চুয়াডাঙ্গা ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত ও শাস্তির দাবিতে যশোরে মানববন্ধন

Padma Sangbad
৮০

যশোর সংবাদদাতা।।

জামায়াত নেতা ও সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা নারীঘটিত কেলেঙ্কারির অভিযোগের প্রতিবাদে যশোরে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও কুশপুত্তলিকা দাহ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) শহরের দড়াটানা চৌরাস্তা মোড়ে সচেতন নারী সমাজের ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে অভিযুক্ত এমপিকে যশোরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়।

মানববন্ধনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌসী বেগম বলেন, “আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ১৯৭১ সালে তাদের ভূমিকা দেখেছি। রাজাকার-আলবদরদের সরাসরি সহযোগিতায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আমাদের মা-বোনদের ইজ্জত ও সম্ভ্রম নষ্ট করেছিল। বর্তমানে ২০২৬ সালেও তারা নতুনভাবে আবির্ভূত হয়েছে। জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামের কর্মকাণ্ড সেটাই প্রমাণ করে।”

এ সময় যশোরের বিশিষ্ট নারী নেত্রী ও পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর রাশিদা রহমান বলেন, “একজন জামায়াত নেতা ও জনপ্রতিনিধির এমন নৈতিক স্খলন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। জনগণের সামনে অপকর্ম প্রকাশ পেলে অনেক সময় বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হয়। তবে গাজী নজরুল ইসলামের মতো একজন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ক্ষেত্রে তা করার কোনো সুযোগ নেই। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”

মানববন্ধনে নারী নেত্রী শামসুন নাহার পান্নাসহ সচেতন নারী সমাজের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনগণ বক্তব্য দেন। কর্মসূচি থেকে অভিযুক্ত সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

আপডেট : ০১:৫১:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত ও শাস্তির দাবিতে যশোরে মানববন্ধন

আপডেট : ০১:৫১:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
৮০

যশোর সংবাদদাতা।।

জামায়াত নেতা ও সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা নারীঘটিত কেলেঙ্কারির অভিযোগের প্রতিবাদে যশোরে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও কুশপুত্তলিকা দাহ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) শহরের দড়াটানা চৌরাস্তা মোড়ে সচেতন নারী সমাজের ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে অভিযুক্ত এমপিকে যশোরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়।

মানববন্ধনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌসী বেগম বলেন, “আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ১৯৭১ সালে তাদের ভূমিকা দেখেছি। রাজাকার-আলবদরদের সরাসরি সহযোগিতায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আমাদের মা-বোনদের ইজ্জত ও সম্ভ্রম নষ্ট করেছিল। বর্তমানে ২০২৬ সালেও তারা নতুনভাবে আবির্ভূত হয়েছে। জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামের কর্মকাণ্ড সেটাই প্রমাণ করে।”

এ সময় যশোরের বিশিষ্ট নারী নেত্রী ও পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর রাশিদা রহমান বলেন, “একজন জামায়াত নেতা ও জনপ্রতিনিধির এমন নৈতিক স্খলন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। জনগণের সামনে অপকর্ম প্রকাশ পেলে অনেক সময় বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হয়। তবে গাজী নজরুল ইসলামের মতো একজন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ক্ষেত্রে তা করার কোনো সুযোগ নেই। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”

মানববন্ধনে নারী নেত্রী শামসুন নাহার পান্নাসহ সচেতন নারী সমাজের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনগণ বক্তব্য দেন। কর্মসূচি থেকে অভিযুক্ত সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।