চুয়াডাঙ্গা ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দর্শনা সীমান্তে ৩৯টি সোনার বারসহ পাচারকারী আটক, জব্দ স্বর্ণের মূল্য ১৩ কোটি ৩২ লাখ টাকা

Padma Sangbad

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["default"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"addons":1,"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

৬৮

দৈনিক পদ্মা সংবাদ ডেস্ক:
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের বারসহ এক চোরাকারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তার কাছ থেকে ৩৯টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়, যার মোট ওজন ৬ কেজি ৯৬৮ গ্রাম। জব্দকৃত স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৩ কোটি ৩২ লাখ ৬৩ হাজার টাকা।
শনিবার (১ আগস্ট) সন্ধ্যায় চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সদস্যরা দর্শনা সীমান্তের বারাদি এলাকার ৭৮ নম্বর সীমান্ত পিলারের নিকট বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে রবিউল ইসলাম (৩৪) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা থানার পারকৃষ্ণপুর-মদনা ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে খবর পাওয়া যায় যে, দর্শনা সীমান্ত দিয়ে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ ভারতে পাচারের চেষ্টা চলছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির অধীনস্থ একটি টহল দল সীমান্তের ৭৮ নম্বর পিলারের নিকট অবস্থান নেয়।
সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ২০ মিনিটে একটি মোটরসাইকেলে করে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ওই এলাকায় পৌঁছালে বিজিবি সদস্যরা তাকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে তিনি স্বর্ণ বহনের কথা স্বীকার করেন। পরে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে তার দেহ তল্লাশি চালিয়ে টেপ দিয়ে মোড়ানো একটি প্যাকেট থেকে ৩৯টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত স্বর্ণ ডিজিটাল স্কেলে ওজন করে মোট ৬ কেজি ৯৬৮ গ্রাম পাওয়া যায়। জব্দকৃত স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ কোটি ৩২ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। এ ছাড়া পাচারের কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক ও অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সীমান্তে চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতা ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জব্দকৃত স্বর্ণের বার ও অন্যান্য আলামত যথাযথ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

আপডেট : ১১:১৮:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

দর্শনা সীমান্তে ৩৯টি সোনার বারসহ পাচারকারী আটক, জব্দ স্বর্ণের মূল্য ১৩ কোটি ৩২ লাখ টাকা

আপডেট : ১১:১৮:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
৬৮

দৈনিক পদ্মা সংবাদ ডেস্ক:
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের বারসহ এক চোরাকারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তার কাছ থেকে ৩৯টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়, যার মোট ওজন ৬ কেজি ৯৬৮ গ্রাম। জব্দকৃত স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৩ কোটি ৩২ লাখ ৬৩ হাজার টাকা।
শনিবার (১ আগস্ট) সন্ধ্যায় চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সদস্যরা দর্শনা সীমান্তের বারাদি এলাকার ৭৮ নম্বর সীমান্ত পিলারের নিকট বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে রবিউল ইসলাম (৩৪) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা থানার পারকৃষ্ণপুর-মদনা ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে খবর পাওয়া যায় যে, দর্শনা সীমান্ত দিয়ে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ ভারতে পাচারের চেষ্টা চলছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির অধীনস্থ একটি টহল দল সীমান্তের ৭৮ নম্বর পিলারের নিকট অবস্থান নেয়।
সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ২০ মিনিটে একটি মোটরসাইকেলে করে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ওই এলাকায় পৌঁছালে বিজিবি সদস্যরা তাকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে তিনি স্বর্ণ বহনের কথা স্বীকার করেন। পরে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে তার দেহ তল্লাশি চালিয়ে টেপ দিয়ে মোড়ানো একটি প্যাকেট থেকে ৩৯টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত স্বর্ণ ডিজিটাল স্কেলে ওজন করে মোট ৬ কেজি ৯৬৮ গ্রাম পাওয়া যায়। জব্দকৃত স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ কোটি ৩২ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। এ ছাড়া পাচারের কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক ও অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সীমান্তে চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতা ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জব্দকৃত স্বর্ণের বার ও অন্যান্য আলামত যথাযথ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।