ফিরে আসো আবার এ বসুন্ধরায়!

রাশিদা-য়ে আশরার,কবি ও সাহিত্য সম্পাদক, দৈনিক পদ্মা সংবাদ।
ফিরে আসো-ফিরে আসো মা মাতৃ রূপে এই বসুন্ধরায়…
গণতন্ত্র-সমাজতন্ত্র, বুঝি না আমি রাজতন্ত্র বা
একনায়কতন্ত্র।
চাই মানব তন্ত্র- বাক স্বাধীনতা মানব মুক্তির সনদ;
গতানুগতিক ধারায় সর্বজনবিদিত নিয়ম;
সাধারন মানুষ চাই- ভাত ও ভোটের অধিকার,
মৌলিক অধিকার গুলো নিয়েই বাঁচতে চাই!
অগ্নি ঝরা উত্তাল এই মার্চেই রাজনীতির কবি-
বাঙালির সূর্যসন্তান বঙ্গবন্ধুর ডাকে হয়েছিল
এক প্রাণ!
সাধারণ জনতা উদ্বুদ্ধ ও আত্ম সচেতনতাই
সরব মরণপণ যুদ্ধ…
“যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়-
এবারের সংগ্রাম, আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম “অস্তিত্বের সংগ্রামে উত্তাল রেসকোর্স ময়দান;
দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম-স্বাধিকার আন্দোলন!
৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের ঘামে-২ লক্ষ বীরাঙ্গনাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে রচিত বিজয়ের ইতিহাস;
এটুকুই বুঝি আমি এই মাটিতে আমার জীবন-
এই মাটিতে যেন মরণ হয়!
বঙ্গবন্ধুর তনয়া-এক মায়ের হাতেই লাল-সবুজ পতাকার গর্ব সুরক্ষিত;
দিনবদলের পালা- দায়দায়িত্ব ও রক্তিম ইতিহাস!
স্বপ্ন দেখা দু’টি চোখের তারায় জেগে ওঠো…
এটুকুই বুঝি আমি জেগে ওঠো পাঞ্জেরী…
জেগে ওঠো নওজোয়ান;
জেগে ওঠো বাঙালি… সময় যে বয়ে যায়!
তৃষিত এই মনটা ভিজে যাই বারবার…কোথায়?
কোথায় হারালো সেই মানুষ আর দেশ প্রেম!
পুরনো চিল শকুন কেন ফিরে আসে এই বাংলায়-
শনির আখড়া গড়েন?
কেন লুণ্ঠিত অবগুন্ঠিত হয়- লাল সবুজ পতাকা
খামচে ধরতে চাই?
হৃদয়ে বাংলা ভাষার ছবি এঁকে মাতৃভূমির
কপালে দাও রাজটিকা;
কোথায় গেল সেই অসাম্প্রদায়িকতার ঢেউ
মান- মর্যাদা আর ঐতিহ্য!
ব্যর্থতার দায়ভার কার ব্যক্তি,সমাজ না রাষ্ট্রের??
তবুও আশা বেঁধে রাখি- মনের বসন্ত ফিরে আসুক, আবারো ঘুরে ফিরে আসুক মহাযোগ;
আকাশ বাতাসে ধ্বনিত প্রতিধ্বনিত- হোক জয়
বাংলার জয়!!
২০২২




















