চুয়াডাঙ্গা ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিটার গ্রাহকের, ভাড়া নেয় পল্লী বিদ্যুৎ: জনমনে ক্ষোভ ও প্রশ্ন

Padma Sangbad

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

১৪৪

আজিজুল ইসলাম।

চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী শিল্পনগরীখ্যাত দর্শনায় ২০০৩ সালে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কাছ থেকে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার দায়িত্ব মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুতের হাতে হস্তান্তর করা হয়। এরপর থেকেই প্রতিটি বিদ্যুৎ সংযোগের বিপরীতে গ্রাহকদের বিলের সঙ্গে মাসিক ১০ টাকা করে মিটার ভাড়া আদায় শুরু হয়।
পরবর্তীতে ২০০৬ সালের জানুয়ারি মাসে চাপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার আলোচিত কানসাট আন্দোলনের পর মিটার ভাড়া আদায় সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়কাল, অর্থাৎ ২০০৯ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত এই আদায় বন্ধ ছিল। কিন্তু একই বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসার পর পুনরায় সংযোগপ্রতি ১০ টাকা হারে মিটার ভাড়া আদায় শুরু হয়, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন :ইরান যুদ্ধের প্রভাব : ২০২২ সালের পর এশিয়ায় তেলের দামে সর্বোচ্চ উল্লম্ফন

জানা গেছে, মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুতের দর্শনা সাব-স্টেশনের আওতায় প্রায় ৪০ হাজার গ্রাহক রয়েছে। সে হিসাবে প্রতি মাসে মিটার ভাড়া বাবদ আদায় করা হয়—
৪০,০০০ × ১০ = ৪,০০,০০০ টাকা (চার লাখ টাকা)
আর বছরে এই অঙ্ক দাঁড়ায় প্রায় অর্ধকোটি টাকা।
এ নিয়ে স্থানীয় গ্রাহকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। জনমনে প্রশ্ন উঠেছে—
মিটার কেনা হয় গ্রাহকের নিজস্ব টাকায়, মিটারের মালিকও গ্রাহক, মিটার স্থাপন থাকে গ্রাহকের ঘরে, রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বও গ্রাহকের। এমনকি মিটার চুরি, নষ্ট বা পরিবর্তনের প্রয়োজন হলেও গ্রাহককেই নিজের অর্থ ব্যয় করতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে মিটার রিপ্লেসমেন্টের জন্যও অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয় সংশ্লিষ্টদের।

আরও পড়ুন :‘ভদ্র’ থাকতে চান না ট্রাম্প, ইরানেরও লক্ষ্য স্থির জাহিদুল ইসলাম জন

তাহলে প্রশ্ন হলো—
গ্রাহকের টাকায় কেনা মিটারের জন্য পল্লী বিদ্যুৎ কেন ভাড়া নেবে?
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন গ্রাহকরা।

আপডেট : ০১:৩০:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

মিটার গ্রাহকের, ভাড়া নেয় পল্লী বিদ্যুৎ: জনমনে ক্ষোভ ও প্রশ্ন

আপডেট : ০১:৩০:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
১৪৪

আজিজুল ইসলাম।

চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী শিল্পনগরীখ্যাত দর্শনায় ২০০৩ সালে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কাছ থেকে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার দায়িত্ব মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুতের হাতে হস্তান্তর করা হয়। এরপর থেকেই প্রতিটি বিদ্যুৎ সংযোগের বিপরীতে গ্রাহকদের বিলের সঙ্গে মাসিক ১০ টাকা করে মিটার ভাড়া আদায় শুরু হয়।
পরবর্তীতে ২০০৬ সালের জানুয়ারি মাসে চাপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার আলোচিত কানসাট আন্দোলনের পর মিটার ভাড়া আদায় সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়কাল, অর্থাৎ ২০০৯ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত এই আদায় বন্ধ ছিল। কিন্তু একই বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসার পর পুনরায় সংযোগপ্রতি ১০ টাকা হারে মিটার ভাড়া আদায় শুরু হয়, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন :ইরান যুদ্ধের প্রভাব : ২০২২ সালের পর এশিয়ায় তেলের দামে সর্বোচ্চ উল্লম্ফন

জানা গেছে, মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুতের দর্শনা সাব-স্টেশনের আওতায় প্রায় ৪০ হাজার গ্রাহক রয়েছে। সে হিসাবে প্রতি মাসে মিটার ভাড়া বাবদ আদায় করা হয়—
৪০,০০০ × ১০ = ৪,০০,০০০ টাকা (চার লাখ টাকা)
আর বছরে এই অঙ্ক দাঁড়ায় প্রায় অর্ধকোটি টাকা।
এ নিয়ে স্থানীয় গ্রাহকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। জনমনে প্রশ্ন উঠেছে—
মিটার কেনা হয় গ্রাহকের নিজস্ব টাকায়, মিটারের মালিকও গ্রাহক, মিটার স্থাপন থাকে গ্রাহকের ঘরে, রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বও গ্রাহকের। এমনকি মিটার চুরি, নষ্ট বা পরিবর্তনের প্রয়োজন হলেও গ্রাহককেই নিজের অর্থ ব্যয় করতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে মিটার রিপ্লেসমেন্টের জন্যও অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয় সংশ্লিষ্টদের।

আরও পড়ুন :‘ভদ্র’ থাকতে চান না ট্রাম্প, ইরানেরও লক্ষ্য স্থির জাহিদুল ইসলাম জন

তাহলে প্রশ্ন হলো—
গ্রাহকের টাকায় কেনা মিটারের জন্য পল্লী বিদ্যুৎ কেন ভাড়া নেবে?
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন গ্রাহকরা।