি ১৪ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন।

বিসমিল্লাহ মৎস্য আড়তের মালিক মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, আমাদের আড়তে ১২ কেজি ওজনের একটি কোরাল মাছ আসে। নিলামে মহসিন বেপারী ১৪ টাকায় কোরাল মাছটি কিনে নেন। এ ছাড়াও আরও দুটি কোরাল মাছ আসে, সেগুলো ৪ হাজার টাকায় বিক্রি হয়।

মহসিন বেপারী বলেন, বড় কোরাল খুব কমই পাওয়া যায়। সচরাচর বড় মাছ পাওয়া যায় না। তবে বেশিরভাগ মানুষ বড় কোরালগুলো পছন্দ করেন। আশা করছি মাছটি ভালো দামে বিক্রি করতে পারবো।

মৎস্য ব্যবসায়ী মো. রিয়াজ বলেন, হাতিয়া উপজেলা মেঘনা নদীবেষ্টিত। এখানের জেলেরা নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। মাঝে মধ্যে বড় বড় মাছ পাওয়া যায় এবং দামও ভালো পাওয়া যায়। তবে বর্তমানে নদীতে ইলিশ নাই বললেই চলে।

হাতিয়া উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফাহাদ হাসান বলেন, মৎস্য সংরক্ষণে সরকারের দেওয়া বিভিন্ন সময়ে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করায় নদীতে বড় আকৃতির মাছের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা আশা করছি সামনে জেলেরা সাগরে বড় আকৃতির মাছ আরও বেশি বেশি পাবেন।

আপডেট : ১২:৩৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৪

ধরা পড়া কোরাল মাছটির ওজন কত জানেন?

আপডেট : ১২:৩৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৪
১৮৮

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার মেঘনা নদীতে জেলের জালে ১২ কেজি ওজনের একটি কোরাল মাছ ধরা পড়েছে। নিলামে মাছটি ১৪ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।

বুধবার (১৩ নভেম্বর) রাতে উপজেলার হরণী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ঘাটের বিসমিল্লাহ মৎস্য আড়তে মাছটি বিক্রি করা হয়।

জানা গেছে, মেঘনা নদীতে বুধবার বিকেলে জালে বিশাল আকৃতির কোরাল মাছ ধরা পড়ে। তারপর রাতে হরণী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ঘাটের বিসমিল্লাহ মৎস্য আড়তে মাছটি নিয়ে আসেন। নিলামে ১১৬০ টাকা করে মহসিন বেপারি ১৪ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন।

বিসমিল্লাহ মৎস্য আড়তের মালিক মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, আমাদের আড়তে ১২ কেজি ওজনের একটি কোরাল মাছ আসে। নিলামে মহসিন বেপারী ১৪ টাকায় কোরাল মাছটি কিনে নেন। এ ছাড়াও আরও দুটি কোরাল মাছ আসে, সেগুলো ৪ হাজার টাকায় বিক্রি হয়।

মহসিন বেপারী বলেন, বড় কোরাল খুব কমই পাওয়া যায়। সচরাচর বড় মাছ পাওয়া যায় না। তবে বেশিরভাগ মানুষ বড় কোরালগুলো পছন্দ করেন। আশা করছি মাছটি ভালো দামে বিক্রি করতে পারবো।

মৎস্য ব্যবসায়ী মো. রিয়াজ বলেন, হাতিয়া উপজেলা মেঘনা নদীবেষ্টিত। এখানের জেলেরা নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। মাঝে মধ্যে বড় বড় মাছ পাওয়া যায় এবং দামও ভালো পাওয়া যায়। তবে বর্তমানে নদীতে ইলিশ নাই বললেই চলে।

হাতিয়া উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফাহাদ হাসান বলেন, মৎস্য সংরক্ষণে সরকারের দেওয়া বিভিন্ন সময়ে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করায় নদীতে বড় আকৃতির মাছের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা আশা করছি সামনে জেলেরা সাগরে বড় আকৃতির মাছ আরও বেশি বেশি পাবেন।