কাজিপুরের শুভগাছা ইউপি নির্বাচনে দলীয় প্রতিক নৌকার মাঝি হতে চান খোরশেদ আলম খুশু

কাজিপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি।
কাজিপুর উপজেলার ৪নং শুভগাছা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতিক নৌকার মাঝি হতে চান উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম খুশু।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ (সোনার বাংলা) গড়ার লক্ষ্যে শুভগাছা ইউনিয়ন পরিষদকে আধুনিকায়ন করতে শুভগাছা ইউনিয়ন বাসির জীবন মান উন্নয়নে কাজ করতে চান যুবলীগ নেতা খোরশেদ আলম খুশু।
এলাকা সুত্রে জানা যায় খোরশেদ আলম খুশু দলীয় প্রতিক নৌকার প্রত্যাশায় ইতিমধ্যে শুভগাছা ইউনিয়নের ভোটারের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে।
এবং দীর্ঘ দিন ধরে তিনি শুভগাছা ইউনিয়নের বিভিন্ন সমাজ সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত হয়ে এলাকার উন্নয়নে কাজ করছেন এছাড়া বিভিন্ন সময়ে নদীভাঙ্গনকবলিত মানুষের পাশে এসে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।
কন্যাদায়গ্রস্ত পিতাকে আর্থিক সাহায্য করেছে সামর্থ্য অনুযায়ী করোনা মহামারী চলাকালীন সময়ে যথাসাধ্য চেষ্টা করেছে গরীব অসহায় কর্মহীন মানুষকে সহযোগীতা করার জন্য এছাড়াও এলাকার যুবসমাজকে খেলাধুলায় অংশগ্রহণের জন্য সহযোগিতা করেন বিভিন্ন সময়।
খোরশেদ আলম খুশুর রাজনীতিতে প্রবেশঃ
১৯৮৬ সালে পোস্টার লাগানোর মাধ্যমে ছাত্র লীগের রাজনীতিতে পদার্পণ করেন খুশু।
১৯৯০ সালে ছাত্র জীবনে তারাকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অবস্থায় ছাত্র লীগ স্কুল কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন।
১৯৯৩ সালে শুভগাছা ইউনিয়ন ছাত্র লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন।
১৯৯৪ সালে কাজিপুর সরকারি মনসুর আলী কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে দুলাল আমিনুল পরিষদে সহ কক্ষ পাঠাগার সম্পাদক নির্বাচিত হন।
১৯৯৮ সালে আর আই এম ডিগ্রি কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ ছাত্র লীগ মনোনীত তাহের / খুশু / ফরিদ পরিষদে জিএস পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন, কিন্তু কিছু দুস্কিতি সন্ত্রাসীদের হামলার কারণে নির্বাচন স্থগিত হয়ে যায়।
১৯৯৯ সালে শুভগাছা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে ২০০২ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
২০০২ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কাজিপুর উপজেলা শাখার ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হন।
বর্তমান কাজিপুর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
খোরশেদ আলম খুশু এই প্রতিনিধি কে বলেনঃ ১৯৯৬ সালের অসহযোগ আন্দোলনের সময় বিএনপির সন্ত্রাসীদের দ্বারা শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছি একাধিক বার।
২০০১ সালে বিএনপি সরকারের বিভিন্ন মামলার আসামী হয়ে পালিয়েব্যাড়াইছি।
১/১১ এর সময় স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে বিএনপি পির নেতা কর্মীরা আমার ১২বিঘা জমির ফসল জোরপূর্বক কেটে নিয়ে বিক্রি করে, আমার উপর চলে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন।
জাতীয় নেতা শহীদ এম মনসুর আলীর যোগ্য দৌহিত্র, জাতীয় নেতা একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করা সাবেক সফল স্বাস্থ্য মন্ত্রী প্রয়াত মোহাম্মদ নাসিমের যোগ্য সন্তান, সিরাজগঞ্জ কাজিপুরের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের চাবিকাঠি একমাত্র ঠিকানা তারুণ্যের অহংকার সিরাজগঞ্জ ১ সাংসদ প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয় মহোদয়ের প্রতি তিনি শতভাগ আস্থা ও বিশ্বাস রেখে বলেন আমি শতভাগ আশাবাদী দল ত্যাগিদের মূল্যায়ন করবে।
সেই আশাবাদী হিসেবে আমি মনে করি দল আমাকে দলীয় প্রতিক নৌকা মার্কা নিয়ে নির্বাচন করার সুযোগ করে দিয়ে আমাকে মূল্যায়ন করবে ইনশাআল্লাহ।





















