সীমান্তে ১১ কেজির বেশি সোনা উদ্ধার, বাংলাদেশি নাগরিক আটক
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"remove":1,"effects":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

অনলাইন ডেস্ক:
চুয়াডাঙ্গা সীমান্তসংলগ্ন ভারতের নদীয়া জেলার হালদারপাড়া সীমান্ত এলাকায় বিপুল পরিমাণ সোনার বারসহ এক বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এ সময় তার কাছ থেকে ২৪ ক্যারেটের ৮৯টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়।
বিএসএফ সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া সোনার মোট ওজন ১১ কেজি ২৮১ দশমিক ৭৭০ গ্রাম। বিএসএফের হিসাব অনুযায়ী, জব্দ করা সোনার আনুমানিক মূল্য ১৭ কোটি ৪০ লাখ ২১ হাজার ৩০২ ভারতীয় রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা।
সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত নজরদারি ও তল্লাশির অংশ হিসেবে বিএসএফ সদস্যরা ওই ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে আটক করেন। পরে তার কাছে থাকা সামগ্রী তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ সোনার বার উদ্ধার করা হয় বলে জানা গেছে।
সূত্রের দাবি, আটক বাংলাদেশি নাগরিকের নাম খবির। তিনি চুয়াডাঙ্গার দর্শনা কামারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিপুল পরিমাণ সোনা কীভাবে সীমান্ত এলাকায় পৌঁছাল এবং এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
উদ্ধার করা সোনার বার ও আটক ব্যক্তিকে নিয়ে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করেছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তদন্তের পর পাচারচক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যদের বিষয়ে তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

















