চুয়াডাঙ্গা ১২:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমার দলের হলে চারটা থাপ্পড় মারতাম : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

Padma Sangbad
১৬৪

অনলাইন ডেস্ক।
পশ্চিমবঙ্গে ইটভাটা থেকে পাওয়া রাজস্বের নাকি হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না। সরকারি কর্মচারীদের ‘পকেটে’ চলে যাচ্ছে একাংশ। সোমবার পুরুলিয়ার প্রশাসনিক বৈঠকে এমন অভিযোগ উঠতেই রাগে অগ্নিশর্মা হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। সরাসরি পুরুলিয়ার জেলাশাসকের উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বললেন, ওই জেলাশাসকের প্রতি তার ধারণাই বদলে গেল।

এর আগে শুক্রবার পুরুলিয়া জেলার প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তৃণমূলের এক নেতা অভিযোগ করেন, স্থানীয় ইটভাটা থেকে যে সরকারি অর্থ আদায় হয়, তার হিসাব পাওয়া যায় না। সেগুলো নাকি কয়েকজন পকেটে পোরেন। অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন করেন জেলা শাসককে।

উদ্বেগের গলায় মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়,ডিএম শুনতে পাচ্ছো? এগুলো কিন্তু তৃণমূল করেনি।

করছে প্রশাসনের নিচের তলার কর্মীরা। এর পরই তার সংযোজন নিজেরা টাকাটা নেয়, নিজেরাই খেয়ে নেয়! কী জেলা চালাচ্ছ তুমি (জেলাশাসক)? এতদিন জেলায় আছো। আমার ধারণাই বদলে গেল।
এখানেই না থেমে মমতা আরও বলেন এতকিছু দিচ্ছি মানুষকে, তবু কয়েকজন এত লোভী কেন হয়ে গেছে।

আর কত চাই? আমার পার্টির লোক হলে আমি টেনে চারটা থাপ্পড় মারতাম। তাদের আমি সবসময় শাসন করি। ’’
জেলাশাসককে মমতা এ-ও বলেন আমি কথা বলছি (প্রশাসনিক বৈঠকে) তোমার পুলিশ চলে যাবে, তদন্ত করবে। একে বলে প্রশাসন একে বলে কাজ। গরিব মানুষ যখন একটা কমপ্লেইন করে, আমি নিতে পারি না।

সে যে-ই হোক।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

আপডেট : ১১:৩৩:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মে ২০২২

আমার দলের হলে চারটা থাপ্পড় মারতাম : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আপডেট : ১১:৩৩:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মে ২০২২
১৬৪

অনলাইন ডেস্ক।
পশ্চিমবঙ্গে ইটভাটা থেকে পাওয়া রাজস্বের নাকি হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না। সরকারি কর্মচারীদের ‘পকেটে’ চলে যাচ্ছে একাংশ। সোমবার পুরুলিয়ার প্রশাসনিক বৈঠকে এমন অভিযোগ উঠতেই রাগে অগ্নিশর্মা হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। সরাসরি পুরুলিয়ার জেলাশাসকের উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বললেন, ওই জেলাশাসকের প্রতি তার ধারণাই বদলে গেল।

এর আগে শুক্রবার পুরুলিয়া জেলার প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তৃণমূলের এক নেতা অভিযোগ করেন, স্থানীয় ইটভাটা থেকে যে সরকারি অর্থ আদায় হয়, তার হিসাব পাওয়া যায় না। সেগুলো নাকি কয়েকজন পকেটে পোরেন। অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন করেন জেলা শাসককে।

উদ্বেগের গলায় মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়,ডিএম শুনতে পাচ্ছো? এগুলো কিন্তু তৃণমূল করেনি।

করছে প্রশাসনের নিচের তলার কর্মীরা। এর পরই তার সংযোজন নিজেরা টাকাটা নেয়, নিজেরাই খেয়ে নেয়! কী জেলা চালাচ্ছ তুমি (জেলাশাসক)? এতদিন জেলায় আছো। আমার ধারণাই বদলে গেল।
এখানেই না থেমে মমতা আরও বলেন এতকিছু দিচ্ছি মানুষকে, তবু কয়েকজন এত লোভী কেন হয়ে গেছে।

আর কত চাই? আমার পার্টির লোক হলে আমি টেনে চারটা থাপ্পড় মারতাম। তাদের আমি সবসময় শাসন করি। ’’
জেলাশাসককে মমতা এ-ও বলেন আমি কথা বলছি (প্রশাসনিক বৈঠকে) তোমার পুলিশ চলে যাবে, তদন্ত করবে। একে বলে প্রশাসন একে বলে কাজ। গরিব মানুষ যখন একটা কমপ্লেইন করে, আমি নিতে পারি না।

সে যে-ই হোক।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা