চুয়াডাঙ্গা ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কবর রচনা করা হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

Padma Sangbad
১২

অনলাইন ডেস্ক।।
বর্তমান সরকারের স্বাবলম্বী ও সুদৃঢ় পররাষ্ট্রনীতির সুবাদে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়িয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে নওগাঁ-৩ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. ফজলে হুদার সম্পূরক প্রশ্নের জবাব এ কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বিগত ১৫ বছরের দুর্বল কূটনৈতিক অবস্থান থেকে বেরিয়ে এসে দেশের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কবর রচনা করা হয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর সফল ও সুদূরপ্রসারী পররাষ্ট্রনীতির বদৌলতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজস্ব মেরুদণ্ড সোজা করে এবং মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সামর্থ্য অর্জন করেছে। এই দিকনির্দেশনামূলক নেতৃত্বের ওপর ভিত্তি করেই দেশের পররাষ্ট্রনীতিকে আরও সুসংগঠিতভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া হবে।

বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোর পারফরম্যান্স এবং বৈদেশিক শ্রমবাজার সম্প্রসারণ বিষয়ে এক সংসদ সদস্যের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, বিদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধান, শ্রমিক রপ্তানি বাড়ানো কিংবা সর্বাধিক বাণিজ্য বিনিময়ে সফল মিশনগুলোর জন্য বর্তমানে কোনো বিশেষ ‘রিওয়ার্ড ব্যবস্থা’ বা পুরস্কার পদ্ধতি চালু আছে কি না তা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বিগত ১৫ বছর যে দুঃশাসন চলেছে, তাতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনগুলো কার্যত বাংলাদেশ সরকারের নিয়ন্ত্রণে ছিল না। সে সময় দূতাবাসগুলোর সার্বিক কার্যক্রম, প্রবাসীদের সেবা দেওয়া এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষার ব্যাপারে পূর্ববর্তী সরকারের কোনো আগ্রহ বা কার্যকর তদারকি দৃশ্যমান ছিল না। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর সেই স্থবির ও অকার্যকর অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে সমর্থ হয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি দূতাবাসের কাজের মান মূল্যায়নে সরকার ‘কী পারফরম্যান্স ইন্ডিকেটর’ (কেপিআই) ব্যবস্থা প্রস্তুত করছে। এই কেপিআই মূল্যায়নের ভিত্তিতেই ভবিষ্যতে প্রতিটি দূতাবাসের কাজের মান ও গ্রেডিং নির্ধারণ করা হবে।

আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, আগামী জাতীয় বাজেট পেশের সময় প্রতিটি দূতাবাসের সাফল্য, ব্যর্থতা ও কাজের হালনাগাদ তথ্য সংসদ সদস্যদের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হবে। কারণ এ সকল তথ্য জানার পূর্ণ অধিকার সংসদ সদস্যদের রয়েছে।

আপডেট : ০২:৪৪:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কবর রচনা করা হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট : ০২:৪৪:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
১২

অনলাইন ডেস্ক।।
বর্তমান সরকারের স্বাবলম্বী ও সুদৃঢ় পররাষ্ট্রনীতির সুবাদে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়িয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে নওগাঁ-৩ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. ফজলে হুদার সম্পূরক প্রশ্নের জবাব এ কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বিগত ১৫ বছরের দুর্বল কূটনৈতিক অবস্থান থেকে বেরিয়ে এসে দেশের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কবর রচনা করা হয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর সফল ও সুদূরপ্রসারী পররাষ্ট্রনীতির বদৌলতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজস্ব মেরুদণ্ড সোজা করে এবং মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সামর্থ্য অর্জন করেছে। এই দিকনির্দেশনামূলক নেতৃত্বের ওপর ভিত্তি করেই দেশের পররাষ্ট্রনীতিকে আরও সুসংগঠিতভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া হবে।

বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোর পারফরম্যান্স এবং বৈদেশিক শ্রমবাজার সম্প্রসারণ বিষয়ে এক সংসদ সদস্যের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, বিদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধান, শ্রমিক রপ্তানি বাড়ানো কিংবা সর্বাধিক বাণিজ্য বিনিময়ে সফল মিশনগুলোর জন্য বর্তমানে কোনো বিশেষ ‘রিওয়ার্ড ব্যবস্থা’ বা পুরস্কার পদ্ধতি চালু আছে কি না তা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বিগত ১৫ বছর যে দুঃশাসন চলেছে, তাতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনগুলো কার্যত বাংলাদেশ সরকারের নিয়ন্ত্রণে ছিল না। সে সময় দূতাবাসগুলোর সার্বিক কার্যক্রম, প্রবাসীদের সেবা দেওয়া এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষার ব্যাপারে পূর্ববর্তী সরকারের কোনো আগ্রহ বা কার্যকর তদারকি দৃশ্যমান ছিল না। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর সেই স্থবির ও অকার্যকর অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে সমর্থ হয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি দূতাবাসের কাজের মান মূল্যায়নে সরকার ‘কী পারফরম্যান্স ইন্ডিকেটর’ (কেপিআই) ব্যবস্থা প্রস্তুত করছে। এই কেপিআই মূল্যায়নের ভিত্তিতেই ভবিষ্যতে প্রতিটি দূতাবাসের কাজের মান ও গ্রেডিং নির্ধারণ করা হবে।

আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, আগামী জাতীয় বাজেট পেশের সময় প্রতিটি দূতাবাসের সাফল্য, ব্যর্থতা ও কাজের হালনাগাদ তথ্য সংসদ সদস্যদের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হবে। কারণ এ সকল তথ্য জানার পূর্ণ অধিকার সংসদ সদস্যদের রয়েছে।