চুয়াডাঙ্গা ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদা পারভীন লাইফ সাপোর্টে

Padma Sangbad
৪১

বিনোদন ডেস্ক।।
দেশের বরেণ্য লালন সংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন বর্তমানে রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে আছেন। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।

ফরিদা পারভীনের বড় ছেলে ইমাম জাফর নোমানী বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ৩৮ মিনিটে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে মায়ের সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানান।
তিনি লিখেছেন— সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, আম্মাকে গত বুধবার বিকাল থেকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়েছে। স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে এবং ব্লাডপ্রেসার নেই। ডাক্তাররা সর্বোচ্চ মাত্রার ওষুধ দিয়ে কৃত্রিমভাবে ব্লাড প্রেসার ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে এবং মেশিনের মাধ্যমে ফুসফুস চালানো হচ্ছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই পরিস্থিতিতে শারীরিক অবস্থার উন্নতির আর তেমন কোনো আশা নেই। তবে চিকিৎসকদের পরামর্শে ভেন্টিলেশনের মাধ্যমে লাইফ সাপোর্ট চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

নোমানী জানিয়েছেন, সরকারের একাধিক মন্ত্রণালয় তাদের পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছে।
তিনি আবারও পরিষ্কার করে বলেন, আম্মার চিকিৎসার জন্য আর্থিক বা অন্য কোনো সহযোগিতার প্রয়োজন নেই। সবাই শুধু আম্মার জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ পাক তাঁর এই শেষ সময়কে সহজ ও শান্তিময় করুন।

১৯৬৮ সালে রাজশাহী বেতারের তালিকাভুক্ত শিল্পী হিসেবে নজরুলসংগীত গেয়ে সংগীতাঙ্গনে পথচলা শুরু করেন ফরিদা পারভীন।
১৯৭৩ সালে দেশাত্মবোধক গান গেয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান তিনি।
পরে সাধক মোকসেদ আলী শাহের কাছে লালনসংগীতে তালিম নেন এবং ধীরে ধীরে হয়ে ওঠেন লালনগীতির জীবন্ত কিংবদন্তি।
বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে লালনগীতি প্রচার ও জনপ্রিয়করণে তার অবদান অনন্য।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসংখ্য ভক্ত ও সাংস্কৃতিক কর্মী ফরিদা পারভীনের সুস্থতা কামনা করে দোয়া ও শুভকামনা জানাচ্ছেন। অনেকে তাকে ‘বাংলার লালনকন্যা’ আখ্যা দিয়ে তার অবদান স্মরণ করছেন।

আপডেট : ১২:৩৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ফরিদা পারভীন লাইফ সাপোর্টে

আপডেট : ১২:৩৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৪১

বিনোদন ডেস্ক।।
দেশের বরেণ্য লালন সংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন বর্তমানে রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে আছেন। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।

ফরিদা পারভীনের বড় ছেলে ইমাম জাফর নোমানী বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ৩৮ মিনিটে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে মায়ের সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানান।
তিনি লিখেছেন— সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, আম্মাকে গত বুধবার বিকাল থেকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়েছে। স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে এবং ব্লাডপ্রেসার নেই। ডাক্তাররা সর্বোচ্চ মাত্রার ওষুধ দিয়ে কৃত্রিমভাবে ব্লাড প্রেসার ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে এবং মেশিনের মাধ্যমে ফুসফুস চালানো হচ্ছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই পরিস্থিতিতে শারীরিক অবস্থার উন্নতির আর তেমন কোনো আশা নেই। তবে চিকিৎসকদের পরামর্শে ভেন্টিলেশনের মাধ্যমে লাইফ সাপোর্ট চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

নোমানী জানিয়েছেন, সরকারের একাধিক মন্ত্রণালয় তাদের পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছে।
তিনি আবারও পরিষ্কার করে বলেন, আম্মার চিকিৎসার জন্য আর্থিক বা অন্য কোনো সহযোগিতার প্রয়োজন নেই। সবাই শুধু আম্মার জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ পাক তাঁর এই শেষ সময়কে সহজ ও শান্তিময় করুন।

১৯৬৮ সালে রাজশাহী বেতারের তালিকাভুক্ত শিল্পী হিসেবে নজরুলসংগীত গেয়ে সংগীতাঙ্গনে পথচলা শুরু করেন ফরিদা পারভীন।
১৯৭৩ সালে দেশাত্মবোধক গান গেয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান তিনি।
পরে সাধক মোকসেদ আলী শাহের কাছে লালনসংগীতে তালিম নেন এবং ধীরে ধীরে হয়ে ওঠেন লালনগীতির জীবন্ত কিংবদন্তি।
বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে লালনগীতি প্রচার ও জনপ্রিয়করণে তার অবদান অনন্য।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসংখ্য ভক্ত ও সাংস্কৃতিক কর্মী ফরিদা পারভীনের সুস্থতা কামনা করে দোয়া ও শুভকামনা জানাচ্ছেন। অনেকে তাকে ‘বাংলার লালনকন্যা’ আখ্যা দিয়ে তার অবদান স্মরণ করছেন।