চুয়াডাঙ্গা ০২:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিজিবির জন্য কেনা হচ্ছে টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড

Padma Sangbad
৭৯

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) জন্য টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড কেনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

সোমবার (২০ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘অনেকে প্রশ্ন করেন সীমান্তে বিজিবি কেন সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল ছোড়েনি এগুলো তো বিজিবির কাছে নেই। তাদের কাছে তো সব লিথ্যাল উইপন (প্রাণঘাতী অস্ত্র)। তারা ওটা ব্যবহার করতে পারেনি। আমরা এখন তাদের অনুমতি দিয়েছি এবং খুব তাড়াতাড়ি তাদের জন্য সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল কেনা হবে।’

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘প্রাণঘাতী অস্ত্র বিজিবির কাছে আছে। কিন্তু যেগুলো নেই যেমন টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড এগুলো কেনার জন্য আমরা অনুমতি দিয়েছি। আপনারা দেখেছেন যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের কাছে এগুলো আছে কিন্তু বিজিবির কাছে নেই।’ এক প্রশ্নের জবাবে সীমান্ত এখন স্থিতিশীল অবস্থায় আছে জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘বড় ধরনের কোনো সমস্যা সেখানে নেই।’

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশে অনেকে অবৈধভাবে বসবাস করছে যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। এই সংখ্যা আগে ছিল ৪৯ হাজার ২২৬ জন। সেটি কমে এখন দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ৬৪৮ জনে। ৩১ জানুয়ারি তাদের এই সময়সীমা শেষ হয়ে যাবে। এরমধ্যে আমাদের ১০ কোটি ৫৩ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে। যারা অবৈধভাবে আছে তাদের বিরুদ্ধে ৩১ জানুয়ারির পর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুধু তাদের বিরুদ্ধে না যারা তাদের কর্মসংস্থানে ব্যবস্থা করে দিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আপডেট : ০৩:৫২:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫

বিজিবির জন্য কেনা হচ্ছে টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড

আপডেট : ০৩:৫২:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫
৭৯

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) জন্য টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড কেনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

সোমবার (২০ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘অনেকে প্রশ্ন করেন সীমান্তে বিজিবি কেন সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল ছোড়েনি এগুলো তো বিজিবির কাছে নেই। তাদের কাছে তো সব লিথ্যাল উইপন (প্রাণঘাতী অস্ত্র)। তারা ওটা ব্যবহার করতে পারেনি। আমরা এখন তাদের অনুমতি দিয়েছি এবং খুব তাড়াতাড়ি তাদের জন্য সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল কেনা হবে।’

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘প্রাণঘাতী অস্ত্র বিজিবির কাছে আছে। কিন্তু যেগুলো নেই যেমন টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড এগুলো কেনার জন্য আমরা অনুমতি দিয়েছি। আপনারা দেখেছেন যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের কাছে এগুলো আছে কিন্তু বিজিবির কাছে নেই।’ এক প্রশ্নের জবাবে সীমান্ত এখন স্থিতিশীল অবস্থায় আছে জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘বড় ধরনের কোনো সমস্যা সেখানে নেই।’

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশে অনেকে অবৈধভাবে বসবাস করছে যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। এই সংখ্যা আগে ছিল ৪৯ হাজার ২২৬ জন। সেটি কমে এখন দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ৬৪৮ জনে। ৩১ জানুয়ারি তাদের এই সময়সীমা শেষ হয়ে যাবে। এরমধ্যে আমাদের ১০ কোটি ৫৩ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে। যারা অবৈধভাবে আছে তাদের বিরুদ্ধে ৩১ জানুয়ারির পর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুধু তাদের বিরুদ্ধে না যারা তাদের কর্মসংস্থানে ব্যবস্থা করে দিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’