চুয়াডাঙ্গা ১২:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের টিকে থাকা কঠিন হবে : বাংলাদেশ ন্যাপ

Padma Sangbad
১৬

বিশেষ সংবাদদাতা।।

‘হঠাৎ করে কোন প্রকার পূর্ব ঘোষণা ছাড়া জ্বালানি তেলের মূল্য লিটার প্রতি ২০টাকা বৃদ্ধি সরকারী ঘোষণাকে আত্মঘাতী হিসাবে আখ্যায়িত করে অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবী জানিয়েছেন বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া। ’

তারা বলেন, ‘কোন প্রকার প্রস্তুতি ছাড়া যখন বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের মূল্যহ্রাস পেয়েছে ঠিক তখন জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত ছাড়া অন্য কিছুই নয়। এতে প্রমানিত হয় সরকারের জ্বালানি মন্ত্রনালয়ের সাথে বিশ্ববাজারের কোন সম্পর্ক নাই বা তারা বিশ্ববাজার সম্পর্কে কোন খোজখবরই রাখেন না। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে ইতোমধ্যে অর্থনীতি ও জনজীবনে মারাত্মক নেতিবাচত প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। ফণ্যপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি, কৃষিতে সেচ ব্যয় বৃদ্ধি, নিথ্যপণ্যের মূল্য আরো বৃদ্ধিসহ এই সিদ্ধান্ত জনজীবনে বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। যাতে মানুষের নাভিশ্বাস বন্ধ হবার উপক্রম হয়েছে।’

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ নেতৃদ্বয় উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

নেতৃদ্বয় বলেন, ‘সাধারণ মানুষের প্রকৃত আয় বৃদ্ধি পায় নাই বরং কমেছে। সাধারণ মানুষ সরাসরি জ্বালানি তেল না কিনলেও মূল্যবৃদ্ধির ফলে প্রতিদিন তাদের খরচ বৃদ্ধি পাবে। কারণ, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে কৃষিতে উৎপাদিত ফসলের খরচ, পরিবহন খরচ, য়াতায়াত খরচ, শিল্পে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাবে। আর এই বাড়তি খরচ সব সাধারণ মানুষের পেকেট থেকেই যাবে। যাদের পর্যাপ্ত টাকা আছে তাদের হয়তো অসুবিধা নাই। কিন্তু, সাধারণ মানুষ, স্বল্প আয়ের মানুষ ও কর্মহীন মানুষের কথা কি একবারও ভেবেছেন সরকার বাহাদুর ?’

আত্মঘাতী এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে আর্থিক খাতসহ অর্থনীীতর অন্যান্য থাকে সমন্বয় করা ও দুর্নীতি-লুটপাট-অপচয় বন্ধ করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, ‘দেশে মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশের বেশী। এসময়ে জ্বালানি তেলের মূল্য আবারো বৃদ্ধি করার ফলে মূল্যস্ফীতি আরও বৃদ্ধি পাবে বলে বিশেষজ্ঞরা আশংকা করছেন। সরকার অল্প কিছুদিন পূর্বেই জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করেছে। আবারো জ¦লানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি করলো। হয়তো গ্যাসের মূল্যও বৃদ্ধি করবে। এমন অবস্থায় সাধারণ মানুষের টিকে থাকা কঠিন হবে।’

নেতৃদ্বয় বলেন, ‘প্রতিদিনই বৃদ্ধি পাচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য। দৈনিন্দিন চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে সর্বস্তরের মানুষ। এরই মধ্যে সরকার জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে জনস্বার্থ বিরোধী অবস্থান গ্রহন করেছে। জনজীবনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। মূলত: সরকার ছলে বলে কৌশলে সাধারণ মানুষের আয়ের উপর গোপন হামলা চালাচ্ছে। জনগনের পরিশ্রমের অর্থ নানা কায়দায় হাতিয়ে নিচ্ছে। প্রত্যক্ষ করের পরিবর্তে পরোক্ষ করের বোঝাতো আছেই, সেই সঙ্গে যোগ হয়েছে তেল-বিদ্যুৎ-সিলিন্ডার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি। জনগন কি সবকিছু অকাতরে মেনে নেবে? পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেলে জনগন কি করবে ?’।

আপডেট : ১০:৪৪:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের টিকে থাকা কঠিন হবে : বাংলাদেশ ন্যাপ

আপডেট : ১০:৪৪:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৬

বিশেষ সংবাদদাতা।।

‘হঠাৎ করে কোন প্রকার পূর্ব ঘোষণা ছাড়া জ্বালানি তেলের মূল্য লিটার প্রতি ২০টাকা বৃদ্ধি সরকারী ঘোষণাকে আত্মঘাতী হিসাবে আখ্যায়িত করে অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবী জানিয়েছেন বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া। ’

তারা বলেন, ‘কোন প্রকার প্রস্তুতি ছাড়া যখন বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের মূল্যহ্রাস পেয়েছে ঠিক তখন জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত ছাড়া অন্য কিছুই নয়। এতে প্রমানিত হয় সরকারের জ্বালানি মন্ত্রনালয়ের সাথে বিশ্ববাজারের কোন সম্পর্ক নাই বা তারা বিশ্ববাজার সম্পর্কে কোন খোজখবরই রাখেন না। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে ইতোমধ্যে অর্থনীতি ও জনজীবনে মারাত্মক নেতিবাচত প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। ফণ্যপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি, কৃষিতে সেচ ব্যয় বৃদ্ধি, নিথ্যপণ্যের মূল্য আরো বৃদ্ধিসহ এই সিদ্ধান্ত জনজীবনে বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। যাতে মানুষের নাভিশ্বাস বন্ধ হবার উপক্রম হয়েছে।’

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ নেতৃদ্বয় উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

নেতৃদ্বয় বলেন, ‘সাধারণ মানুষের প্রকৃত আয় বৃদ্ধি পায় নাই বরং কমেছে। সাধারণ মানুষ সরাসরি জ্বালানি তেল না কিনলেও মূল্যবৃদ্ধির ফলে প্রতিদিন তাদের খরচ বৃদ্ধি পাবে। কারণ, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে কৃষিতে উৎপাদিত ফসলের খরচ, পরিবহন খরচ, য়াতায়াত খরচ, শিল্পে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাবে। আর এই বাড়তি খরচ সব সাধারণ মানুষের পেকেট থেকেই যাবে। যাদের পর্যাপ্ত টাকা আছে তাদের হয়তো অসুবিধা নাই। কিন্তু, সাধারণ মানুষ, স্বল্প আয়ের মানুষ ও কর্মহীন মানুষের কথা কি একবারও ভেবেছেন সরকার বাহাদুর ?’

আত্মঘাতী এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে আর্থিক খাতসহ অর্থনীীতর অন্যান্য থাকে সমন্বয় করা ও দুর্নীতি-লুটপাট-অপচয় বন্ধ করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, ‘দেশে মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশের বেশী। এসময়ে জ্বালানি তেলের মূল্য আবারো বৃদ্ধি করার ফলে মূল্যস্ফীতি আরও বৃদ্ধি পাবে বলে বিশেষজ্ঞরা আশংকা করছেন। সরকার অল্প কিছুদিন পূর্বেই জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করেছে। আবারো জ¦লানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি করলো। হয়তো গ্যাসের মূল্যও বৃদ্ধি করবে। এমন অবস্থায় সাধারণ মানুষের টিকে থাকা কঠিন হবে।’

নেতৃদ্বয় বলেন, ‘প্রতিদিনই বৃদ্ধি পাচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য। দৈনিন্দিন চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে সর্বস্তরের মানুষ। এরই মধ্যে সরকার জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে জনস্বার্থ বিরোধী অবস্থান গ্রহন করেছে। জনজীবনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। মূলত: সরকার ছলে বলে কৌশলে সাধারণ মানুষের আয়ের উপর গোপন হামলা চালাচ্ছে। জনগনের পরিশ্রমের অর্থ নানা কায়দায় হাতিয়ে নিচ্ছে। প্রত্যক্ষ করের পরিবর্তে পরোক্ষ করের বোঝাতো আছেই, সেই সঙ্গে যোগ হয়েছে তেল-বিদ্যুৎ-সিলিন্ডার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি। জনগন কি সবকিছু অকাতরে মেনে নেবে? পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেলে জনগন কি করবে ?’।