চুয়াডাঙ্গা ০৮:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘূর্ণিঝড় গনিতে লণ্ডভণ্ড ফিলিপাইন, নিহত ২০

Padma Sangbad
৩৩৫

অনলাইন ডেস্ক।।
ফিলিপাইনে আছড়ে পড়েছে চলতি বছরের সবচেয়ে শক্তিশালী টাইফুন ‘গনি’। ঘণ্টায় ২২৫ কিমি গতিবেগের এই ঘূর্ণিঝড় গনিতে লণ্ডভণ্ড ফিলিপাইন। যার জেরে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ২০ জনের। সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাগুলোতে সোমবারও যোগাযোগ ছিল বিচ্ছিন্ন।
খবর কলকাতা টোয়েন্টিফোরের।
রবিবার পূর্ব উপকূলে জনবহুল দ্বীপ লুজনের কাতান্দুয়ানিজ দ্বীপ এবং নিকটবর্তী আলবে প্রদেশে সর্বাধিক গতিতে আঘাত করে টাইফুন। ঘণ্টায় গতিবেগ ২২৫ কিমি। টাইফুনের ব্যাপক গতির দাপট ও মারাত্মক বৃষ্টির জেরে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় বিদ্যুৎ পরিষেবার চূড়ান্ত ক্ষতি হয়।
একাধিক খুঁটি উপড়ে গেছে, সংযোগ বিচ্ছিন্ন বহু এলাকার। এমনকি ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে বন্যার সৃষ্টি হয় ও বেশ কিছু এলাকায় ভূমিধসের সৃষ্টি হয়।
ফিলিপাইনের রেডক্রসের প্রধান রিচার্ড গর্ডন এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, কাতান্দুয়ানিজ দ্বীপ এবং আলবায়েসহ অনেকগুলো অঞ্চলে এই টাইফুনের ধ্বংসযজ্ঞের জেরে আমরা আতঙ্কিত। উল্লেখ্য, গনির ভয়াবহতা সম্পর্কে ফিলিপাইন্স কর্তৃপক্ষকে আগেই সতর্ক করেছিল আবহাওয়া বিভাগ।
এরপরেই যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে কয়েক হাজার মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের অধিকাংশই এখনও সেই সব আশ্রয় সেন্টারেই রয়েছেন। কারণ, গনির দাপটে বিদ্যুৎ ও টেলিযোগাযোগে হওয়া ক্ষতি সারাতে এখনও যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।।

আপডেট : ০২:৪০:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২০

ঘূর্ণিঝড় গনিতে লণ্ডভণ্ড ফিলিপাইন, নিহত ২০

আপডেট : ০২:৪০:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২০
৩৩৫

অনলাইন ডেস্ক।।
ফিলিপাইনে আছড়ে পড়েছে চলতি বছরের সবচেয়ে শক্তিশালী টাইফুন ‘গনি’। ঘণ্টায় ২২৫ কিমি গতিবেগের এই ঘূর্ণিঝড় গনিতে লণ্ডভণ্ড ফিলিপাইন। যার জেরে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ২০ জনের। সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাগুলোতে সোমবারও যোগাযোগ ছিল বিচ্ছিন্ন।
খবর কলকাতা টোয়েন্টিফোরের।
রবিবার পূর্ব উপকূলে জনবহুল দ্বীপ লুজনের কাতান্দুয়ানিজ দ্বীপ এবং নিকটবর্তী আলবে প্রদেশে সর্বাধিক গতিতে আঘাত করে টাইফুন। ঘণ্টায় গতিবেগ ২২৫ কিমি। টাইফুনের ব্যাপক গতির দাপট ও মারাত্মক বৃষ্টির জেরে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় বিদ্যুৎ পরিষেবার চূড়ান্ত ক্ষতি হয়।
একাধিক খুঁটি উপড়ে গেছে, সংযোগ বিচ্ছিন্ন বহু এলাকার। এমনকি ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে বন্যার সৃষ্টি হয় ও বেশ কিছু এলাকায় ভূমিধসের সৃষ্টি হয়।
ফিলিপাইনের রেডক্রসের প্রধান রিচার্ড গর্ডন এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, কাতান্দুয়ানিজ দ্বীপ এবং আলবায়েসহ অনেকগুলো অঞ্চলে এই টাইফুনের ধ্বংসযজ্ঞের জেরে আমরা আতঙ্কিত। উল্লেখ্য, গনির ভয়াবহতা সম্পর্কে ফিলিপাইন্স কর্তৃপক্ষকে আগেই সতর্ক করেছিল আবহাওয়া বিভাগ।
এরপরেই যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে কয়েক হাজার মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের অধিকাংশই এখনও সেই সব আশ্রয় সেন্টারেই রয়েছেন। কারণ, গনির দাপটে বিদ্যুৎ ও টেলিযোগাযোগে হওয়া ক্ষতি সারাতে এখনও যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।।