চুয়াডাঙ্গা ০৫:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিরাপদ সাইবার সুরক্ষা নিশ্চিতে আমরা বদ্ধপরিকর: ডিএমপি কমিশনার

Padma Sangbad
৫৫

অনলাইন ডেস্ক।।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার সাপোর্ট সেন্টারে নারী ও কিশোরদের সুরক্ষা অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানান ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।

বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারী ও কিশোরদের ওপর হয়রানির বিষয় তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘সাইবার সাপোর্ট সেন্টার বিশেষভাবে তাদের সুরক্ষায় কাজ করবে। হয়রানির শিকার হলে যাতে দ্রুত সাপোর্ট পায়—এটাই আমাদের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার।’

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকালে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার সাপোর্ট সেন্টার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি ডিএমপি সাইবার সাপোর্ট সেন্টার উদ্বোধন করেন।

দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ মোকাবিলায় আধুনিক সক্ষমতা গড়ে তুলতেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে অনলাইন জালিয়াতি, প্রতারণা, ডিজিটাল হয়রানি, মানহানি, অনলাইন গ্যাম্বেলিং—এসব অপরাধ মানুষের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও আর্থিক সুরক্ষাকে গভীরভাবে হুমকির মুখে ফেলছে। তাই জনগণের সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে ডিএমপি তার সক্ষমতা বাড়াচ্ছে।’

২৪ ঘণ্টা এ সেবা চালু থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সাইবার সাপোর্ট সেন্টারে থাকবে আধুনিক প্রযুক্তিযুক্ত ল্যাব, দক্ষ তদন্তকারী দল, ডিজিটাল ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ এবং ২৪ ঘণ্টার রেসপন্স টিম। ফেসবুক পেজ, ইমেইল এবং ডিবির অনলাইন চ্যানেলের মাধ্যমে নাগরিকরা সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারবেন।’

কমিশনার আরও বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য একটাই—প্রযুক্তিনির্ভর, সময়োপযোগী ও প্রমাণভিত্তিক পুলিশ সেবা নিশ্চিত করা। তবে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

সাইবার নিরাপত্তা শুধু পুলিশের দায়িত্ব নয় উল্লেখ করে তিনি সবাইকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান এবং নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেন।

অরাজকতা প্রতিহত করতে গেলে পুলিশের সঙ্গে অসদাচরণ করা হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘পুলিশ যখন অরাজকতা ঠেকানোর চেষ্টা করছিল, তখন আমার অফিসারদের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি অনুরোধ করব- আমার অফিসারদের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করবেন না।’

আপডেট : ১২:২১:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

নিরাপদ সাইবার সুরক্ষা নিশ্চিতে আমরা বদ্ধপরিকর: ডিএমপি কমিশনার

আপডেট : ১২:২১:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫
৫৫

অনলাইন ডেস্ক।।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার সাপোর্ট সেন্টারে নারী ও কিশোরদের সুরক্ষা অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানান ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।

বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারী ও কিশোরদের ওপর হয়রানির বিষয় তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘সাইবার সাপোর্ট সেন্টার বিশেষভাবে তাদের সুরক্ষায় কাজ করবে। হয়রানির শিকার হলে যাতে দ্রুত সাপোর্ট পায়—এটাই আমাদের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার।’

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকালে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার সাপোর্ট সেন্টার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি ডিএমপি সাইবার সাপোর্ট সেন্টার উদ্বোধন করেন।

দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ মোকাবিলায় আধুনিক সক্ষমতা গড়ে তুলতেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে অনলাইন জালিয়াতি, প্রতারণা, ডিজিটাল হয়রানি, মানহানি, অনলাইন গ্যাম্বেলিং—এসব অপরাধ মানুষের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও আর্থিক সুরক্ষাকে গভীরভাবে হুমকির মুখে ফেলছে। তাই জনগণের সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে ডিএমপি তার সক্ষমতা বাড়াচ্ছে।’

২৪ ঘণ্টা এ সেবা চালু থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সাইবার সাপোর্ট সেন্টারে থাকবে আধুনিক প্রযুক্তিযুক্ত ল্যাব, দক্ষ তদন্তকারী দল, ডিজিটাল ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ এবং ২৪ ঘণ্টার রেসপন্স টিম। ফেসবুক পেজ, ইমেইল এবং ডিবির অনলাইন চ্যানেলের মাধ্যমে নাগরিকরা সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারবেন।’

কমিশনার আরও বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য একটাই—প্রযুক্তিনির্ভর, সময়োপযোগী ও প্রমাণভিত্তিক পুলিশ সেবা নিশ্চিত করা। তবে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

সাইবার নিরাপত্তা শুধু পুলিশের দায়িত্ব নয় উল্লেখ করে তিনি সবাইকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান এবং নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেন।

অরাজকতা প্রতিহত করতে গেলে পুলিশের সঙ্গে অসদাচরণ করা হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘পুলিশ যখন অরাজকতা ঠেকানোর চেষ্টা করছিল, তখন আমার অফিসারদের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি অনুরোধ করব- আমার অফিসারদের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করবেন না।’