চুয়াডাঙ্গা ০৬:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ, রূপান্তরিত হবে সোনার বাংলাদেশ

Padma Sangbad
৩০

দৈনিক পদ্মা সংবাদ ডেস্ক :
বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। দেশের অর্থনীতি, খাদ্য নিরাপত্তা ও গ্রামীণ জনপদের প্রাণশক্তি নির্ভর করে কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের ওপর। অথচ যুগের পর যুগ দেশের কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের ঘামেই রাষ্ট্রের চাকা সচল থাকলেও তারা আজও ন্যায্য অধিকার ও প্রাপ্য সম্মান থেকে বঞ্চিত বলে অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন মহলে।
আরও পড়ুন :আটোয়ারীতে বলরামপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সাইদুর রহমান -এর লাশ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন
নির্বাচনের সময় জনপ্রতিনিধিরা সাধারণ মানুষের দুয়ারে গিয়ে উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও কৃষকের ন্যায্য মূল্যের প্রতিশ্রুতি দিলেও ক্ষমতার চেয়ারে বসার পর অনেকেই ভুলে যান সেই মেহনতি মানুষের কথা। কৃষকের কষ্ট, শ্রমিকের দুর্ভোগ কিংবা নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনসংগ্রাম যেন ধীরে ধীরে হারিয়ে যায় রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির আড়ালে।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পেলেও ফসলের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না তারা। সার, বীজ, কীটনাশক ও সেচ খরচ বাড়লেও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যে প্রকৃত লাভ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ কৃষক। অন্যদিকে বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাত্রাও হয়ে উঠেছে কঠিন।
সচেতন মহলের মতে, কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ। কারণ কৃষিই দেশের অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি। কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। শুধু মুখে জনগণকে “সকল শক্তির উৎস” বললেই হবে না, বাস্তবেও তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
আরও পড়ুন :ফেসবুকে অনলাইন জুয়ার আসর, অন্ধকারে তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কৃষকের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা, দুর্নীতি ও অপকর্ম বন্ধ করা, গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করা এবং শ্রমজীবী মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। তা না হলে বৈষম্য আরও বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের আস্থা সংকটে পড়বে।
জনগণের প্রত্যাশা, ব্যক্তি স্বার্থ নয়—দেশ ও মানুষের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করবে সংশ্লিষ্ট মহল। তাহলেই একদিন সত্যিকার অর্থে রূপান্তরিত হবে স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ।

আপডেট : ০১:৫৬:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ, রূপান্তরিত হবে সোনার বাংলাদেশ

আপডেট : ০১:৫৬:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
৩০

দৈনিক পদ্মা সংবাদ ডেস্ক :
বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। দেশের অর্থনীতি, খাদ্য নিরাপত্তা ও গ্রামীণ জনপদের প্রাণশক্তি নির্ভর করে কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের ওপর। অথচ যুগের পর যুগ দেশের কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের ঘামেই রাষ্ট্রের চাকা সচল থাকলেও তারা আজও ন্যায্য অধিকার ও প্রাপ্য সম্মান থেকে বঞ্চিত বলে অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন মহলে।
আরও পড়ুন :আটোয়ারীতে বলরামপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সাইদুর রহমান -এর লাশ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন
নির্বাচনের সময় জনপ্রতিনিধিরা সাধারণ মানুষের দুয়ারে গিয়ে উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও কৃষকের ন্যায্য মূল্যের প্রতিশ্রুতি দিলেও ক্ষমতার চেয়ারে বসার পর অনেকেই ভুলে যান সেই মেহনতি মানুষের কথা। কৃষকের কষ্ট, শ্রমিকের দুর্ভোগ কিংবা নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনসংগ্রাম যেন ধীরে ধীরে হারিয়ে যায় রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির আড়ালে।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পেলেও ফসলের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না তারা। সার, বীজ, কীটনাশক ও সেচ খরচ বাড়লেও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যে প্রকৃত লাভ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ কৃষক। অন্যদিকে বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাত্রাও হয়ে উঠেছে কঠিন।
সচেতন মহলের মতে, কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ। কারণ কৃষিই দেশের অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি। কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। শুধু মুখে জনগণকে “সকল শক্তির উৎস” বললেই হবে না, বাস্তবেও তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
আরও পড়ুন :ফেসবুকে অনলাইন জুয়ার আসর, অন্ধকারে তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কৃষকের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা, দুর্নীতি ও অপকর্ম বন্ধ করা, গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করা এবং শ্রমজীবী মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। তা না হলে বৈষম্য আরও বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের আস্থা সংকটে পড়বে।
জনগণের প্রত্যাশা, ব্যক্তি স্বার্থ নয়—দেশ ও মানুষের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করবে সংশ্লিষ্ট মহল। তাহলেই একদিন সত্যিকার অর্থে রূপান্তরিত হবে স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ।