চুয়াডাঙ্গা ১২:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৭০ বছরে বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন সাবেক কলেজশিক্ষক

Padma Sangbad
৮৩

৭০ বছর বয়সে এসে বিয়ে করলেন বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার জিগিরমোল্লা গ্রামের আলহাজ হাওলাদার শওকত আলী। তবে পাত্রীর বয়স মাত্র ৩৫ বছর। ওই পাত্রীর নাম শাহেদা বেগম। গত শনিবার তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান হয়।

১০ লাখ ১ টাকা দেনমোহরানায় নগদ ৫ লাখ টাকা উশুলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও দুই পরিবারের লোকজনের উপস্থিতিতে এ বিয়ে হয়।

বরের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শওকত আলী দীর্ঘদিন ধরে বাগেরহাটের রামপাল সরকারি কলেজে শিক্ষকতা করতেন। অবসরে আসার পর তিনি একাকিত্ব বোধ করতেন। একসময় পরিবারের হাল ধরতে এবং ভাইবোনদের মানুষ করতে গিয়ে সংসার করা হয়ে ওঠেনি তার। জীবনের মহামূল্যবান সময় তিনি শিক্ষকতা, ভাইবোন ও সমাজসেবায় ব্যয় করেছেন। তাকে বিয়ের কথা বলা হলেও তিনি কখনো বিয়ে করতে রাজি হচ্ছিলেন না। তিনি সারা জীবন চিরকুমার থাকবেন বলে জানাতেন।

শওকত আলীর ভাই আবদুল হালিম খোকন বলেন, ‘তিনি আমাদের বড় ভাই, আমরা তার কাছে মানুষ হয়েছি, সারাটা জীবন তিনি আমাদের সুখে–দুখে বটবৃক্ষের মতো আগলে রেখেছেন। বর্তমানে আমরা নিজেদের কর্ম এবং ব্যবসার কাজে ব্যস্ত থাকি। ফলে আমাদের বড় ভাই অবসরে আসার পর অনেকটা একাকিত্ব বোধ করছিলেন। তার এই একাকিত্ব দূর করতে ও তাকে দেখভাল করতে এসময় একজন সঙ্গিনী খুবই দরকার হয়ে পড়ে। তাই আমরা তাকে বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করলে তিনি একপর্যায়ে রাজি হন। পরে মোংলা উপজেলার মিঠাখালী ইউনিয়নের এক কন্যাসন্তানের জননী (বিধবা) শাহেদা বেগমের (৩৫) সঙ্গে সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিবাহ সম্পন্ন করি।’

আবদুল হালিম আরও বলেন, কনের আগের সংসারের মেয়েটির দায়িত্ব তার ভাই আলহাজ শওকত আলী নিয়েছেন। নবদম্পতি বর্তমানে সুখে–শান্তিতে সংসার করছেন। তারা সপরিবার হজে যাবেন। তাদের জন্য মিডিয়ার মাধ্যমে দেশবাসীর কাছ থেকে দোয়া চান।

আপডেট : ১২:২৪:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মার্চ ২০২৩

৭০ বছরে বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন সাবেক কলেজশিক্ষক

আপডেট : ১২:২৪:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মার্চ ২০২৩
৮৩

৭০ বছর বয়সে এসে বিয়ে করলেন বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার জিগিরমোল্লা গ্রামের আলহাজ হাওলাদার শওকত আলী। তবে পাত্রীর বয়স মাত্র ৩৫ বছর। ওই পাত্রীর নাম শাহেদা বেগম। গত শনিবার তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান হয়।

১০ লাখ ১ টাকা দেনমোহরানায় নগদ ৫ লাখ টাকা উশুলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও দুই পরিবারের লোকজনের উপস্থিতিতে এ বিয়ে হয়।

বরের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শওকত আলী দীর্ঘদিন ধরে বাগেরহাটের রামপাল সরকারি কলেজে শিক্ষকতা করতেন। অবসরে আসার পর তিনি একাকিত্ব বোধ করতেন। একসময় পরিবারের হাল ধরতে এবং ভাইবোনদের মানুষ করতে গিয়ে সংসার করা হয়ে ওঠেনি তার। জীবনের মহামূল্যবান সময় তিনি শিক্ষকতা, ভাইবোন ও সমাজসেবায় ব্যয় করেছেন। তাকে বিয়ের কথা বলা হলেও তিনি কখনো বিয়ে করতে রাজি হচ্ছিলেন না। তিনি সারা জীবন চিরকুমার থাকবেন বলে জানাতেন।

শওকত আলীর ভাই আবদুল হালিম খোকন বলেন, ‘তিনি আমাদের বড় ভাই, আমরা তার কাছে মানুষ হয়েছি, সারাটা জীবন তিনি আমাদের সুখে–দুখে বটবৃক্ষের মতো আগলে রেখেছেন। বর্তমানে আমরা নিজেদের কর্ম এবং ব্যবসার কাজে ব্যস্ত থাকি। ফলে আমাদের বড় ভাই অবসরে আসার পর অনেকটা একাকিত্ব বোধ করছিলেন। তার এই একাকিত্ব দূর করতে ও তাকে দেখভাল করতে এসময় একজন সঙ্গিনী খুবই দরকার হয়ে পড়ে। তাই আমরা তাকে বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করলে তিনি একপর্যায়ে রাজি হন। পরে মোংলা উপজেলার মিঠাখালী ইউনিয়নের এক কন্যাসন্তানের জননী (বিধবা) শাহেদা বেগমের (৩৫) সঙ্গে সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিবাহ সম্পন্ন করি।’

আবদুল হালিম আরও বলেন, কনের আগের সংসারের মেয়েটির দায়িত্ব তার ভাই আলহাজ শওকত আলী নিয়েছেন। নবদম্পতি বর্তমানে সুখে–শান্তিতে সংসার করছেন। তারা সপরিবার হজে যাবেন। তাদের জন্য মিডিয়ার মাধ্যমে দেশবাসীর কাছ থেকে দোয়া চান।