চুয়াডাঙ্গা ০৭:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বৃষ্টিতে ডুবেছে চট্টগ্রাম, দুর্ভোগে নগরবাসী

Padma Sangbad
৯২

চারদিনের বৃষ্টিতে ডুবেছে চট্টগ্রাম। রাস্তাঘাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে নগরবাসী। হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজ শেষ না হওয়ায় এমন দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে বলছেন এলাকার মানুষজন।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের গাড়ি চালক কাবিল হোসেন বলছেন, চারদিন ধরে পরিবার নিয়ে পানিতে অবরুদ্ধ হয়ে আছেন তিনি। টান পড়েছে তার জীবিকায়।

সোমবার সকাল নয়টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ২৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। রাস্তাঘাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছে সাধারণ মানুষ। পানি ঢুকে নষ্ট হচ্ছে গাড়ির যন্ত্রাংশ। আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে গেছে অনেকের।

জলাবদ্ধতায় প্রভাব পড়েছে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। দোকানপাটে পানি ঢোকায় নষ্ট হয়ে গেছে মালামাল।

নগরবাসীর অভিযোগ, জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে প্রকল্পের কাজ শেষ হচ্ছে না। এতে প্রতি বর্ষায় দুর্ভোগে পড়ছেন তারা।

সিটি কর্পোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা এম. এ. হাশেম জানান, নগরীর পানি নিষ্কাশনের প্রধান দুটি খালের মুখ মাটি ভরাট থাকায় জমে থাকা পানি নামছে না। তিনি বলছেন খালগুলোতে পানির গতিপথ পরিস্কার হলে এই অবস্থার নিরসন হবে। এই লক্ষ্যে কাজ করছে সিটি কর্পোরেশন।


১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে চারটি প্রকল্পের কাজ ২০১৮ সালে শুরু হয়। এসব প্রকল্প ২০২০ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও হয়নি। বাস্তবায়নকারী সংস্থা সিডিএ, পাউবো ও চসিক বলছে এই প্রকল্পগুলো শেষ হতে সময় লাগবে ২০২৫ সাল পর্যন্ত।

আপডেট : ০৬:৪৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অগাস্ট ২০২৩

বৃষ্টিতে ডুবেছে চট্টগ্রাম, দুর্ভোগে নগরবাসী

আপডেট : ০৬:৪৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অগাস্ট ২০২৩
৯২

চারদিনের বৃষ্টিতে ডুবেছে চট্টগ্রাম। রাস্তাঘাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে নগরবাসী। হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজ শেষ না হওয়ায় এমন দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে বলছেন এলাকার মানুষজন।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের গাড়ি চালক কাবিল হোসেন বলছেন, চারদিন ধরে পরিবার নিয়ে পানিতে অবরুদ্ধ হয়ে আছেন তিনি। টান পড়েছে তার জীবিকায়।

সোমবার সকাল নয়টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ২৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। রাস্তাঘাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছে সাধারণ মানুষ। পানি ঢুকে নষ্ট হচ্ছে গাড়ির যন্ত্রাংশ। আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে গেছে অনেকের।

জলাবদ্ধতায় প্রভাব পড়েছে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। দোকানপাটে পানি ঢোকায় নষ্ট হয়ে গেছে মালামাল।

নগরবাসীর অভিযোগ, জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে প্রকল্পের কাজ শেষ হচ্ছে না। এতে প্রতি বর্ষায় দুর্ভোগে পড়ছেন তারা।

সিটি কর্পোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা এম. এ. হাশেম জানান, নগরীর পানি নিষ্কাশনের প্রধান দুটি খালের মুখ মাটি ভরাট থাকায় জমে থাকা পানি নামছে না। তিনি বলছেন খালগুলোতে পানির গতিপথ পরিস্কার হলে এই অবস্থার নিরসন হবে। এই লক্ষ্যে কাজ করছে সিটি কর্পোরেশন।


১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে চারটি প্রকল্পের কাজ ২০১৮ সালে শুরু হয়। এসব প্রকল্প ২০২০ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও হয়নি। বাস্তবায়নকারী সংস্থা সিডিএ, পাউবো ও চসিক বলছে এই প্রকল্পগুলো শেষ হতে সময় লাগবে ২০২৫ সাল পর্যন্ত।