চুয়াডাঙ্গা ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে ৭ লাখ টন তেল আমদানির অনুমোদন

Padma Sangbad
১১

দৈনিক পদ্মা সংবাদ নিজস্ব ডেস্ক।। দেশে জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত ও জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করতে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত অতিরিক্ত প্রায় ৭ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানির নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিইএ)।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সিসিইএর ২৯তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

সভায় অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রচলিত সরকারি পর্যায়ে সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) ব্যবস্থায় ৬ লাখ ৯৫ হাজার টন গ্যাস ওয়েল ও জেট ফুয়েল আমদানি করা হবে।

সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত এই জ্বালানি আমদানির পরিমাণ ২০২৬ সালের মূল বরাদ্দের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি।

পরিবহন, শিল্প ও বিমান চলাচল খাতে বাড়তি জ্বালানি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বছরের শেষ চার মাসে পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করতেই অতিরিক্ত জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আপডেট : ১২:০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে ৭ লাখ টন তেল আমদানির অনুমোদন

আপডেট : ১২:০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১১

দৈনিক পদ্মা সংবাদ নিজস্ব ডেস্ক।। দেশে জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত ও জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করতে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত অতিরিক্ত প্রায় ৭ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানির নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিইএ)।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সিসিইএর ২৯তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

সভায় অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রচলিত সরকারি পর্যায়ে সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) ব্যবস্থায় ৬ লাখ ৯৫ হাজার টন গ্যাস ওয়েল ও জেট ফুয়েল আমদানি করা হবে।

সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত এই জ্বালানি আমদানির পরিমাণ ২০২৬ সালের মূল বরাদ্দের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি।

পরিবহন, শিল্প ও বিমান চলাচল খাতে বাড়তি জ্বালানি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বছরের শেষ চার মাসে পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করতেই অতিরিক্ত জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।