চুয়াডাঙ্গা ১১:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করোনা বিদায় নিতে এখনো অনেক দেরি : ডব্লিউএইচও

Padma Sangbad
১৬৬

অনলাইন ডেস্ক।।
হঠাৎ করে বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের বিস্ফোরণ ঘটছে। এতে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে আবারও লকডাউন। করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) দ্বিতীয় ও তৃতীয় ঢেউয়ে নাকাল গোটা বিশ্ব। তবে সহসাই প্রাণঘাতী এই ভাইরাস থেকে মুক্তি মিলছে না এমনটাই জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
বৈশ্বিক সংস্থাটি জানায়, দ্বিধা এবং আত্মতৃপ্তির মানেই হলো এই ভাইরাস সহসা বিদায় হচ্ছে না; তবে এটা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
সোমবার এক ব্রিফিংয়ে ডব্লিউএইচও মহাসচিব তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস বলেন, ‘আমরাও চাই সামাজিক এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরায় খুলে দেওয়া হোক। যোগাযোগ এবং ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু হোক।’
‘কিন্তু এই মুহূর্তে, অনেক দেশে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র-আইসিইউগুলোতে রোগীদের উপচে পড়া ভিড় এবং মানুষ মারা যাচ্ছেন। এটা পুরোপুরিভাবে এড়ানো সম্ভব’ যোগ করেন তিনি।
গেব্রেয়েসুস বলেন, ‘কোভিড-১৯ মহামারীর বিদায় এখনো অনেক দেরি। কিন্তু আমাদের আশাবাদী হওয়ার অনেক কারণ আছে। গত দুই মাসে সংক্রমণ ও মৃত্যু হ্রাস পাওয়ায় দেখা যায় এই ভাইরাস এবং ভাইরাসের ভ্যারিয়েন্টগুলো প্রতিরোধ সম্ভব।’
তিনি বলেন, ‘দ্বিধা, আত্মতুষ্টি এবং গণস্বাস্থ্যে নেওয়া পদক্ষেপে অসামঞ্জস্যতার কারণে’ সংক্রমণ ছড়াচ্ছে।
ডব্লিউএইচও মহাসচিব বলেন, ‘কিছু মানুষের মনোভাব দেখা যায় যে, তারা তুলনামূলক তরুণ হওয়ায় কোভিড-১৯ আক্রান্ত হওয়া কোনো বিষয়ই না।’
এদিকে করোনার বৈশ্বিক সংক্রমণ ১৩ কোটি ৭২ লাখ সাড়ে ৫৩ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ২৯ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩১ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১১ কোটি ৪ লাখ সাড়ে ৩৩ হাজারের বেশি।

আপডেট : ১২:২১:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১

করোনা বিদায় নিতে এখনো অনেক দেরি : ডব্লিউএইচও

আপডেট : ১২:২১:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১
১৬৬

অনলাইন ডেস্ক।।
হঠাৎ করে বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের বিস্ফোরণ ঘটছে। এতে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে আবারও লকডাউন। করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) দ্বিতীয় ও তৃতীয় ঢেউয়ে নাকাল গোটা বিশ্ব। তবে সহসাই প্রাণঘাতী এই ভাইরাস থেকে মুক্তি মিলছে না এমনটাই জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
বৈশ্বিক সংস্থাটি জানায়, দ্বিধা এবং আত্মতৃপ্তির মানেই হলো এই ভাইরাস সহসা বিদায় হচ্ছে না; তবে এটা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
সোমবার এক ব্রিফিংয়ে ডব্লিউএইচও মহাসচিব তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস বলেন, ‘আমরাও চাই সামাজিক এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরায় খুলে দেওয়া হোক। যোগাযোগ এবং ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু হোক।’
‘কিন্তু এই মুহূর্তে, অনেক দেশে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র-আইসিইউগুলোতে রোগীদের উপচে পড়া ভিড় এবং মানুষ মারা যাচ্ছেন। এটা পুরোপুরিভাবে এড়ানো সম্ভব’ যোগ করেন তিনি।
গেব্রেয়েসুস বলেন, ‘কোভিড-১৯ মহামারীর বিদায় এখনো অনেক দেরি। কিন্তু আমাদের আশাবাদী হওয়ার অনেক কারণ আছে। গত দুই মাসে সংক্রমণ ও মৃত্যু হ্রাস পাওয়ায় দেখা যায় এই ভাইরাস এবং ভাইরাসের ভ্যারিয়েন্টগুলো প্রতিরোধ সম্ভব।’
তিনি বলেন, ‘দ্বিধা, আত্মতুষ্টি এবং গণস্বাস্থ্যে নেওয়া পদক্ষেপে অসামঞ্জস্যতার কারণে’ সংক্রমণ ছড়াচ্ছে।
ডব্লিউএইচও মহাসচিব বলেন, ‘কিছু মানুষের মনোভাব দেখা যায় যে, তারা তুলনামূলক তরুণ হওয়ায় কোভিড-১৯ আক্রান্ত হওয়া কোনো বিষয়ই না।’
এদিকে করোনার বৈশ্বিক সংক্রমণ ১৩ কোটি ৭২ লাখ সাড়ে ৫৩ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ২৯ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩১ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১১ কোটি ৪ লাখ সাড়ে ৩৩ হাজারের বেশি।