চুয়াডাঙ্গা ০৩:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্যাংকঋণে ভর করে নতুন অর্থবছর শুরু

Padma Sangbad
১১

জিয়াদুল ইসলাম।।

নতুন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই সরকারের বাজেট ঘাটতি অর্থায়নের চাহিদা মেটাতে ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে সরকারের নিট ঋণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা। এ সময়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকার নিট ঋণ নেওয়া হয়েছে। বিপরীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নতুন করে ঋণ নেওয়ার পরিবর্তে আগের ঋণের প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। ফলে সরকারের ব্যাংকঋণের পুরো চাপই মূলত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ওপর পড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

চলতি অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নিট ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এটি বাজেটের মোট ঘাটতির প্রায় ৪৬ শতাংশ এবং গত অর্থবছরের মূল বাজেটের চেয়ে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা বেশি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, অর্থবছরের শুরুতে সরকারের আয় কম থাকে। কিন্তু ব্যয়ের খাত বন্ধ থাকে না। ফলে এ সময়ে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকেই ঋণ নিয়ে সেটা মেটানো হয়। তবে এবার ব্যাংক ঋণের চাহিদা লক্ষ্যমাত্রার মধ্যেই রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, চলতি অর্থবছরের ১ থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে সরকারের নিট ঋণ দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৯৫৩ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। আগের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে সরকারের নিট ঋণ ছিল ৩ হাজার ৮৮ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। অর্থাৎ গত অর্থবছরের তুলনায় নতুন অর্থবছরের প্রথম মাসে ব্যাংকঋণ বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, জুলাই মাসের প্রথম ১৫ দিনে ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে সরকারের নিট ঋণ ছিল ৩ হাজার ৯৯০ কোটি ২০ লাখ টাকা। মাসের শেষ ১৬ দিনে তা বেড়ে ৬ হাজার ৯৫৩ কোটি ৭৪ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। অর্থাৎ ১৬ থেকে ৩১ জুলাই সময়ে সরকার ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে নিট আরও ২ হাজার ৯৬৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছে। সব মিলিয়ে ৩১ জুলাই শেষে ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে সরকারের নেওয়া ঋণের মোট স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯২ হাজার ৪৩০ কোটি ৭ লাখ টাকা। এক বছর আগে এ স্থিতি ছিল ৫ লাখ ৪৯ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নিট ঋণ ঋণাত্মক : জুলাইয়ের পুরো মাসের হিসাবে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরকারের নিট ঋণ ঋণাত্মক অবস্থানে গেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নতুন করে নিট ঋণ নেওয়ার পরিবর্তে সরকার ১ হাজার ৫৪৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা নিট পরিশোধ করেছে। যদিও প্রথম ১৫ দিনে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরকারের নিট ঋণ ছিল ৫২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। অন্যদিকে গত অর্থবছরের প্রথম মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরকারের নিট ঋণ ছিল ৭ হাজার ৪৩৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে গত ৩১ জুলাই শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে সরকারের নিট ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৯২ হাজার ৫০৬ কোটি ২০ লাখ টাকা। এক বছর আগে ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত এ স্থিতি ছিল ৯৯ হাজার ৪৮৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।

বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা : কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নিট ঋণ কমলেও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ওপর সরকারের নির্ভরতা বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে তফসিলি বাণিজ্যিক ব্যাংক বা ডিএমবিএস থেকে সরকারের নিট ঋণ দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৪৯৯ কোটি ৩২ লাখ টাকা। এর মধ্যে জুলাই মাসের প্রথম ১৫ দিনে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে সরকারের নেওয়া ঋণের পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৯৩৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। আর ১৬ থেকে ৩১ জুলাই সময়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে নেওয়া হয় ৪ হাজার ৫৬১ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। অথচ গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাসে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে নতুন করে ঋণ নেওয়ার পরিবর্তে সরকার নিট ৪ হাজার ৩৪৯ কোটি টাকা পরিশোধ করেছিল। সবমিলে গত ৩১ জুলাই শেষে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে সরকারের নিট ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৯৯ হাজার ৯২৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। এক বছর আগে একই সময়ে এ স্থিতি ছিল ৪ লাখ ৫০ হাজার ৪৬১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।

বিদায়ী অর্থবছরেও রেকর্ড ঋণ : রাজস্ব আহরণে বড় ধরনের ঘাটতি, সরকারি ব্যয়ের চাপ এবং বিকল্প উৎস থেকে পর্যাপ্ত অর্থ সংগ্রহে ব্যর্থতার কারণে সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর নজিরবিহীনভাবে নির্ভর করেছে সরকার। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, বিদায়ী অর্থবছরে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের নেওয়া নিট ঋণের প্রকৃত পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা। এর আগে কোনো অর্থবছরেই ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণগ্রহণ এত বেশি ছিল না। এই ঋণ সরকারের নির্ধারিত মূল বাজেট ও সংশোধিত বাজেট— উভয় লক্ষ্যমাত্রাকেই ছাড়িয়ে গেছে। মূল বাজেটে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। পরে রাজস্ব আদায়ে বড় ঘাটতি দেখা দেওয়ায় সংশোধিত বাজেটে তা বাড়িয়ে ১ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা করা হয়।

আপডেট : ০৯:৩৩:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্যাংকঋণে ভর করে নতুন অর্থবছর শুরু

আপডেট : ০৯:৩৩:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১১

জিয়াদুল ইসলাম।।

নতুন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই সরকারের বাজেট ঘাটতি অর্থায়নের চাহিদা মেটাতে ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে সরকারের নিট ঋণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা। এ সময়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকার নিট ঋণ নেওয়া হয়েছে। বিপরীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নতুন করে ঋণ নেওয়ার পরিবর্তে আগের ঋণের প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। ফলে সরকারের ব্যাংকঋণের পুরো চাপই মূলত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ওপর পড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

চলতি অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নিট ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এটি বাজেটের মোট ঘাটতির প্রায় ৪৬ শতাংশ এবং গত অর্থবছরের মূল বাজেটের চেয়ে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা বেশি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, অর্থবছরের শুরুতে সরকারের আয় কম থাকে। কিন্তু ব্যয়ের খাত বন্ধ থাকে না। ফলে এ সময়ে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকেই ঋণ নিয়ে সেটা মেটানো হয়। তবে এবার ব্যাংক ঋণের চাহিদা লক্ষ্যমাত্রার মধ্যেই রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, চলতি অর্থবছরের ১ থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে সরকারের নিট ঋণ দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৯৫৩ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। আগের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে সরকারের নিট ঋণ ছিল ৩ হাজার ৮৮ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। অর্থাৎ গত অর্থবছরের তুলনায় নতুন অর্থবছরের প্রথম মাসে ব্যাংকঋণ বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, জুলাই মাসের প্রথম ১৫ দিনে ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে সরকারের নিট ঋণ ছিল ৩ হাজার ৯৯০ কোটি ২০ লাখ টাকা। মাসের শেষ ১৬ দিনে তা বেড়ে ৬ হাজার ৯৫৩ কোটি ৭৪ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। অর্থাৎ ১৬ থেকে ৩১ জুলাই সময়ে সরকার ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে নিট আরও ২ হাজার ৯৬৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছে। সব মিলিয়ে ৩১ জুলাই শেষে ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে সরকারের নেওয়া ঋণের মোট স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯২ হাজার ৪৩০ কোটি ৭ লাখ টাকা। এক বছর আগে এ স্থিতি ছিল ৫ লাখ ৪৯ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নিট ঋণ ঋণাত্মক : জুলাইয়ের পুরো মাসের হিসাবে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরকারের নিট ঋণ ঋণাত্মক অবস্থানে গেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নতুন করে নিট ঋণ নেওয়ার পরিবর্তে সরকার ১ হাজার ৫৪৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা নিট পরিশোধ করেছে। যদিও প্রথম ১৫ দিনে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরকারের নিট ঋণ ছিল ৫২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। অন্যদিকে গত অর্থবছরের প্রথম মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরকারের নিট ঋণ ছিল ৭ হাজার ৪৩৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে গত ৩১ জুলাই শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে সরকারের নিট ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৯২ হাজার ৫০৬ কোটি ২০ লাখ টাকা। এক বছর আগে ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত এ স্থিতি ছিল ৯৯ হাজার ৪৮৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।

বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা : কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নিট ঋণ কমলেও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ওপর সরকারের নির্ভরতা বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে তফসিলি বাণিজ্যিক ব্যাংক বা ডিএমবিএস থেকে সরকারের নিট ঋণ দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৪৯৯ কোটি ৩২ লাখ টাকা। এর মধ্যে জুলাই মাসের প্রথম ১৫ দিনে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে সরকারের নেওয়া ঋণের পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৯৩৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। আর ১৬ থেকে ৩১ জুলাই সময়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে নেওয়া হয় ৪ হাজার ৫৬১ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। অথচ গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাসে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে নতুন করে ঋণ নেওয়ার পরিবর্তে সরকার নিট ৪ হাজার ৩৪৯ কোটি টাকা পরিশোধ করেছিল। সবমিলে গত ৩১ জুলাই শেষে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে সরকারের নিট ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৯৯ হাজার ৯২৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। এক বছর আগে একই সময়ে এ স্থিতি ছিল ৪ লাখ ৫০ হাজার ৪৬১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।

বিদায়ী অর্থবছরেও রেকর্ড ঋণ : রাজস্ব আহরণে বড় ধরনের ঘাটতি, সরকারি ব্যয়ের চাপ এবং বিকল্প উৎস থেকে পর্যাপ্ত অর্থ সংগ্রহে ব্যর্থতার কারণে সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর নজিরবিহীনভাবে নির্ভর করেছে সরকার। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, বিদায়ী অর্থবছরে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের নেওয়া নিট ঋণের প্রকৃত পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা। এর আগে কোনো অর্থবছরেই ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণগ্রহণ এত বেশি ছিল না। এই ঋণ সরকারের নির্ধারিত মূল বাজেট ও সংশোধিত বাজেট— উভয় লক্ষ্যমাত্রাকেই ছাড়িয়ে গেছে। মূল বাজেটে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। পরে রাজস্ব আদায়ে বড় ঘাটতি দেখা দেওয়ায় সংশোধিত বাজেটে তা বাড়িয়ে ১ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা করা হয়।