চুয়াডাঙ্গা ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এসএসসির খাতা চ্যালেঞ্জ করে পৌনে এক লাখ শিক্ষার্থীর আবেদন

Padma Sangbad
১৮৮

অনলাইন ডেস্ক।।
চলতি বছরে যশোর শিক্ষা বোর্ডে এসএসসির খাতা চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করেছে পৌনে এক লাখ শিক্ষার্থী যা গত ১০ বছরের তুলনায় অস্বাভাবিক বেশি। যেসব পরীক্ষকের ভুল ধরা পড়বে তাদের বিরুদ্ধে পরীক্ষা আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এবার এ বোর্ডে ১ লাখ ৪১ হাজার ৬৪ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। ফল প্রকাশিত হয় চলতি মাসের ১০ তারিখ। এর মধ্যে পাস করেছে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ। খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনের সময় দেওয়া হয় পরদিন ১১ আগস্ট থেকে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত।

বোর্ড সূত্র জানিয়েছে, এবার ২৫ বিষয়ে খাতা চ্যালেঞ্জ করে পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন পড়েছে ৭৪ হাজার ৭১৭। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে ইংরেজিতে। এ বিষয়ের প্রথম পত্রে ১৫ হাজার ৩৪৩টি ও দ্বিতীয় পত্রে ১৫ হাজার ৩৪৩টি আবেদন পড়েছে। সবচেয়ে কম পড়েছে গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে, ৪০টি। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণের (খাতা চ্যালেঞ্জ) আবেদন করে ২০২৫ সালে ৪৯ হাজার ৭৭৯ জন, ২০২৪ সালে ৩০ হাজার ২২৭ জন, ২০২৩ সালে ৪৩ হাজার ৪০৩ জন, ২০২২ সালে ২৩ হাজার ৮৬৫ জন, ২০২১ সালে ১০ হাজার ৬৭৭ জন, ২০২০ সালে ৯ হাজার ২১০ জন, ২০১৯ সালে ৬ হাজার ৩৬৪ জন, ২০১৮ সালে ৫ হাজার ৬১৮ জন, ২০১৭ সালে ৪ হাজার ৭১৪ জন ও ২০১৬ সালে ৪ হাজার ৪৬৫ জন শিক্ষার্থী।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত আবেদনের সংখ্যা ৫ হাজারের নিচে এবং ব্যবধান ছিল কম। মূলত ২০১৯ সালের পর থেকে এবং বিশেষ করে ২০২২ সালের পরবর্তী সময়ে এই আবেদনের সংখ্যা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। শিহাব উদ্দিন নামে যশোর জিলা স্কুলের এক শিক্ষার্থী বলে, আমি সব বিষয়ে ৮০ নম্বরের বেশি পেয়েছি। কিন্তু বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় মিলে পেয়েছি ১৫৮। তাই খাতা চ্যালেঞ্জ করেছি। সচেতনতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল পদ্ধতিতে আবেদনের সহজলভ্যতা এবং কাক্সিক্ষত ফলাফল না পাওয়ায় আবেদন বেশি পড়েছে মনে করেন যশোর কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিষয়ের প্রভাষক মো. ফরিদ উদ্দিন। যশোর বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এসএম হোসেন আলী বলেন, আবেদনকারীদের প্রতিটি খাতা পুনর্মূল্যায়ন করা হবে।

খাতায় নম্বর প্রদান ও নিরীক্ষণে ভুল থাকলে তা সংশোধন করা হবে। যেসব পরীক্ষকের ভুল ধরা পড়বে তাদের বিরুদ্ধে পরীক্ষা আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আপডেট : ০১:৩৯:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

এসএসসির খাতা চ্যালেঞ্জ করে পৌনে এক লাখ শিক্ষার্থীর আবেদন

আপডেট : ০১:৩৯:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
১৮৮

অনলাইন ডেস্ক।।
চলতি বছরে যশোর শিক্ষা বোর্ডে এসএসসির খাতা চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করেছে পৌনে এক লাখ শিক্ষার্থী যা গত ১০ বছরের তুলনায় অস্বাভাবিক বেশি। যেসব পরীক্ষকের ভুল ধরা পড়বে তাদের বিরুদ্ধে পরীক্ষা আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এবার এ বোর্ডে ১ লাখ ৪১ হাজার ৬৪ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। ফল প্রকাশিত হয় চলতি মাসের ১০ তারিখ। এর মধ্যে পাস করেছে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ। খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনের সময় দেওয়া হয় পরদিন ১১ আগস্ট থেকে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত।

বোর্ড সূত্র জানিয়েছে, এবার ২৫ বিষয়ে খাতা চ্যালেঞ্জ করে পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন পড়েছে ৭৪ হাজার ৭১৭। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে ইংরেজিতে। এ বিষয়ের প্রথম পত্রে ১৫ হাজার ৩৪৩টি ও দ্বিতীয় পত্রে ১৫ হাজার ৩৪৩টি আবেদন পড়েছে। সবচেয়ে কম পড়েছে গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে, ৪০টি। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণের (খাতা চ্যালেঞ্জ) আবেদন করে ২০২৫ সালে ৪৯ হাজার ৭৭৯ জন, ২০২৪ সালে ৩০ হাজার ২২৭ জন, ২০২৩ সালে ৪৩ হাজার ৪০৩ জন, ২০২২ সালে ২৩ হাজার ৮৬৫ জন, ২০২১ সালে ১০ হাজার ৬৭৭ জন, ২০২০ সালে ৯ হাজার ২১০ জন, ২০১৯ সালে ৬ হাজার ৩৬৪ জন, ২০১৮ সালে ৫ হাজার ৬১৮ জন, ২০১৭ সালে ৪ হাজার ৭১৪ জন ও ২০১৬ সালে ৪ হাজার ৪৬৫ জন শিক্ষার্থী।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত আবেদনের সংখ্যা ৫ হাজারের নিচে এবং ব্যবধান ছিল কম। মূলত ২০১৯ সালের পর থেকে এবং বিশেষ করে ২০২২ সালের পরবর্তী সময়ে এই আবেদনের সংখ্যা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। শিহাব উদ্দিন নামে যশোর জিলা স্কুলের এক শিক্ষার্থী বলে, আমি সব বিষয়ে ৮০ নম্বরের বেশি পেয়েছি। কিন্তু বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় মিলে পেয়েছি ১৫৮। তাই খাতা চ্যালেঞ্জ করেছি। সচেতনতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল পদ্ধতিতে আবেদনের সহজলভ্যতা এবং কাক্সিক্ষত ফলাফল না পাওয়ায় আবেদন বেশি পড়েছে মনে করেন যশোর কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিষয়ের প্রভাষক মো. ফরিদ উদ্দিন। যশোর বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এসএম হোসেন আলী বলেন, আবেদনকারীদের প্রতিটি খাতা পুনর্মূল্যায়ন করা হবে।

খাতায় নম্বর প্রদান ও নিরীক্ষণে ভুল থাকলে তা সংশোধন করা হবে। যেসব পরীক্ষকের ভুল ধরা পড়বে তাদের বিরুদ্ধে পরীক্ষা আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।