রাজশাহীতে ব্যানার নিয়ে ছাত্রদল-শিবিরের সংঘর্ষ, আহত ৫

রাজশাহী প্রতিনিধি।।
রাজশাহীর পদ্মা সরকারি কলেজে ব্যানার টাঙানো ও ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাঁদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার সকালে কলেজ ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের পর উভয় পক্ষের নেতাকর্মীদের নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান নিতে দেখা যায়। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে ইসলামী ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে কলেজে একটি হেল্পডেস্ক স্থাপন করা হয়েছিল। মঙ্গলবার সকালে সেখানে ব্যানার টাঙানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে পরিস্থিতি সংঘর্ষে গড়ায়।
ছাত্রশিবিরের রাজশাহী শাহ মখদুম থানা সভাপতি তানভীর মাহতাবের দাবি, শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রমে সহযোগিতার জন্য কয়েক দিন ধরে তাঁরা হেল্পডেস্ক পরিচালনা করছিলেন। সকালে হেল্পডেস্কের ব্যানার টাঙানোর পর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেটি ছিঁড়ে ফেলেন। এর প্রতিবাদ করতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয় এবং পরে হামলার ঘটনায় তাঁদের তিনজন আহত হন বলে তিনি দাবি করেন।
অন্যদিকে, পদ্মা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের নেতাদের দাবি, ছাত্রশিবিরের ৩০ থেকে ৪০ জন নেতাকর্মী কলেজে প্রবেশ করে ছাত্রদলের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন। এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় তাঁদের দুজন আহত হন বলে দাবি করা হয়।
রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সদস্যসচিব লিমন অভিযোগ করেন, ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে বহিরাগতরা যোগ দিয়ে তাঁদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করেছেন। অন্যদিকে রাজশাহী মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইমরান নাজিরের দাবি, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বহিরাগতদের নিয়ে হেল্পডেস্কে হামলা চালিয়ে ব্যানার ছিঁড়ে ও পুড়িয়ে দেন। উভয় পক্ষই অপর পক্ষের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ করেছে।
এ বিষয়ে চন্দ্রিমা থানার পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম বলেন, সকালে ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে কাজ করছে।
ঘটনার বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। প্রকাশিত প্রতিবেদনে আহতদের নির্দিষ্ট পরিচয়ও জানানো হয়নি।






















