চুয়াডাঙ্গা ০৩:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাইভোল্টেজ ম্যাচ হয়ে গেল একপেশে

Padma Sangbad
৮৮

ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচ মানেই ভিন্ন উত্তেজনা। এ দু’টি দেশের ম্যাচ বলতে গেলেই হাইভোল্টেজ।
শনিবার বিশ্বমঞ্চে মুখোমুখিতে ভারত একপেশে ম্যাচে পরিণত করে সহজেই পাকিস্তানকে সাত উইকেটে হারিয়েছে।
আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ১৯১ রানের সংগ্রহ গড়ে পাকিস্তান। রোহিত শর্মার আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ১১৭ বল হাতে রেখেই লক্ষ্য পেরিয়ে যায় ভারত। জবাব দিতে নেমে কোনো চাপ ছাড়াই ব্যাটিং করে স্বাগতিকরা। পাকিস্তানের কোন বোলারই এ ম্যাচে প্রভাব ফেলতে পারেনি। শাহিন আফ্রিদির বলে আউট হওয়ার আগে ৬৩ বলে ছয় টি করে চার ও ছক্কায় ৮৬ রান করেন ভারতীয় অধিনায়ক। তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে ওয়ানডেতে ৩০০ ছক্কার মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।
রোহিতকে ভালো সঙ্গে দেন শ্রেয়াস আইয়ার। দু’জনে মিলে ৭৭ রানের জুটি গড়েন তৃতীয় উইকেটে। রোহিত থেমে গেলেও আইয়ার অপরাজিত থাকেন ৫৩ রানে। এছাড়া শুভমান গিল ও বিরাট কোহলি দু’জনেই ভালো শুরু পেয়েও আউট হন ১৯ রানে। আট রানে অপরাজিত ছিলেন লোকেশ রাহুল।
এর আগে পাকিস্তানের ব্যাটিং ইনিংসে পাওয়ার প্লেতে শুরুটা ভালোর দিকেই যাচ্ছিল দুই ওপেনার আব্দুল্লাহ শফিক ও ইমাম-উল-হকের। কিন্তু অষ্টম ওভারে ৪১ রানের এই উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন সিরাজ। ডানহাতি এই পেসার এলবিডাবলুর ফাঁদে ফেলেন ২০ রান করা শফিককে।
আরেক ওপেনার ইমামও থিতু হয়ে বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ৩৬ রান করে হার্দিক পান্ডিয়ার বলে ক্যাচ দেন উইকেটরক্ষক লোকেশ রাহুলের হাতে। ধুঁকতে থাকা পাকিস্তানের হাল ধরেন বাবর-রিজওয়ান। ধীরে ধীরে জুটি গড়ে তোলেন তারা। বিশেষ করে স্পিনারদের কোনো সুযোগই দিচ্ছিলেন না।
অফ ফর্মে থাকা বাবর পাঁচ ইনিংস পর দেখা পান ফিফটি। কিন্তু সেটা আর টেনে নিতে পারেননি। সিরাজের নিচু হয়ে আসা বলে বোল্ড হয়ে ৫৮ বলে ৫০ রানেই থামতে হয় তাকে। তাই জুটি থেমে যায় ৮৬ রানে। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরি করা রিজওয়ান অবশ্য ফিফটি পাননি। ব্যক্তিগত ৪৯ রানেই তাকে সাজঘরের পথ দেখান বুমরাহ। এর আগে সাউদ শাকিল ছয় ও ইফতিখার আহমেদকে চার রানে আউট করে জোড়া আঘাত হানেন কুলদীপ।
ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি পাকিস্তান। অথচ দুই উইকেটে ১৫৫ রান তুলেছিল তারা। সেখান থেকে মাত্র ৩৬ রানেই হারিয়ে ফেলে বাকি আট উইকেট। ভারতের হয়ে দু’টি করে উইকেট পান বুমরাহ, সিরাজ, পান্ডিয়া, কুলদীপ ও রবীন্দ্র জাদেজা।

আপডেট : ১১:০৪:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৩

হাইভোল্টেজ ম্যাচ হয়ে গেল একপেশে

আপডেট : ১১:০৪:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৩
৮৮

ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচ মানেই ভিন্ন উত্তেজনা। এ দু’টি দেশের ম্যাচ বলতে গেলেই হাইভোল্টেজ।
শনিবার বিশ্বমঞ্চে মুখোমুখিতে ভারত একপেশে ম্যাচে পরিণত করে সহজেই পাকিস্তানকে সাত উইকেটে হারিয়েছে।
আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ১৯১ রানের সংগ্রহ গড়ে পাকিস্তান। রোহিত শর্মার আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ১১৭ বল হাতে রেখেই লক্ষ্য পেরিয়ে যায় ভারত। জবাব দিতে নেমে কোনো চাপ ছাড়াই ব্যাটিং করে স্বাগতিকরা। পাকিস্তানের কোন বোলারই এ ম্যাচে প্রভাব ফেলতে পারেনি। শাহিন আফ্রিদির বলে আউট হওয়ার আগে ৬৩ বলে ছয় টি করে চার ও ছক্কায় ৮৬ রান করেন ভারতীয় অধিনায়ক। তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে ওয়ানডেতে ৩০০ ছক্কার মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।
রোহিতকে ভালো সঙ্গে দেন শ্রেয়াস আইয়ার। দু’জনে মিলে ৭৭ রানের জুটি গড়েন তৃতীয় উইকেটে। রোহিত থেমে গেলেও আইয়ার অপরাজিত থাকেন ৫৩ রানে। এছাড়া শুভমান গিল ও বিরাট কোহলি দু’জনেই ভালো শুরু পেয়েও আউট হন ১৯ রানে। আট রানে অপরাজিত ছিলেন লোকেশ রাহুল।
এর আগে পাকিস্তানের ব্যাটিং ইনিংসে পাওয়ার প্লেতে শুরুটা ভালোর দিকেই যাচ্ছিল দুই ওপেনার আব্দুল্লাহ শফিক ও ইমাম-উল-হকের। কিন্তু অষ্টম ওভারে ৪১ রানের এই উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন সিরাজ। ডানহাতি এই পেসার এলবিডাবলুর ফাঁদে ফেলেন ২০ রান করা শফিককে।
আরেক ওপেনার ইমামও থিতু হয়ে বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ৩৬ রান করে হার্দিক পান্ডিয়ার বলে ক্যাচ দেন উইকেটরক্ষক লোকেশ রাহুলের হাতে। ধুঁকতে থাকা পাকিস্তানের হাল ধরেন বাবর-রিজওয়ান। ধীরে ধীরে জুটি গড়ে তোলেন তারা। বিশেষ করে স্পিনারদের কোনো সুযোগই দিচ্ছিলেন না।
অফ ফর্মে থাকা বাবর পাঁচ ইনিংস পর দেখা পান ফিফটি। কিন্তু সেটা আর টেনে নিতে পারেননি। সিরাজের নিচু হয়ে আসা বলে বোল্ড হয়ে ৫৮ বলে ৫০ রানেই থামতে হয় তাকে। তাই জুটি থেমে যায় ৮৬ রানে। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরি করা রিজওয়ান অবশ্য ফিফটি পাননি। ব্যক্তিগত ৪৯ রানেই তাকে সাজঘরের পথ দেখান বুমরাহ। এর আগে সাউদ শাকিল ছয় ও ইফতিখার আহমেদকে চার রানে আউট করে জোড়া আঘাত হানেন কুলদীপ।
ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি পাকিস্তান। অথচ দুই উইকেটে ১৫৫ রান তুলেছিল তারা। সেখান থেকে মাত্র ৩৬ রানেই হারিয়ে ফেলে বাকি আট উইকেট। ভারতের হয়ে দু’টি করে উইকেট পান বুমরাহ, সিরাজ, পান্ডিয়া, কুলদীপ ও রবীন্দ্র জাদেজা।