চুয়াডাঙ্গা ০৩:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিখোঁজের ৯ দিন পর মাথাভাঙ্গা নদী থেকেঢাকার লালবাগের মাইজ উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার

Padma Sangbad
১২২

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা।।
নিখোঁজের ৯ দিন পর মাথাভাঙ্গা নদী থেকে ঢাকার লালবাগের মাইজ উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শনিবার সকালে নদীর পানিতে মরদেহটি ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে সদর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করেন। অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ সনাক্তের জন্য পিবিআইকে খবর দেয়া হয়। পরে মৃত ব্যক্তির হাতের ছাপ নিয়ে তার নাম ও ঠিকানা সনাক্ত করা হয়। মৃত মাইজ উদ্দিন (৫১) ঢাকার লালবাগ থানার রসুল বাগ এলাকার শামসু উদ্দিন ও নাজমা বেগমের ছেলে।
পুলিশ জানায়, ঢাকার রসুল বাগ এলাকার একটি জুতা তৈরির কারখানায় ৮ থেকে ৯ বছর ধরে কাজ করছিলেন তিনি। এরপর গেল ৯ দিন ধওে মাইজ উদ্দিন নিখোঁজ ছিলো। পরে গতকাল শনিবার সকালের দিকে তাঁর মরদেহ মাথাভাঙ্গা নদীতে ভেসে আসে। তবে মৃত লাশের শরীরের কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পরে স্থানীয়রা পুলিশ অফিসের খবর দিলে তারা মরদেহ উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেন। পরে সিআইডি ও পিবিআই দীর্ঘক্ষণের প্রচেষ্টায় লাশটির পরিচয় সনাক্ত করতে সক্ষম হয়। প্রাথমিকভাবে তার মৃত্যুর কারন স্বাভাবিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার্স ইনচার্জ মারুফ রহমান বলেন, নিহতের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

আপডেট : ০২:৪৬:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিখোঁজের ৯ দিন পর মাথাভাঙ্গা নদী থেকেঢাকার লালবাগের মাইজ উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার

আপডেট : ০২:৪৬:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১২২

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা।।
নিখোঁজের ৯ দিন পর মাথাভাঙ্গা নদী থেকে ঢাকার লালবাগের মাইজ উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শনিবার সকালে নদীর পানিতে মরদেহটি ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে সদর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করেন। অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ সনাক্তের জন্য পিবিআইকে খবর দেয়া হয়। পরে মৃত ব্যক্তির হাতের ছাপ নিয়ে তার নাম ও ঠিকানা সনাক্ত করা হয়। মৃত মাইজ উদ্দিন (৫১) ঢাকার লালবাগ থানার রসুল বাগ এলাকার শামসু উদ্দিন ও নাজমা বেগমের ছেলে।
পুলিশ জানায়, ঢাকার রসুল বাগ এলাকার একটি জুতা তৈরির কারখানায় ৮ থেকে ৯ বছর ধরে কাজ করছিলেন তিনি। এরপর গেল ৯ দিন ধওে মাইজ উদ্দিন নিখোঁজ ছিলো। পরে গতকাল শনিবার সকালের দিকে তাঁর মরদেহ মাথাভাঙ্গা নদীতে ভেসে আসে। তবে মৃত লাশের শরীরের কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পরে স্থানীয়রা পুলিশ অফিসের খবর দিলে তারা মরদেহ উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেন। পরে সিআইডি ও পিবিআই দীর্ঘক্ষণের প্রচেষ্টায় লাশটির পরিচয় সনাক্ত করতে সক্ষম হয়। প্রাথমিকভাবে তার মৃত্যুর কারন স্বাভাবিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার্স ইনচার্জ মারুফ রহমান বলেন, নিহতের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।