চুয়াডাঙ্গায় মুখোশধারী দুর্বৃত্তের হানা; রোগীবাহী পাখিভ্যানে লূট

শিমুল রেজা।।
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার আমানখালী- ভালাইপুর সড়কে পাখিভ্যান থামিয়ে রোগী ও তাঁর স্বজনদের কাছ থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ৫-৬ জন মুখোশধারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে খাদিমপুর মোড় সংলগ্ন মেহগনি বাগানের সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগী শাহাবুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার গাংনী গ্রামের আশাবুল ইসলামের ছেলে। তাঁর ভাষ্য, ওই রাতে তিনি তাঁর মা, ভাবি ও ভাবির মাকে নিয়ে পাখিভ্যানে করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে যাচ্ছিলেন।
শাহাবুল ইসলাম বলেন, আমানখালী-ভালাইপুর সড়কের খাদিমপুর মোড় পার হওয়ার পর মেহগনি বাগানের সামনে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা সড়কের ওপর বাঁশ ফেলে পাখিভ্যানটির গতিরোধ করে। এরপর ৫-৬ জন মুখোশধারী ব্যক্তি তাদের ঘিরে ফেলেন।
শাহাবুলের অভিযোগ, দুর্বৃত্তরা পাখিভ্যানের চালক আব্দুর রহিমকে মারধর করেন। পরে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাঁদের কাছে থাকা নগদ ৯ হাজার টাকা ও এক জোড়া সোনার কানের দুল ছিনিয়ে নেন। তাঁর দাবি, ছিনতাইকারীদের সবার মুখ বাঁধা ছিল।
লুটপাট শেষে দুর্বৃত্তরা ঘটনাস্থল থেকে চলে গেলে শাহাবুল ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ভালাইপুর মোড়ে গিয়ে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পরিদর্শন করে এবং ঘটনার বিষয়ে তদন্ত শুরু করে।
ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা রাতে এ সড়কে নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
তবে এ ঘটনায় বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) বিকাশ চন্দ্র সরকার বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে বিকেল পর্যন্ত কোনো অভিযোগ হয়নি। ঘটনা তদন্তে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় এগুচ্ছে পুলিশ।।





















