চুয়াডাঙ্গা ১২:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাবির আবাসিক কোয়ার্টারে বিষধর গোখরা সাপ!

Padma Sangbad
১০৫

অনলাইন ডেস্ক।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) পূর্বপাড়া আবাসিক কোয়ার্টার থেকে একটি খৈয়া গোখরা সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে সাপটি উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের Deep Ecology and Snake Rescue Foundation- এর রেস কিউআর মিজানুর রহমান তাসিব।

তাসিব জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্বপাড়া আবাসিক এলাকা থেকে ফোন আসে বাসায় সাপ ঢুকেছে। তখন আমি ও রেস কিউআর নাজমুল যাই উদ্ধার করতে।

সাপটি সিঁড়ি ঘরে ঢুকে পড়েছিলো। সাপ দেখে নিশ্চিত হই এটি খৈয়া গোখরা। যার ইংরেজি নাম Spectacled Cobra. এটি মারাত্মক বিষধর একটি সাপ। লম্বায় প্রায় ৪/৫ হাত।
তিনি আরও বলেন, প্রকৃতিতে প্রত্যেকটি প্রাণীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সাপ মূলত ইঁদুর ও কীটপতঙ্গ খেয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। উপস্থিত সবাইকে সচেতনতামূলক কথাবার্তা বলে তাদেরকে এর গুরুত্ব বুঝানো হয়।

তাসিব বলেন, ক্যাম্পাসে গোখরা সাপ প্রায়ই দেখা যায়।

তাই দেখা মাত্রই সাপ না মেরে আমাদেরকে ডাকলে এসে উদ্ধার করবো। এসময় গোখরার ডিম ফুটে বাচ্চা বের হওয়ার সময়। তাই মারতে যাওয়া বেশি রিস্ক। একটা মারতে গেলে দেখা যাবে আশেপাশে থাকা অন্য সাপের বাচ্চার কামড় খাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই না মেরে উদ্ধারের জন্য যোগাযোগ করুন।
উদ্ধারকৃত সাপটি যথাযথ স্থানে অবমুক্ত করা হবে বলে জানান এই রেসকিউআর।

সুত্রঃ বিডি প্রতিদিন।

আপডেট : ১১:৪৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাবির আবাসিক কোয়ার্টারে বিষধর গোখরা সাপ!

আপডেট : ১১:৪৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২
১০৫

অনলাইন ডেস্ক।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) পূর্বপাড়া আবাসিক কোয়ার্টার থেকে একটি খৈয়া গোখরা সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে সাপটি উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের Deep Ecology and Snake Rescue Foundation- এর রেস কিউআর মিজানুর রহমান তাসিব।

তাসিব জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্বপাড়া আবাসিক এলাকা থেকে ফোন আসে বাসায় সাপ ঢুকেছে। তখন আমি ও রেস কিউআর নাজমুল যাই উদ্ধার করতে।

সাপটি সিঁড়ি ঘরে ঢুকে পড়েছিলো। সাপ দেখে নিশ্চিত হই এটি খৈয়া গোখরা। যার ইংরেজি নাম Spectacled Cobra. এটি মারাত্মক বিষধর একটি সাপ। লম্বায় প্রায় ৪/৫ হাত।
তিনি আরও বলেন, প্রকৃতিতে প্রত্যেকটি প্রাণীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সাপ মূলত ইঁদুর ও কীটপতঙ্গ খেয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। উপস্থিত সবাইকে সচেতনতামূলক কথাবার্তা বলে তাদেরকে এর গুরুত্ব বুঝানো হয়।

তাসিব বলেন, ক্যাম্পাসে গোখরা সাপ প্রায়ই দেখা যায়।

তাই দেখা মাত্রই সাপ না মেরে আমাদেরকে ডাকলে এসে উদ্ধার করবো। এসময় গোখরার ডিম ফুটে বাচ্চা বের হওয়ার সময়। তাই মারতে যাওয়া বেশি রিস্ক। একটা মারতে গেলে দেখা যাবে আশেপাশে থাকা অন্য সাপের বাচ্চার কামড় খাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই না মেরে উদ্ধারের জন্য যোগাযোগ করুন।
উদ্ধারকৃত সাপটি যথাযথ স্থানে অবমুক্ত করা হবে বলে জানান এই রেসকিউআর।

সুত্রঃ বিডি প্রতিদিন।