চুয়াডাঙ্গা ০১:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গা কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদ অফিসের ১৯ মাসের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া!

Padma Sangbad
১০০

বিপুল আশরাফ ।। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদ অফিসের ১৯ মাসের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে। বকেয়া টাকা আদায়ে ওজোপাডিকোর কর্মকর্তারা একাধিকবার নোটিশ দিলেও ইউপি চেয়ারম্যান কোন কর্নপাত করছেনা। ইউনিয়ন পরিষদ অফিসের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হলেও বিকল্প পথে সংযোগ নিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে। ওজোপাডিকো সুত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গার সরোজগঞ্জ বাজারে কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের অফিস। পরিষদের চেয়ারম্যােনর দায়িত্ব পালন করছেন মানিক। গত বছর ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারী মাস থেকে ২০২০ সালের আগষ্ট পর্যন্ত ১৯ মাসে বিদ্যুৎ বিল বাকি রয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ৪১ টাকা। টাকা আদায়ে দফায় দফায় নোটিশ দেয়া হলেও তারা বিল পরিশোধে গড়িমসি করছে। এ কারনে ইউনিয়ন পরিষদ অফিসটির বিদ্যুৎ সংযোগ ২/৩ বার বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। কিন্তু তারা প্রতিবারই ওজোপাডিকোকে না জানিয়ে নিজেরাই সংযোগ লাগিয়ে নিয়েছে।
এ ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী মইনউদ্দিন আহমেদ বলেন, করোনার কারনে আমরা কিছুটা শিথিলতা দেখিয়েছি। বর্তমানে প্রিপেইড মিটার বসানোর কাজ চলছে। যাদের বকেয়া রয়েছে তাদেরকে এরই মধ্যে টাকা পরিশোধ করতে হবে। কুতুবপুর ইউপি অফিসে নোটিশ দেয়া হয়েছে। বকেয়া না দিলে আইনগত ব্যবস্হা নেয়া হবে।।

আপডেট : ০১:৩৬:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

চুয়াডাঙ্গা কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদ অফিসের ১৯ মাসের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া!

আপডেট : ০১:৩৬:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০
১০০

বিপুল আশরাফ ।। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদ অফিসের ১৯ মাসের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে। বকেয়া টাকা আদায়ে ওজোপাডিকোর কর্মকর্তারা একাধিকবার নোটিশ দিলেও ইউপি চেয়ারম্যান কোন কর্নপাত করছেনা। ইউনিয়ন পরিষদ অফিসের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হলেও বিকল্প পথে সংযোগ নিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে। ওজোপাডিকো সুত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গার সরোজগঞ্জ বাজারে কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের অফিস। পরিষদের চেয়ারম্যােনর দায়িত্ব পালন করছেন মানিক। গত বছর ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারী মাস থেকে ২০২০ সালের আগষ্ট পর্যন্ত ১৯ মাসে বিদ্যুৎ বিল বাকি রয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ৪১ টাকা। টাকা আদায়ে দফায় দফায় নোটিশ দেয়া হলেও তারা বিল পরিশোধে গড়িমসি করছে। এ কারনে ইউনিয়ন পরিষদ অফিসটির বিদ্যুৎ সংযোগ ২/৩ বার বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। কিন্তু তারা প্রতিবারই ওজোপাডিকোকে না জানিয়ে নিজেরাই সংযোগ লাগিয়ে নিয়েছে।
এ ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী মইনউদ্দিন আহমেদ বলেন, করোনার কারনে আমরা কিছুটা শিথিলতা দেখিয়েছি। বর্তমানে প্রিপেইড মিটার বসানোর কাজ চলছে। যাদের বকেয়া রয়েছে তাদেরকে এরই মধ্যে টাকা পরিশোধ করতে হবে। কুতুবপুর ইউপি অফিসে নোটিশ দেয়া হয়েছে। বকেয়া না দিলে আইনগত ব্যবস্হা নেয়া হবে।।