চুয়াডাঙ্গা ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোটচাঁদপুরে তরমুজ বি‌ক্রি হচ্ছে কেজিতে, বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ

Padma Sangbad
১৪৪

মোঃ শহিদুল ইসলাম, কোটচাঁদপুর প্রতিনিধি।।
গ্রীষ্মকালীন ফল তরমুজ পিস হিসাবে তরমুজ ক্রয় করে কেজি দরে বিক্রি করায় নিন্ম ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।
কোটচাঁদপুর সর্বস্তরে।ফ‌লে ইচ্ছা থাক‌লেও ক্রয় ক্ষমতার বা‌হি‌রে দাম হওয়ায় হতাশ ম‌নে ফির‌ছে অনেকে।
(২৬ এপ্রিল) কোটচাঁদপুর বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে ঘুরে দেখা গেছে তরমুজের দামের বিশাল ফারাক।গত ১-২ বছর আগেও যেখানে তরমুজ পিচ হিসাবে কিনতে পাওয়া যেতো সেখানে এখন প্রতি কেজি ৫০-৫৫ টাকা দরে কিনতে হচ্চে সাধারণ মানুষকে। অথচ বাজারে তরমুজের প্রচুর আমদানি থাকলে ক্রেতারা রয়েছেন ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে। কিন্তু প্রশ্ন হলো তরমুজের বাজারে কারসাজি করা সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যারা কারা।
যারা সবসময় থেকে রায় ধরাছোঁয়ার বাইরে।খুচরা ক্রেতা/ভোক্তাদের জোট/কমিউনিটি গঠনপূর্বক এলাকাভিত্তিক বিক্রয় কেন্দ্র খুলতে হবে এবং যে সকল পন্য সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে সংগ্রহ করে সরাসরি বিক্রির ব্যবস্থা করতে হবে। আর তা নিশ্চিত করতে না পারলে মধ্যস্বত্বভোগী বা দালাদের সিন্ডিকেটের কাছ থেকে সাধারণ ক্রেতাদের মুক্তির কোন উপায় থাকবে না।তাই সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে এলাকার মানুষের দাবী ,দ্রুত এর বিহিত না করলে বছরের এই সুস্বাদু ফলটি এবছরও রয়ে যাবে দরিদ্র মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে।।

আপডেট : ০৬:২৯:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ এপ্রিল ২০২১

কোটচাঁদপুরে তরমুজ বি‌ক্রি হচ্ছে কেজিতে, বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ

আপডেট : ০৬:২৯:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ এপ্রিল ২০২১
১৪৪

মোঃ শহিদুল ইসলাম, কোটচাঁদপুর প্রতিনিধি।।
গ্রীষ্মকালীন ফল তরমুজ পিস হিসাবে তরমুজ ক্রয় করে কেজি দরে বিক্রি করায় নিন্ম ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।
কোটচাঁদপুর সর্বস্তরে।ফ‌লে ইচ্ছা থাক‌লেও ক্রয় ক্ষমতার বা‌হি‌রে দাম হওয়ায় হতাশ ম‌নে ফির‌ছে অনেকে।
(২৬ এপ্রিল) কোটচাঁদপুর বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে ঘুরে দেখা গেছে তরমুজের দামের বিশাল ফারাক।গত ১-২ বছর আগেও যেখানে তরমুজ পিচ হিসাবে কিনতে পাওয়া যেতো সেখানে এখন প্রতি কেজি ৫০-৫৫ টাকা দরে কিনতে হচ্চে সাধারণ মানুষকে। অথচ বাজারে তরমুজের প্রচুর আমদানি থাকলে ক্রেতারা রয়েছেন ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে। কিন্তু প্রশ্ন হলো তরমুজের বাজারে কারসাজি করা সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যারা কারা।
যারা সবসময় থেকে রায় ধরাছোঁয়ার বাইরে।খুচরা ক্রেতা/ভোক্তাদের জোট/কমিউনিটি গঠনপূর্বক এলাকাভিত্তিক বিক্রয় কেন্দ্র খুলতে হবে এবং যে সকল পন্য সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে সংগ্রহ করে সরাসরি বিক্রির ব্যবস্থা করতে হবে। আর তা নিশ্চিত করতে না পারলে মধ্যস্বত্বভোগী বা দালাদের সিন্ডিকেটের কাছ থেকে সাধারণ ক্রেতাদের মুক্তির কোন উপায় থাকবে না।তাই সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে এলাকার মানুষের দাবী ,দ্রুত এর বিহিত না করলে বছরের এই সুস্বাদু ফলটি এবছরও রয়ে যাবে দরিদ্র মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে।।