চুয়াডাঙ্গা ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদেশ থাকা চিকিৎসকের পরামর্শে নার্সের চিকিৎসা, শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ

Padma Sangbad
১৯০

অনলাইন ডেস্ক।।
কেশবপুর শহরের কেশবপুর শিশু ও জেনারেল হাসপাতাল নামের একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে গিয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটি নাম আরিয়ান। বয়স আট মাস।

রাশিয়ায় অবস্থানরত চিকিৎসক কামরুল ইসলামের অনলাইন পরামর্শে নার্স মারিয়া ইয়াসমিন তাকে চিকিৎসা দেন। এক পর্যায়ে শিশুটির মৃত্যু হয় ।

এ ঘটনায় রোগীর স্বজনরা ক্ষিপ্ত হলে ওই হাসপাতালের রিসিপশন শাখার কয়েকজন তাদের সাথে মারমুখি আচরণ করেন। এ সময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে ক্লিনিকে ভাঙচুর চালায়। খবর পেয়ে কেশবপুর থানা পুলিশের ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

শিশু আরিয়ানের নানী উপজেলার গৌরীঘোনা ইউনিয়নের সারুটিয়া গ্রামের খায়রুল মোল্লার স্ত্রী নাজমা বেগম জানান,বুধবার দুপুরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে এখানে আনা হয়। তখন নার্সরা ডাক্তার বিদেশে তা না জানিয়ে ওই ডাক্তারের সাথে অনলাইনে যোগাযোগ করে চিকিৎসা দেওয়ার সময় শিশুটির মৃত্যু হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, নার্স যদি বলতো ডাক্তার নেই, তাহলে আমরা অন্য হাসপাতাল বা ক্লিনিকে যেতে পারতাম।

শিশুটির নানা খায়রুল মোল্লা জানান, তার মেয়ে রাবেয়া ও জামাই ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকরি করেন। শিশুটি তাদের কাছে দেড়মাস বয়স থেকে রয়েছে।

কেশবপুর থানার এস আই মকলেছুর রহমান জানান,মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত আছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাউকে পাওয়া যায়নি।

আপডেট : ০৮:৫৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

বিদেশ থাকা চিকিৎসকের পরামর্শে নার্সের চিকিৎসা, শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ

আপডেট : ০৮:৫৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
১৯০

অনলাইন ডেস্ক।।
কেশবপুর শহরের কেশবপুর শিশু ও জেনারেল হাসপাতাল নামের একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে গিয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটি নাম আরিয়ান। বয়স আট মাস।

রাশিয়ায় অবস্থানরত চিকিৎসক কামরুল ইসলামের অনলাইন পরামর্শে নার্স মারিয়া ইয়াসমিন তাকে চিকিৎসা দেন। এক পর্যায়ে শিশুটির মৃত্যু হয় ।

এ ঘটনায় রোগীর স্বজনরা ক্ষিপ্ত হলে ওই হাসপাতালের রিসিপশন শাখার কয়েকজন তাদের সাথে মারমুখি আচরণ করেন। এ সময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে ক্লিনিকে ভাঙচুর চালায়। খবর পেয়ে কেশবপুর থানা পুলিশের ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

শিশু আরিয়ানের নানী উপজেলার গৌরীঘোনা ইউনিয়নের সারুটিয়া গ্রামের খায়রুল মোল্লার স্ত্রী নাজমা বেগম জানান,বুধবার দুপুরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে এখানে আনা হয়। তখন নার্সরা ডাক্তার বিদেশে তা না জানিয়ে ওই ডাক্তারের সাথে অনলাইনে যোগাযোগ করে চিকিৎসা দেওয়ার সময় শিশুটির মৃত্যু হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, নার্স যদি বলতো ডাক্তার নেই, তাহলে আমরা অন্য হাসপাতাল বা ক্লিনিকে যেতে পারতাম।

শিশুটির নানা খায়রুল মোল্লা জানান, তার মেয়ে রাবেয়া ও জামাই ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকরি করেন। শিশুটি তাদের কাছে দেড়মাস বয়স থেকে রয়েছে।

কেশবপুর থানার এস আই মকলেছুর রহমান জানান,মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত আছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাউকে পাওয়া যায়নি।