চুয়াডাঙ্গা ১১:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাফজয়ী ৪ নারী ফুটবলার কে কত জিপিএ পেলেন এইচএসসিতে ?

Padma Sangbad
৯৬

মারুফ সরকার: ২০২২ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। আজ বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে কম্পিউটারের বোতাম চেপে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেন। এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন সাফজয়ী বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের ৪ ফুটবলার।

এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্যে আছেন রেহানা আক্তার, ঋতুপর্ণা চাকমা, আঁখি খাতুন ও শামসুন্নাহার। রেহানা পেয়েছেন জিপিএ ৪.৫৮, ঋতুপর্ণা ও আঁখি জিপিএ ৪.৫০ ও শামসুন্নাহার পেয়েছেন জিপিএ ২.৫৮। তাদের ফলাফলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের প্রধান কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন।

চার নারী ফুটবলারের মধ্যে শামসুন্নাহার ছাড়া বাকিরা পরীক্ষা দিয়েছিলেন বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) থেকে। বছরজুড়েই খেলা নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয় নারী ফুটবলারদের। তবে ব্যস্ততার মাঝেও পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই খেলাধুলার পাশাপাশি নারী ফুটবলারদের শিক্ষার দিকেও জোর দিচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

গত বছর নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। ২০০৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ জাতীয় পুরুষ ফুটবল দল। ১৯ বছর পর সেই সাফল্যের মালা গাঁথেন বাংলার লড়াকু মেয়েরা। সাবিনা-মারিয়াদের মাথায় ওঠে এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট।

আপডেট : ১১:৩৩:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

সাফজয়ী ৪ নারী ফুটবলার কে কত জিপিএ পেলেন এইচএসসিতে ?

আপডেট : ১১:৩৩:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
৯৬

মারুফ সরকার: ২০২২ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। আজ বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে কম্পিউটারের বোতাম চেপে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেন। এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন সাফজয়ী বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের ৪ ফুটবলার।

এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্যে আছেন রেহানা আক্তার, ঋতুপর্ণা চাকমা, আঁখি খাতুন ও শামসুন্নাহার। রেহানা পেয়েছেন জিপিএ ৪.৫৮, ঋতুপর্ণা ও আঁখি জিপিএ ৪.৫০ ও শামসুন্নাহার পেয়েছেন জিপিএ ২.৫৮। তাদের ফলাফলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের প্রধান কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন।

চার নারী ফুটবলারের মধ্যে শামসুন্নাহার ছাড়া বাকিরা পরীক্ষা দিয়েছিলেন বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) থেকে। বছরজুড়েই খেলা নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয় নারী ফুটবলারদের। তবে ব্যস্ততার মাঝেও পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই খেলাধুলার পাশাপাশি নারী ফুটবলারদের শিক্ষার দিকেও জোর দিচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

গত বছর নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। ২০০৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ জাতীয় পুরুষ ফুটবল দল। ১৯ বছর পর সেই সাফল্যের মালা গাঁথেন বাংলার লড়াকু মেয়েরা। সাবিনা-মারিয়াদের মাথায় ওঠে এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট।