চুয়াডাঙ্গা ১১:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় মানবিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির

Padma Sangbad
১৩

অনলাইন ডেস্ক।।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক, বৈষম্যহীন ও সুখী-সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম। আগামীকাল বুধবার জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।

বাণীতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আজ মহান জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ও গৌরবময় বিজয়ের দিন। ২০২৪ সালের এই দিনে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার সম্মিলিত প্রতিরোধের মুখে দীর্ঘদিনের বৈষম্যমূলক ও ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। প্রবল গণরোষে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয় ফ্যাসিস্ট সরকার। জাতি অর্জন করে এক ঐতিহাসিক বিজয়। এই গৌরবোজ্জ্বল অর্জনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আমি বীর জুলাই যোদ্ধাসহ দেশপ্রেমিক সকল নাগরিককে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।’

তিনি বলেন, ‘আমি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি- আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিম, ইয়ামিন, ফারহান, নাফিজ, তাইম, নাঈমা, শিশু রিয়া গোপ ও আহাদসহ গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী হাজারো বীর শহিদকে। একই সঙ্গে আন্দোলনে আহত এবং হাত-পা-চোখ হারিয়ে পঙ্গুত্ববরণকারী জুলাই যোদ্ধাদের প্রতিও জানাই গভীর সম্মান ও আন্তরিক সহমর্মিতা। তাদের এই বিরল আত্মত্যাগ, অসীম সাহস ও অসামান্য অবদান জাতি চিরকাল স্মরণ করবে এবং তা অনন্তকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।’

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘ দেড় দশকের দুঃশাসন, বৈষম্য, সীমাহীন দুর্নীতি, শোষণ, গুম-খুন, দলীয়করণ; গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা হরণ এবং জেল-জুলুমের বিরুদ্ধে জনগণের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের অপ্রতিরোধ্য বহিঃপ্রকাশ। দেশনেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা ও কারাগারের দুঃসহ জীবন, বিভিন্ন দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে অসংখ্য গায়েবি মামলা-হামলা, দলীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে সমাজে বিভাজন, মিথ্যাচার, নির্বিচার দমন-পীড়নের ফলে মানুষের মনে তুষের আগুনের মতো জ্বলছিল তীব্র ক্ষোভ। এরই সঙ্গে প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ব্যবস্থা, ব্যাংক-বিমাসহ সকল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে করা হয়েছিল দুর্বল, অচল ও জনবিচ্ছিন্ন। রাষ্ট্রকে পরিণত করা হয়েছিল ভঙ্গুর, তাবেদার আর মাফিয়া নিয়ন্ত্রিত। এসব অনাচারের ফলে জনমনে সঞ্চিত হয়েছিল ক্ষোভ ও তীব্র অসন্তোষ। ফলে কোটা সংস্কারের আন্দোলন দিয়ে শুরু হলেও নিরস্ত্র শিক্ষার্থী-জনতার ওপর নৃশংস ও বর্বরোচিত হত্যাকান্ডে এই ঘনীভূত ক্ষোভ ও জনরোষ দ্রুত রূপ নেয় সর্বব্যাপী গণঅভ্যুত্থানে।’

তিনি বলেন, ‘এই গণঅভ্যুত্থানে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী-শিক্ষক, তরুণ-যুবসমাজ, রাজনৈতিক কর্মী; শ্রমজীবী, কর্মজীবী, পেশাজীবী মানুষ, অভিভাবক, ভ্রাতা-ভগ্নি, কন্যা-জায়া-জননী-সর্বস্তরের মানুষ অসীম সাহস ও ত্যাগের প্রতিজ্ঞা নিয়ে স্বতঃস্ফূর্ত ও সমবেত শক্তিতে রাজপথে নেমে আসেন। এঁরা সবাই জুলাই যোদ্ধা। মানবজাতির ইতিহাসে এমন গণজাগরণ বিরল। জাতি জনমানুষের এই ভূমিকা ও অবদান চিরকাল স্মরণে রাখবে, গর্ববোধ করবে, হবে উজ্জীবিত।’

তিনি বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, জনগণই সকল রাষ্ট্রক্ষমতার উৎস-গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে এই চিরন্তন সত্য আবারও সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই শহিদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় আমাদের এমন একটি মানবিক ও গণমানুষের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে যেখানে আর কখনো ফ্যাসিবাদ, স্বৈরাচার এবং উগ্রপন্থার ঠাঁই হবে না। বৈষম্য, দুর্নীতি, দুঃশাসন ও অন্যায়ের অবসান ঘটবে। যেখানে ভোটাধিকার, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, ন্যায়বিচার ও মৌলিক অধিকার সমুন্নত থাকবে। রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে সুশাসন, জনস্বার্থ, জবাবদিহি ও প্রয়োজনীয় সংস্কার নিশ্চিত হবে। আমার বিশ্বাস, রাষ্ট্র শহিদ ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদান, তাদের পরিবারের কল্যাণ, আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘঠিত সকল হত্যাকান্ড ও মানবতাবিরোধী অপরাধের নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করবে।’

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আসুন, মহান জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক, বৈষম্যহীন ও সুখী-সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলি। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ও গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহিদদের স্বপ্ন, আদর্শ ও আশা-আকাঙ্খা বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করি। মহান আল্লাহ তা’আলা আমাদের প্রিয় বাংলাদেশকে শান্তি, সাম্য, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে আরো দৃঢ়তার সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার তাওফিক দান করুন। আমি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহিদদের রুহের মাগফিরাত ও চিরশান্তির জন্য প্রার্থনা করি।’

আপডেট : ০৮:১৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় মানবিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির

আপডেট : ০৮:১৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
১৩

অনলাইন ডেস্ক।।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক, বৈষম্যহীন ও সুখী-সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম। আগামীকাল বুধবার জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।

বাণীতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আজ মহান জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ও গৌরবময় বিজয়ের দিন। ২০২৪ সালের এই দিনে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার সম্মিলিত প্রতিরোধের মুখে দীর্ঘদিনের বৈষম্যমূলক ও ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। প্রবল গণরোষে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয় ফ্যাসিস্ট সরকার। জাতি অর্জন করে এক ঐতিহাসিক বিজয়। এই গৌরবোজ্জ্বল অর্জনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আমি বীর জুলাই যোদ্ধাসহ দেশপ্রেমিক সকল নাগরিককে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।’

তিনি বলেন, ‘আমি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি- আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিম, ইয়ামিন, ফারহান, নাফিজ, তাইম, নাঈমা, শিশু রিয়া গোপ ও আহাদসহ গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী হাজারো বীর শহিদকে। একই সঙ্গে আন্দোলনে আহত এবং হাত-পা-চোখ হারিয়ে পঙ্গুত্ববরণকারী জুলাই যোদ্ধাদের প্রতিও জানাই গভীর সম্মান ও আন্তরিক সহমর্মিতা। তাদের এই বিরল আত্মত্যাগ, অসীম সাহস ও অসামান্য অবদান জাতি চিরকাল স্মরণ করবে এবং তা অনন্তকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।’

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘ দেড় দশকের দুঃশাসন, বৈষম্য, সীমাহীন দুর্নীতি, শোষণ, গুম-খুন, দলীয়করণ; গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা হরণ এবং জেল-জুলুমের বিরুদ্ধে জনগণের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের অপ্রতিরোধ্য বহিঃপ্রকাশ। দেশনেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা ও কারাগারের দুঃসহ জীবন, বিভিন্ন দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে অসংখ্য গায়েবি মামলা-হামলা, দলীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে সমাজে বিভাজন, মিথ্যাচার, নির্বিচার দমন-পীড়নের ফলে মানুষের মনে তুষের আগুনের মতো জ্বলছিল তীব্র ক্ষোভ। এরই সঙ্গে প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ব্যবস্থা, ব্যাংক-বিমাসহ সকল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে করা হয়েছিল দুর্বল, অচল ও জনবিচ্ছিন্ন। রাষ্ট্রকে পরিণত করা হয়েছিল ভঙ্গুর, তাবেদার আর মাফিয়া নিয়ন্ত্রিত। এসব অনাচারের ফলে জনমনে সঞ্চিত হয়েছিল ক্ষোভ ও তীব্র অসন্তোষ। ফলে কোটা সংস্কারের আন্দোলন দিয়ে শুরু হলেও নিরস্ত্র শিক্ষার্থী-জনতার ওপর নৃশংস ও বর্বরোচিত হত্যাকান্ডে এই ঘনীভূত ক্ষোভ ও জনরোষ দ্রুত রূপ নেয় সর্বব্যাপী গণঅভ্যুত্থানে।’

তিনি বলেন, ‘এই গণঅভ্যুত্থানে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী-শিক্ষক, তরুণ-যুবসমাজ, রাজনৈতিক কর্মী; শ্রমজীবী, কর্মজীবী, পেশাজীবী মানুষ, অভিভাবক, ভ্রাতা-ভগ্নি, কন্যা-জায়া-জননী-সর্বস্তরের মানুষ অসীম সাহস ও ত্যাগের প্রতিজ্ঞা নিয়ে স্বতঃস্ফূর্ত ও সমবেত শক্তিতে রাজপথে নেমে আসেন। এঁরা সবাই জুলাই যোদ্ধা। মানবজাতির ইতিহাসে এমন গণজাগরণ বিরল। জাতি জনমানুষের এই ভূমিকা ও অবদান চিরকাল স্মরণে রাখবে, গর্ববোধ করবে, হবে উজ্জীবিত।’

তিনি বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, জনগণই সকল রাষ্ট্রক্ষমতার উৎস-গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে এই চিরন্তন সত্য আবারও সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই শহিদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় আমাদের এমন একটি মানবিক ও গণমানুষের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে যেখানে আর কখনো ফ্যাসিবাদ, স্বৈরাচার এবং উগ্রপন্থার ঠাঁই হবে না। বৈষম্য, দুর্নীতি, দুঃশাসন ও অন্যায়ের অবসান ঘটবে। যেখানে ভোটাধিকার, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, ন্যায়বিচার ও মৌলিক অধিকার সমুন্নত থাকবে। রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে সুশাসন, জনস্বার্থ, জবাবদিহি ও প্রয়োজনীয় সংস্কার নিশ্চিত হবে। আমার বিশ্বাস, রাষ্ট্র শহিদ ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদান, তাদের পরিবারের কল্যাণ, আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘঠিত সকল হত্যাকান্ড ও মানবতাবিরোধী অপরাধের নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করবে।’

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আসুন, মহান জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক, বৈষম্যহীন ও সুখী-সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলি। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ও গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহিদদের স্বপ্ন, আদর্শ ও আশা-আকাঙ্খা বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করি। মহান আল্লাহ তা’আলা আমাদের প্রিয় বাংলাদেশকে শান্তি, সাম্য, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে আরো দৃঢ়তার সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার তাওফিক দান করুন। আমি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহিদদের রুহের মাগফিরাত ও চিরশান্তির জন্য প্রার্থনা করি।’