চুয়াডাঙ্গা ০১:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোরে বৃষ্টিতে ভিজে ভাই হত্যার বিচার চাইলেন আন্দোলনকারীরা

Padma Sangbad
১২২

শুক্রবার বৃষ্টিতে ভিজে যশোরে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীরা। ‘ভাইদের বুকে বুলেট কেন’ এ শ্লোগানে কম্পিত করেছে যশোরের রাজপথ। নিহত ভাইদের রুহের মাগফেরাত কামানায় তারা দোয়া ও প্রার্থনা করেছে। একই সাথে তাদের নয় দফা দাবি আদায়ে অনড় অবস্থানে থেকেছেন বিক্ষোভকারীরা।
এদিকে, পুলিশ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে এদিন কোনো বাধা প্রদান করেনি। তারা মিছিলের সামনে ও পেছনে থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর থেকেই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা জড়ো হতে থাকে পালবাড়ি মোড় এলাকায়। বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেই দলে দলে যোগ দিতে থাকে আন্দোলনকারীরা। এরপর গণমিছিল নিয়ে শ্লোগান দিতে দিতে তারা দড়াটানার দিকে রওনা হয়। এরই মাঝে বিমান অফিস মোড়ে তারা বৃষ্টিতে ভিজে প্রায় ঘন্টাব্যাপী অবস্থান নেন। সেখানে তারা সারাদেশে নিহত ছাত্রছাত্রীদের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া করেন। এছাড়া, হিন্দু ধর্মের শিক্ষার্থীরা তাদের ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী প্রার্থনা করেন। এসময় বিক্ষোভকারীরা সরকার বিরোধী নানা ধরণের শ্লোগান দেন। পরবর্তিতে মিছিলটি চলে যায় দড়াটানা ভৈবর চত্বরে। একপর্যায় দড়াটানা চত্বর ঘিরে ফেলে আন্দোলনকারীরা। বন্ধ হয়ে যায় যানবাহন চলাচল। শ্লোগানে শ্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো দড়াটানা এলাকা। এসময় বিক্ষোভকারীদের সাথে অনেক অভিভাবকও হত্যার প্রতিবাদে একাত্বতা প্রকাশ করে বক্তব্য দেন। তারাও হত্যার বিচার দাবী করেন।
এখানে সমাবেশে আন্দোলনের যশোরের সমন্বয়ক রাশেদ খান বলেন, যশোরে তারা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করেছেন। তারা নয় দফা দাবি আদায়ে রাস্তায় নেমেছেন, এ দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা রাস্তায় থাকবেন। পুলিশের গুলি বন্ধ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুশিয়ারি দেন তিনি।
এদিকে, অভিভাবকরা জানান, তারা সন্তানদের ঘরে আটকে রাখতে পারছেন না। সন্তান রাজপথে নামলে তারাও ঘরে থাকতে পারছে না। সন্তানদের ঘরে ফেরাতে না পেরে তারাও রাস্তায় নেমে এসেছেন। এদিন যশোরে পুলিশের ভুমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা। তারা বলেন, সারাদেশেই পুলিশ সন্তানদের উপর নির্যাতন নিপিড়ন চালাচ্ছে। কিন্তু সে অনুযায়ী যশোরে পুলিশের ভূমিকা ব্যতিক্রম।
এদিকে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীদের সাথে যশোরের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষকে দেখা গেছে। তারাও নয় দফা দাবির পক্ষে আন্দোলনে নেমেছেন বলে জানিয়েছেন।

আপডেট : ১১:১৭:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অগাস্ট ২০২৪

যশোরে বৃষ্টিতে ভিজে ভাই হত্যার বিচার চাইলেন আন্দোলনকারীরা

আপডেট : ১১:১৭:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অগাস্ট ২০২৪
১২২

শুক্রবার বৃষ্টিতে ভিজে যশোরে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীরা। ‘ভাইদের বুকে বুলেট কেন’ এ শ্লোগানে কম্পিত করেছে যশোরের রাজপথ। নিহত ভাইদের রুহের মাগফেরাত কামানায় তারা দোয়া ও প্রার্থনা করেছে। একই সাথে তাদের নয় দফা দাবি আদায়ে অনড় অবস্থানে থেকেছেন বিক্ষোভকারীরা।
এদিকে, পুলিশ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে এদিন কোনো বাধা প্রদান করেনি। তারা মিছিলের সামনে ও পেছনে থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর থেকেই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা জড়ো হতে থাকে পালবাড়ি মোড় এলাকায়। বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেই দলে দলে যোগ দিতে থাকে আন্দোলনকারীরা। এরপর গণমিছিল নিয়ে শ্লোগান দিতে দিতে তারা দড়াটানার দিকে রওনা হয়। এরই মাঝে বিমান অফিস মোড়ে তারা বৃষ্টিতে ভিজে প্রায় ঘন্টাব্যাপী অবস্থান নেন। সেখানে তারা সারাদেশে নিহত ছাত্রছাত্রীদের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া করেন। এছাড়া, হিন্দু ধর্মের শিক্ষার্থীরা তাদের ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী প্রার্থনা করেন। এসময় বিক্ষোভকারীরা সরকার বিরোধী নানা ধরণের শ্লোগান দেন। পরবর্তিতে মিছিলটি চলে যায় দড়াটানা ভৈবর চত্বরে। একপর্যায় দড়াটানা চত্বর ঘিরে ফেলে আন্দোলনকারীরা। বন্ধ হয়ে যায় যানবাহন চলাচল। শ্লোগানে শ্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো দড়াটানা এলাকা। এসময় বিক্ষোভকারীদের সাথে অনেক অভিভাবকও হত্যার প্রতিবাদে একাত্বতা প্রকাশ করে বক্তব্য দেন। তারাও হত্যার বিচার দাবী করেন।
এখানে সমাবেশে আন্দোলনের যশোরের সমন্বয়ক রাশেদ খান বলেন, যশোরে তারা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করেছেন। তারা নয় দফা দাবি আদায়ে রাস্তায় নেমেছেন, এ দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা রাস্তায় থাকবেন। পুলিশের গুলি বন্ধ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুশিয়ারি দেন তিনি।
এদিকে, অভিভাবকরা জানান, তারা সন্তানদের ঘরে আটকে রাখতে পারছেন না। সন্তান রাজপথে নামলে তারাও ঘরে থাকতে পারছে না। সন্তানদের ঘরে ফেরাতে না পেরে তারাও রাস্তায় নেমে এসেছেন। এদিন যশোরে পুলিশের ভুমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা। তারা বলেন, সারাদেশেই পুলিশ সন্তানদের উপর নির্যাতন নিপিড়ন চালাচ্ছে। কিন্তু সে অনুযায়ী যশোরে পুলিশের ভূমিকা ব্যতিক্রম।
এদিকে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীদের সাথে যশোরের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষকে দেখা গেছে। তারাও নয় দফা দাবির পক্ষে আন্দোলনে নেমেছেন বলে জানিয়েছেন।