চুয়াডাঙ্গা ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দর্শনায় ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা কেন সময়ের দাবি জনগণের আর্তনাদ যেন না হারিয়ে যায় শূন্যে!

Padma Sangbad

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["default"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"addons":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

৭৯

মোঃ আব্দুর রহমান অনিক:
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্ত শহর দর্শনা যেখানে প্রতিদিন সূর্য ওঠে হাজারো মানুষের নতুন আশায়, কিন্তু স্বাস্থ্যসেবার সীমাহীন সংকটে প্রতিদিনই ফিকে হয়ে যায় সেই প্রত্যাশা। দর্শনা থানার প্রায় এক লাখ মানুষ আজও নির্ভর করে আশেপাশের উপজেলা হাসপাতাল কিংবা জেলা সদরের চিকিৎসা ব্যবস্থার উপর। অথচ, একটি ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালই হতে পারে এই জনপদের চিকিৎসা সংকটের প্রথম সমাধান।

দর্শনার বহু প্রান্তিক মানুষ সামান্য জ্বর, ডায়রিয়া কিংবা প্রেগনেন্সি-সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে দৌড়ান ২২ কিলোমিটার দূরের চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে। সময়ের মূল্য সেখানে জীবন-মৃত্যুর প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়।

জরুরি মুহূর্তে অ্যাম্বুলেন্সের অপ্রতুলতা, স্থানীয় চিকিৎসা সুবিধার অভাব এবং ন্যূনতম প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যবস্থার অনুপস্থিতি দর্শনাবাসীর জন্য একটি বেদনার নাম। অনেক সময় রোগীকে বহন করে রিকশা বা ইজিবাইকে করে পৌঁছাতে হয় চিকিৎসাকেন্দ্রে যেখানে পৌঁছনোর আগেই জীবন থেমে যায়।

এই প্রেক্ষাপটে, দর্শনায় একটি আধুনিক ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা কেবল প্রয়োজন নয়, বরং মানবিক দায়িত্ব। এটি কেবল একটি বিল্ডিং বা অবকাঠামো নয়, এটি হতে পারে একেকটি পরিবারের বেঁচে থাকার শেষ আশ্রয়।

সম্প্রতি চুয়াডাঙ্গা জেলা সিভিল সার্জনের সঙ্গে দর্শনা থানা লোকমোর্চার নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভায় উঠে এসেছে এই দাবির জোরালো বার্তা। সভায় অংশ নেন এলাকার শিক্ষক, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতা ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

এখন সময় এসেছে কথার বাইরেও এগিয়ে যাওয়ার। সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সম্মিলিত চেষ্টাই পারে দর্শনাকে এই অন্ধকার স্বাস্থ্যশূন্যতা থেকে আলোর পথে এগিয়ে নিতে। “স্বাস্থ্যসেবা কোনো অনুগ্রহ নয়,হোক এটি মানুষের মৌলিক অধিকার।”

দর্শনাবাসীর চোখে এখন একটাই স্বপ্ন,একটি ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল, যেখানে অসুস্থতা মানেই আর ভোগান্তি নয়, বরং একটুখানি স্বস্তি, একটু বাঁচার সুযোগ।।

আপডেট : ০৪:১১:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫

দর্শনায় ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা কেন সময়ের দাবি জনগণের আর্তনাদ যেন না হারিয়ে যায় শূন্যে!

আপডেট : ০৪:১১:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫
৭৯

মোঃ আব্দুর রহমান অনিক:
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্ত শহর দর্শনা যেখানে প্রতিদিন সূর্য ওঠে হাজারো মানুষের নতুন আশায়, কিন্তু স্বাস্থ্যসেবার সীমাহীন সংকটে প্রতিদিনই ফিকে হয়ে যায় সেই প্রত্যাশা। দর্শনা থানার প্রায় এক লাখ মানুষ আজও নির্ভর করে আশেপাশের উপজেলা হাসপাতাল কিংবা জেলা সদরের চিকিৎসা ব্যবস্থার উপর। অথচ, একটি ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালই হতে পারে এই জনপদের চিকিৎসা সংকটের প্রথম সমাধান।

দর্শনার বহু প্রান্তিক মানুষ সামান্য জ্বর, ডায়রিয়া কিংবা প্রেগনেন্সি-সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে দৌড়ান ২২ কিলোমিটার দূরের চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে। সময়ের মূল্য সেখানে জীবন-মৃত্যুর প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়।

জরুরি মুহূর্তে অ্যাম্বুলেন্সের অপ্রতুলতা, স্থানীয় চিকিৎসা সুবিধার অভাব এবং ন্যূনতম প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যবস্থার অনুপস্থিতি দর্শনাবাসীর জন্য একটি বেদনার নাম। অনেক সময় রোগীকে বহন করে রিকশা বা ইজিবাইকে করে পৌঁছাতে হয় চিকিৎসাকেন্দ্রে যেখানে পৌঁছনোর আগেই জীবন থেমে যায়।

এই প্রেক্ষাপটে, দর্শনায় একটি আধুনিক ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা কেবল প্রয়োজন নয়, বরং মানবিক দায়িত্ব। এটি কেবল একটি বিল্ডিং বা অবকাঠামো নয়, এটি হতে পারে একেকটি পরিবারের বেঁচে থাকার শেষ আশ্রয়।

সম্প্রতি চুয়াডাঙ্গা জেলা সিভিল সার্জনের সঙ্গে দর্শনা থানা লোকমোর্চার নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভায় উঠে এসেছে এই দাবির জোরালো বার্তা। সভায় অংশ নেন এলাকার শিক্ষক, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতা ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

এখন সময় এসেছে কথার বাইরেও এগিয়ে যাওয়ার। সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সম্মিলিত চেষ্টাই পারে দর্শনাকে এই অন্ধকার স্বাস্থ্যশূন্যতা থেকে আলোর পথে এগিয়ে নিতে। “স্বাস্থ্যসেবা কোনো অনুগ্রহ নয়,হোক এটি মানুষের মৌলিক অধিকার।”

দর্শনাবাসীর চোখে এখন একটাই স্বপ্ন,একটি ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল, যেখানে অসুস্থতা মানেই আর ভোগান্তি নয়, বরং একটুখানি স্বস্তি, একটু বাঁচার সুযোগ।।