চুয়াডাঙ্গা ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পর্যটকদের জন্য খুলছে সুন্দরবন

Padma Sangbad

অনলাইন ডেস্ক।।
তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে সুন্দরবন। একইসঙ্গে পাস-পারমিট নিয়ে বনের ওপর নির্ভরশীল জেলে ও অন্যান্য বনজীবীরাও বনজ সম্পদ আহরণে সুন্দরবনে প্রবেশ করতে পারবেন।

ফলে দীর্ঘ বিরতির পর দেশি-বিদেশি পর্যটক, জেলে, ট্যুর অপারেটর, লঞ্চ ও বোট চালকদের পদচারণায় আবারও মুখর হয়ে উঠবে বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন।

নিষেধাজ্ঞা চলাকালে সুন্দরবনের একমাত্র করমজল ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র পর্যটকদের জন্য খোলা থাকলেও বাকি সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ছিল। ১ সেপ্টেম্বর থেকে কটকা, কচিখালী, হারবাড়িয়া, হিরণ পয়েন্ট, দুবলার চর ও নীলকমলসহ সুন্দরবনের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে যেতে পারবেন দর্শনার্থীরা। লঞ্চ, ট্যুরবোট, ট্রলারসহ বিভিন্ন নৌযানে এসব এলাকায় ভ্রমণ করতে পারবেন পর্যটকরা।

ইতোমধ্যে পর্যটকদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন ট্যুর অপারেটর, লঞ্চ ও বোট চালকসহ সুন্দরবন কেন্দ্রিক ব্যবসায়ীরা। দীর্ঘদিন পর নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় পর্যটকের সংখ্যা বাড়বে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

সুন্দরবন করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবির বলেন, ‘সরকারি বিভিন্ন বরাদ্দে সুন্দরবন কেন্দ্রিক পর্যটন খাতের উন্নয়নে নানা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে করমজলে এক কিলোমিটার নতুন ফুট ট্রেইল নির্মাণ করা হয়েছে। পাশাপাশি একটি ঝুলন্ত সেতু ও একটি আরসিসি সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। পর্যটকদের সুন্দরবন সম্পর্কে তথ্য দিতে নির্মাণ করা হয়েছে ইনফরমেশন সেন্টারও।’

তিনি আরও বলেন, ‘তিন মাস বন্ধ থাকার পর সুন্দরবনের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের উপস্থিতি বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। এ জন্য বন বিভাগের পক্ষ থেকে পর্যটন কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।’

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে পর্যটকরা সুন্দরবনে প্রবেশ করতে পারবেন। একই সঙ্গে পাস-পারমিট নিয়ে বনজ সম্পদ আহরণের জন্য বনজীবীরাও বনে প্রবেশের সুযোগ পাবেন।

তিনি আরও জানান, মাছের প্রজনন মৌসুম হওয়ায় ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তিন মাস সুন্দরবনের সব নদ-নদী ও খালে মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিল। এ সময় মাছ আহরণ বন্ধের পাশাপাশি করমজল ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র ছাড়া সুন্দরবনের অন্য সব পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটকদের প্রবেশও বন্ধ রাখা হয়।

আপডেট : ১২:৪২:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

পর্যটকদের জন্য খুলছে সুন্দরবন

আপডেট : ১২:৪২:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক।।
তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে সুন্দরবন। একইসঙ্গে পাস-পারমিট নিয়ে বনের ওপর নির্ভরশীল জেলে ও অন্যান্য বনজীবীরাও বনজ সম্পদ আহরণে সুন্দরবনে প্রবেশ করতে পারবেন।

ফলে দীর্ঘ বিরতির পর দেশি-বিদেশি পর্যটক, জেলে, ট্যুর অপারেটর, লঞ্চ ও বোট চালকদের পদচারণায় আবারও মুখর হয়ে উঠবে বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন।

নিষেধাজ্ঞা চলাকালে সুন্দরবনের একমাত্র করমজল ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র পর্যটকদের জন্য খোলা থাকলেও বাকি সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ছিল। ১ সেপ্টেম্বর থেকে কটকা, কচিখালী, হারবাড়িয়া, হিরণ পয়েন্ট, দুবলার চর ও নীলকমলসহ সুন্দরবনের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে যেতে পারবেন দর্শনার্থীরা। লঞ্চ, ট্যুরবোট, ট্রলারসহ বিভিন্ন নৌযানে এসব এলাকায় ভ্রমণ করতে পারবেন পর্যটকরা।

ইতোমধ্যে পর্যটকদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন ট্যুর অপারেটর, লঞ্চ ও বোট চালকসহ সুন্দরবন কেন্দ্রিক ব্যবসায়ীরা। দীর্ঘদিন পর নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় পর্যটকের সংখ্যা বাড়বে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

সুন্দরবন করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবির বলেন, ‘সরকারি বিভিন্ন বরাদ্দে সুন্দরবন কেন্দ্রিক পর্যটন খাতের উন্নয়নে নানা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে করমজলে এক কিলোমিটার নতুন ফুট ট্রেইল নির্মাণ করা হয়েছে। পাশাপাশি একটি ঝুলন্ত সেতু ও একটি আরসিসি সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। পর্যটকদের সুন্দরবন সম্পর্কে তথ্য দিতে নির্মাণ করা হয়েছে ইনফরমেশন সেন্টারও।’

তিনি আরও বলেন, ‘তিন মাস বন্ধ থাকার পর সুন্দরবনের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের উপস্থিতি বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। এ জন্য বন বিভাগের পক্ষ থেকে পর্যটন কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।’

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে পর্যটকরা সুন্দরবনে প্রবেশ করতে পারবেন। একই সঙ্গে পাস-পারমিট নিয়ে বনজ সম্পদ আহরণের জন্য বনজীবীরাও বনে প্রবেশের সুযোগ পাবেন।

তিনি আরও জানান, মাছের প্রজনন মৌসুম হওয়ায় ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তিন মাস সুন্দরবনের সব নদ-নদী ও খালে মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিল। এ সময় মাছ আহরণ বন্ধের পাশাপাশি করমজল ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র ছাড়া সুন্দরবনের অন্য সব পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটকদের প্রবেশও বন্ধ রাখা হয়।