চুয়াডাঙ্গা ১২:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজধানীতে পোশাকশ্রমিক আন্দোলন, তিন মামলায় ২৬ জন কারাগারে

Padma Sangbad
৮

অনলাইন ডেস্ক।।

রাজধানীর মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরির দাবির আন্দোলন ঘিরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় তিন মামলায় ২৬ জন কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

কারাগারে পাঠানো আসামিদের মধ্যে পল্লবী থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের এক মামলায় ১৩ জন, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের এক মামলায় ৭ জন ও মিরপুর মডেল থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ছয়জন।

আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন পল্লবী থানার মামলার আসামিদের এবং আরেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম মিরপুর মডেল থানার মামলার আসামিদের কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন অলিউল্লাহ অনিক, মো. কামাল গাজী, আলিফ হোসেন ইমন, রমজান সরকার, মো. মহিম মোল্লা, জুবায়ের ইসলাম জিসান, মো. আরিফ আকন্দ, মোয়াজ্জেম শাহরিয়ার নিয়াজ, মো. আরিফ, মো. নাহিদ হাসান, মাহবুব রহমান জুয়েল, শামীম, মো. সুমন গাজী, মো. ইউসুফ আলী, রবিন চন্দ্র দাস, মো. জামাল সরকার, মো. তারেক হোসেন, মো. ইমরান হোসেন, মো. আব্দুল কাসেম, মো. নঈম উদ্দিন, কাওসার আহমেদ, মো. রফিক গাজী, মো. ইসমাইল, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. সজীব শেখ ও মো. খোরশেদ আলম।

পল্লবী থানার পৃথক দুই মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গতকাল রোববার পল্লবী থানার মিরপুর-১২ এলাকায় শ্রমিকদের আন্দোলন চলাকালে একদল লোক পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এসময় মিরপুর-১২ এলাকায় প্রায় দুই থেকে আড়াই হাজার ব্যক্তি জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরবর্তীতে তারা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পুলিশের একটি সরকারি পিকআপে আগুন লাগিয়ে দেন। ঘটনাস্থল থেকে ককটেলের বিস্ফোরিত অংশ ও পেট্রলভর্তি দুটি প্লাস্টিকের বোতল জব্দ করা হয়। তাদের মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ছিলেন বলে পুলিশের অভিযোগ।

মিরপুর মডেল থানার মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, রোববার সকাল ৮টার দিকে মিরপুর-১০ গোলচত্বরে অন্তত চারটি পোশাক কারখানাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার প্রায় তিন থেকে চার হাজার শ্রমিক জড়ো হন। তাদের সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও ছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। শ্রমিকেরা মাসিক ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছিলেন। তাদের বেতনসংক্রান্ত বিষয়ে মজুরি বোর্ড গঠনের কথা জানিয়ে কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

একপর্যায়ে আন্দোলনকারীদের একটি অংশ পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। পরে মিরপুর-১০ এলাকার ট্রাফিক পুলিশ বক্স ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। এ সময় ইটপাটকেলের আঘাতে দায়িত্ব পালনরত নারী পুলিশ সদস্য সামিয়া আহত হন।

আপডেট : ১০:৪৯:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

রাজধানীতে পোশাকশ্রমিক আন্দোলন, তিন মামলায় ২৬ জন কারাগারে

আপডেট : ১০:৪৯:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
৮

অনলাইন ডেস্ক।।

রাজধানীর মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরির দাবির আন্দোলন ঘিরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় তিন মামলায় ২৬ জন কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

কারাগারে পাঠানো আসামিদের মধ্যে পল্লবী থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের এক মামলায় ১৩ জন, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের এক মামলায় ৭ জন ও মিরপুর মডেল থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ছয়জন।

আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন পল্লবী থানার মামলার আসামিদের এবং আরেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম মিরপুর মডেল থানার মামলার আসামিদের কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন অলিউল্লাহ অনিক, মো. কামাল গাজী, আলিফ হোসেন ইমন, রমজান সরকার, মো. মহিম মোল্লা, জুবায়ের ইসলাম জিসান, মো. আরিফ আকন্দ, মোয়াজ্জেম শাহরিয়ার নিয়াজ, মো. আরিফ, মো. নাহিদ হাসান, মাহবুব রহমান জুয়েল, শামীম, মো. সুমন গাজী, মো. ইউসুফ আলী, রবিন চন্দ্র দাস, মো. জামাল সরকার, মো. তারেক হোসেন, মো. ইমরান হোসেন, মো. আব্দুল কাসেম, মো. নঈম উদ্দিন, কাওসার আহমেদ, মো. রফিক গাজী, মো. ইসমাইল, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. সজীব শেখ ও মো. খোরশেদ আলম।

পল্লবী থানার পৃথক দুই মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গতকাল রোববার পল্লবী থানার মিরপুর-১২ এলাকায় শ্রমিকদের আন্দোলন চলাকালে একদল লোক পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এসময় মিরপুর-১২ এলাকায় প্রায় দুই থেকে আড়াই হাজার ব্যক্তি জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরবর্তীতে তারা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পুলিশের একটি সরকারি পিকআপে আগুন লাগিয়ে দেন। ঘটনাস্থল থেকে ককটেলের বিস্ফোরিত অংশ ও পেট্রলভর্তি দুটি প্লাস্টিকের বোতল জব্দ করা হয়। তাদের মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ছিলেন বলে পুলিশের অভিযোগ।

মিরপুর মডেল থানার মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, রোববার সকাল ৮টার দিকে মিরপুর-১০ গোলচত্বরে অন্তত চারটি পোশাক কারখানাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার প্রায় তিন থেকে চার হাজার শ্রমিক জড়ো হন। তাদের সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও ছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। শ্রমিকেরা মাসিক ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছিলেন। তাদের বেতনসংক্রান্ত বিষয়ে মজুরি বোর্ড গঠনের কথা জানিয়ে কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

একপর্যায়ে আন্দোলনকারীদের একটি অংশ পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। পরে মিরপুর-১০ এলাকার ট্রাফিক পুলিশ বক্স ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। এ সময় ইটপাটকেলের আঘাতে দায়িত্ব পালনরত নারী পুলিশ সদস্য সামিয়া আহত হন।