চুয়াডাঙ্গা ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বের ২০২ দেশে রপ্তানি হয় বাংলাদেশের পণ্য

Padma Sangbad
১২

অনলাইন ডেস্ক।।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিশ্বের ২০২টি দেশে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি হয়েছে।

আজ সোমবার জাতীয় সংসদে জামালপুর-৩ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৪ শতাংশই আসে তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাত থেকে। এই একক নির্ভরতা কমিয়ে আনতে সরকার চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, কৃষিপণ্য, ওষুধশিল্প, আইসিটি ও সফটওয়্যার সেবা, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, হিমায়িত খাদ্য ও মাছ এবং প্লাস্টিক পণ্যের মতো সম্ভাবনাময় খাতগুলোকে একই ধরনের নীতিগত সুবিধা প্রদান করছে।

মন্ত্রী বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্দেশনা অনুযায়ী এসব খাতের আংশিক রপ্তানিকারকদের ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে বন্ড সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আঞ্চলিক পর্যায়ে রপ্তানি বৃদ্ধি ও পণ্যের বৈচিত্র্যকরণে জাপানের ‘ওয়ান ভিলেজ ওয়ান প্রোডাক্ট’ মডেলের আদলে দেশে ‘ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট ওয়ান প্রোডাক্ট (ওডিওপি)’ কর্মসূচি চলছে। এর আওতায় ইতিমধ্যেই দেশের ৬৪ জেলার জন্য ১৪টি পণ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, এলডিসি উত্তরণের ফলে অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা হারানোর একটি ঝুঁকি রয়েছে, যা প্রায় ১৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি বাণিজ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তি (ইপিএ) সই করেছে। পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সিইপিএ চুক্তির আলোচনা চলছে।

মন্ত্রী বলেন, রপ্তানি প্রবৃদ্ধি টেকসই করতে এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে দেশের অবস্থান সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে ‘রপ্তানি নীতি ২০২৪-২০২৭’ প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রথাগত বাজার হিসেবে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাইরে নতুন বাজার ধরার লক্ষ্যে ব্রাজিল, মধ্যপ্রাচ্য, জাপান, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, সিআইএসভুক্ত দেশ এবং আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে আয়োজিত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলাগুলোতে বাংলাদেশ সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে। একই সঙ্গে লাতিন আমেরিকা, আফ্রিকা ও সিআইএস অঞ্চলে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের যৌথ বাণিজ্য প্রতিনিধিদল পাঠানো হচ্ছে।

আপডেট : ০১:১৬:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

বিশ্বের ২০২ দেশে রপ্তানি হয় বাংলাদেশের পণ্য

আপডেট : ০১:১৬:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
১২

অনলাইন ডেস্ক।।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিশ্বের ২০২টি দেশে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি হয়েছে।

আজ সোমবার জাতীয় সংসদে জামালপুর-৩ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৪ শতাংশই আসে তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাত থেকে। এই একক নির্ভরতা কমিয়ে আনতে সরকার চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, কৃষিপণ্য, ওষুধশিল্প, আইসিটি ও সফটওয়্যার সেবা, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, হিমায়িত খাদ্য ও মাছ এবং প্লাস্টিক পণ্যের মতো সম্ভাবনাময় খাতগুলোকে একই ধরনের নীতিগত সুবিধা প্রদান করছে।

মন্ত্রী বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্দেশনা অনুযায়ী এসব খাতের আংশিক রপ্তানিকারকদের ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে বন্ড সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আঞ্চলিক পর্যায়ে রপ্তানি বৃদ্ধি ও পণ্যের বৈচিত্র্যকরণে জাপানের ‘ওয়ান ভিলেজ ওয়ান প্রোডাক্ট’ মডেলের আদলে দেশে ‘ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট ওয়ান প্রোডাক্ট (ওডিওপি)’ কর্মসূচি চলছে। এর আওতায় ইতিমধ্যেই দেশের ৬৪ জেলার জন্য ১৪টি পণ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, এলডিসি উত্তরণের ফলে অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা হারানোর একটি ঝুঁকি রয়েছে, যা প্রায় ১৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি বাণিজ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তি (ইপিএ) সই করেছে। পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সিইপিএ চুক্তির আলোচনা চলছে।

মন্ত্রী বলেন, রপ্তানি প্রবৃদ্ধি টেকসই করতে এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে দেশের অবস্থান সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে ‘রপ্তানি নীতি ২০২৪-২০২৭’ প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রথাগত বাজার হিসেবে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাইরে নতুন বাজার ধরার লক্ষ্যে ব্রাজিল, মধ্যপ্রাচ্য, জাপান, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, সিআইএসভুক্ত দেশ এবং আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে আয়োজিত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলাগুলোতে বাংলাদেশ সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে। একই সঙ্গে লাতিন আমেরিকা, আফ্রিকা ও সিআইএস অঞ্চলে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের যৌথ বাণিজ্য প্রতিনিধিদল পাঠানো হচ্ছে।