চুয়াডাঙ্গা ১০:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাগলা মসজিদের ১১ দানবাক্সে কত টাকা ছিল, জানা গেল

Padma Sangbad
৩৭

কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে ৮ কোটি ২১ লাখ ৩৪ হাজার ৩০৪ টাকা পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ২ কেজি স্বর্ণ বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া যায়।

কিশোরগঞ্জ শহরের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া নরসুন্দা নদীর কূল ঘেঁষে অবস্থিত ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ১১টি লোহার দানবাক্স আজ শনিবার সকাল ৭টায় খোলা হয়। ৩ মাস ১৪ দিন পর খোলা দান বাক্স থেকে পাওয়া যায় ২৯ বস্তা টাকা, বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার।

মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য, মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ চার শতাধিক মানুষ ওই ২৯ বস্তা টাকা গণনার কাজে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশ নেন। এবার তিন মাস পেরিয়ে যাওয়ায় ১০টি লোহার সিন্দুকের সঙ্গে আরও একটি বাড়িয়ে ১১টি দান বাক্স করা হয়।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মিজাবে রহমত এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান বলেন, টাকা গণনার কাজে জেলা প্রশাসনের ১২ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ১০ সেনাসদস্য, ১৭ পুলিশ সদস্য, ৯ আনসার সদস্য, মাদ্রাসার ২৮২ শিক্ষার্থী, ৩৬ শিক্ষক ও স্টাফ, রূপালী ব্যাংকের ৭৫ কর্মকর্তা ও কর্মচারী অংশগ্রহণ করেছিলেন।

আপডেট : ১০:৫৬:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৪

পাগলা মসজিদের ১১ দানবাক্সে কত টাকা ছিল, জানা গেল

আপডেট : ১০:৫৬:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৪
৩৭

কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে ৮ কোটি ২১ লাখ ৩৪ হাজার ৩০৪ টাকা পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ২ কেজি স্বর্ণ বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া যায়।

কিশোরগঞ্জ শহরের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া নরসুন্দা নদীর কূল ঘেঁষে অবস্থিত ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ১১টি লোহার দানবাক্স আজ শনিবার সকাল ৭টায় খোলা হয়। ৩ মাস ১৪ দিন পর খোলা দান বাক্স থেকে পাওয়া যায় ২৯ বস্তা টাকা, বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার।

মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য, মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ চার শতাধিক মানুষ ওই ২৯ বস্তা টাকা গণনার কাজে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশ নেন। এবার তিন মাস পেরিয়ে যাওয়ায় ১০টি লোহার সিন্দুকের সঙ্গে আরও একটি বাড়িয়ে ১১টি দান বাক্স করা হয়।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মিজাবে রহমত এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান বলেন, টাকা গণনার কাজে জেলা প্রশাসনের ১২ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ১০ সেনাসদস্য, ১৭ পুলিশ সদস্য, ৯ আনসার সদস্য, মাদ্রাসার ২৮২ শিক্ষার্থী, ৩৬ শিক্ষক ও স্টাফ, রূপালী ব্যাংকের ৭৫ কর্মকর্তা ও কর্মচারী অংশগ্রহণ করেছিলেন।