চুয়াডাঙ্গা ০১:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেট্রোরেলে স্ট্রোকের পরও বসার জায়গা দেয়নি কেউ, লুটিয়ে পড়ে মৃত্যু

Padma Sangbad
১২

অনলাইন ডেস্ক।।

মেট্রোরেলে যাতায়াতের সময় অসুস্থ হয়ে বাবার মৃত্যুর ঘটনায় পাশে থাকা মানুষের মানবিক আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সদস্য নাকিবুর রহমান।

আজ মঙ্গলবার নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ বিষয়টি সামনে আনেন নাজিবুর রহমান। নিচে তার পোস্টটি তুলে ধার হলো:

আব্বু গত ২৪ অক্টোবর, দুপুরে মেট্রোরেলে শাহবাগ থেকে উত্তরা ফেরার পথে শেওরাপাড়া স্টেশনের কাছাকাছি স্ট্রোক করে মুহুর্তেই মৃত্যু বরন করেন। মৃত্যুর আগে উনি শারীরিক অসুস্থ অনুভব করায় আশে পাশের লোক জনের কাছে বসতে চেয়েছিলেন। কেউ জায়গা ছেড়ে তাকে বসতে দেন নি।

আমার বাবা দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় স্ট্রোক করে নিচে পরে যান। আল্লাহ তার মৃত্যুকে সহজ করে নিয়ে গেছেন। কিন্তু সন্তান হিসাবে এইটুকু মেনে নেয়াটা কষ্টকর।

আমার কোন রাগ অভিমান নাই।

শুধু এই টুকুই বলবো সবাইকে, চলতে ফিরতে বয়স্ক বা সিনিয়র সিটিজেন যখন যেখানে যে অবস্থাতেই পাবেন, তাদের সাথে বন্ধু সুলভ আচরন করুন। আপনি আজকে যাকে ইগ্নোর করলেন, সে আপনার বাবা না হলেও, অন্যকারো বাবা।

অনুগ্রহ কেউ মেট্রোরেল যাতায়াত সংক্রান্ত উচিত অনুচিত কথাবার্তা বা ঘটনা তুলে এনে কাউকে দোষারোপ স্বরুপ মন্তব্য করবেন না। চলাফেরা করার সময় আমাদের আশে পাশের মানুষদের কমফোর্ট থাকার বিষয়টা খেয়াল করাই উত্তম।

আমি সবার ফোন বা ম্যসেজ ঠিক মত রেস্পন্স করতে পারি নাই। পর্যায়ক্রমে যোগাযোগ করবো ইনশাআল্লাহ। সবাই আমার আব্বুর জন্য দোয়া করবেন।

আপডেট : ১১:১৫:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

মেট্রোরেলে স্ট্রোকের পরও বসার জায়গা দেয়নি কেউ, লুটিয়ে পড়ে মৃত্যু

আপডেট : ১১:১৫:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
১২

অনলাইন ডেস্ক।।

মেট্রোরেলে যাতায়াতের সময় অসুস্থ হয়ে বাবার মৃত্যুর ঘটনায় পাশে থাকা মানুষের মানবিক আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সদস্য নাকিবুর রহমান।

আজ মঙ্গলবার নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ বিষয়টি সামনে আনেন নাজিবুর রহমান। নিচে তার পোস্টটি তুলে ধার হলো:

আব্বু গত ২৪ অক্টোবর, দুপুরে মেট্রোরেলে শাহবাগ থেকে উত্তরা ফেরার পথে শেওরাপাড়া স্টেশনের কাছাকাছি স্ট্রোক করে মুহুর্তেই মৃত্যু বরন করেন। মৃত্যুর আগে উনি শারীরিক অসুস্থ অনুভব করায় আশে পাশের লোক জনের কাছে বসতে চেয়েছিলেন। কেউ জায়গা ছেড়ে তাকে বসতে দেন নি।

আমার বাবা দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় স্ট্রোক করে নিচে পরে যান। আল্লাহ তার মৃত্যুকে সহজ করে নিয়ে গেছেন। কিন্তু সন্তান হিসাবে এইটুকু মেনে নেয়াটা কষ্টকর।

আমার কোন রাগ অভিমান নাই।

শুধু এই টুকুই বলবো সবাইকে, চলতে ফিরতে বয়স্ক বা সিনিয়র সিটিজেন যখন যেখানে যে অবস্থাতেই পাবেন, তাদের সাথে বন্ধু সুলভ আচরন করুন। আপনি আজকে যাকে ইগ্নোর করলেন, সে আপনার বাবা না হলেও, অন্যকারো বাবা।

অনুগ্রহ কেউ মেট্রোরেল যাতায়াত সংক্রান্ত উচিত অনুচিত কথাবার্তা বা ঘটনা তুলে এনে কাউকে দোষারোপ স্বরুপ মন্তব্য করবেন না। চলাফেরা করার সময় আমাদের আশে পাশের মানুষদের কমফোর্ট থাকার বিষয়টা খেয়াল করাই উত্তম।

আমি সবার ফোন বা ম্যসেজ ঠিক মত রেস্পন্স করতে পারি নাই। পর্যায়ক্রমে যোগাযোগ করবো ইনশাআল্লাহ। সবাই আমার আব্বুর জন্য দোয়া করবেন।