চুয়াডাঙ্গা ১১:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মামলা তুলে নিতে বাদির উপরে সন্ত্রাসী হামলা, পুলিশের সহায়তায় হাসপাতালে ভর্তি

Padma Sangbad
২৫

ঝিনাইদহ সংবাদদাতা।।

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে মামলা তুলে নিতে বাদির উপরে সন্ত্রাসী হামলা ও মারধর করেছে আসামীরা।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৫টায় উপজেলার ৫নং কাপাশহাটিয়া ইউনিয়নের কিসমত ঘোড়াগাছা গ্রামের মৃত আবুল হোসেন মিয়ার ছেলে মিজানুর রহমান সোনা (৬০) এর উপর এই সন্ত্রাসী হামালা চালায় একই গ্রামের কনক, বোরহান, মশিয়ার রহমানসহ ১০/১২জন ব্যক্তি।

সোনার পারিবারিক সূত্রে জানান, ২০২৪ সালে তাদের বাড়িতে হামলা মারধর ও লুটপাটের ঘটনায় হরিণাকুণ্ডু থানায় মিজানুর রহমান সোনা বাদি হয়ে একটি জি আর মামলা করে যার নং ১৯৭/২০২৪, বর্তমানে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এই মামলাটি কোর্ট থেকে তুলে নিতে একই গ্রামের মশিয়ার কনক, বোরহান, তোতাসহ বেশ কয়েকজন আসামী বিভিন্ন সময় বাড়ির আশেপাশে গালিগালাজ করে, মাঝে মধ্যে জানে মেরে ফেলার হুমকী দেয়। জীবনের ভয়ে সোনার ছোট ভাই শাহীন কবির ঝলক দীর্ঘদিন বাড়িে আসতে পারে না। এই ঘটনার জেরে আজ বুধবার বিকাল ৫টার দিকে মিজানুর রহমান সোনাকে বাড়ি থেকে ডেকে পাশের একটি দোকান ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে তারা মামলা তুলে নিতে প্রথমে চাপ প্রয়োগ করে। পরে মামলা তুলে নিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামীরা তাকে বেধড়ক মারধর করে,পায়ের হাড়গোড় ফাটিয়ে দেয়। আহত সোনাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে যেতে গেলে তারা তাকে বাধা দেয়। এই অবস্থায় হরিণাকুণ্ডু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুলফিকার আলীকে বিষয়টি জানালে তিনি দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়। হামলায় জড়িত কনকের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

আপডেট : ০৯:৪০:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মামলা তুলে নিতে বাদির উপরে সন্ত্রাসী হামলা, পুলিশের সহায়তায় হাসপাতালে ভর্তি

আপডেট : ০৯:৪০:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২৫

ঝিনাইদহ সংবাদদাতা।।

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে মামলা তুলে নিতে বাদির উপরে সন্ত্রাসী হামলা ও মারধর করেছে আসামীরা।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৫টায় উপজেলার ৫নং কাপাশহাটিয়া ইউনিয়নের কিসমত ঘোড়াগাছা গ্রামের মৃত আবুল হোসেন মিয়ার ছেলে মিজানুর রহমান সোনা (৬০) এর উপর এই সন্ত্রাসী হামালা চালায় একই গ্রামের কনক, বোরহান, মশিয়ার রহমানসহ ১০/১২জন ব্যক্তি।

সোনার পারিবারিক সূত্রে জানান, ২০২৪ সালে তাদের বাড়িতে হামলা মারধর ও লুটপাটের ঘটনায় হরিণাকুণ্ডু থানায় মিজানুর রহমান সোনা বাদি হয়ে একটি জি আর মামলা করে যার নং ১৯৭/২০২৪, বর্তমানে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এই মামলাটি কোর্ট থেকে তুলে নিতে একই গ্রামের মশিয়ার কনক, বোরহান, তোতাসহ বেশ কয়েকজন আসামী বিভিন্ন সময় বাড়ির আশেপাশে গালিগালাজ করে, মাঝে মধ্যে জানে মেরে ফেলার হুমকী দেয়। জীবনের ভয়ে সোনার ছোট ভাই শাহীন কবির ঝলক দীর্ঘদিন বাড়িে আসতে পারে না। এই ঘটনার জেরে আজ বুধবার বিকাল ৫টার দিকে মিজানুর রহমান সোনাকে বাড়ি থেকে ডেকে পাশের একটি দোকান ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে তারা মামলা তুলে নিতে প্রথমে চাপ প্রয়োগ করে। পরে মামলা তুলে নিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামীরা তাকে বেধড়ক মারধর করে,পায়ের হাড়গোড় ফাটিয়ে দেয়। আহত সোনাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে যেতে গেলে তারা তাকে বাধা দেয়। এই অবস্থায় হরিণাকুণ্ডু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুলফিকার আলীকে বিষয়টি জানালে তিনি দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়। হামলায় জড়িত কনকের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।