চুয়াডাঙ্গা ০৮:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেহেরপুরে মেয়েকে হত্যার দায়ে পিতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

Padma Sangbad
১১১

মেহেরপুর প্রতিনিধি।।
নিজ কন্যা ববিতা খাতুনকে হত্যার দায়ে পিতা বজলুর রহমানকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার বিকালে মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক গোলাম কবীর এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত বজলুর রহমান সদর উপজেলার কুলবাড়িয়া গ্রামের আওলাদ হোসেনের ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৫ মার্চ রাতে কুলবাড়িয়া এলাকায় ভৈরব নদ থেকে পচা দুর্গন্ধ বের হওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ প্লাস্টিকের বস্তাবন্দি অবস্থায় এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহটি মেহেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
তদন্তে মরদেহটি কুলবাড়িয়া গ্রামের বজলুর রহমানের মেয়ে ববিতার বলে শনাক্ত হয়। পরে পুলিশ বজলুর রহমানকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি মেয়েকে হত্যার কথা স্বীকার করেন এবং আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলায় ২১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর সাইদুর রাজ্জাক এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খন্দকার একরামুল হক হীরা।

আপডেট : ১০:০২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেহেরপুরে মেয়েকে হত্যার দায়ে পিতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট : ১০:০২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১১১

মেহেরপুর প্রতিনিধি।।
নিজ কন্যা ববিতা খাতুনকে হত্যার দায়ে পিতা বজলুর রহমানকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার বিকালে মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক গোলাম কবীর এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত বজলুর রহমান সদর উপজেলার কুলবাড়িয়া গ্রামের আওলাদ হোসেনের ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৫ মার্চ রাতে কুলবাড়িয়া এলাকায় ভৈরব নদ থেকে পচা দুর্গন্ধ বের হওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ প্লাস্টিকের বস্তাবন্দি অবস্থায় এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহটি মেহেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
তদন্তে মরদেহটি কুলবাড়িয়া গ্রামের বজলুর রহমানের মেয়ে ববিতার বলে শনাক্ত হয়। পরে পুলিশ বজলুর রহমানকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি মেয়েকে হত্যার কথা স্বীকার করেন এবং আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলায় ২১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর সাইদুর রাজ্জাক এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খন্দকার একরামুল হক হীরা।