চুয়াডাঙ্গা ০৫:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শার্শার বাগআঁচড়ায় দুই মাথা ওয়ালা শিশুর জন্ম ও অতঃপর মৃত্যু

Padma Sangbad
৩৪

আরিফুজ্জামান আরিফ বাগআঁচড়া।। যশোরের শার্শার বাগআঁচড়া একটি বেসরকারি ক্লিনিকে
দুই মাথা নিয়ে এক ছেলে শিশুর জন্ম হয়েছে এবং অতঃপর তার মৃত্যু হয়েছে।

অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া শিশুটির মা সুস্থ আছেন। তবে জন্মের পর শিশুটি অসুস্থ থাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।

রোববার সাড়ে রাত ১১টায় শার্শার বাগআঁচড়া নার্সিং হোম ক্লিনিকে ডাক্তার এবিএম আক্তার মারুফের তত্বাবধানে সিজারিয়ানের মাধ্যমে বাচ্চাটির জন্ম হয়।

শিশুটির বাবা নূরুন্নবী উপজেলার কায়বা গ্রামের বাসিন্দা। তার স্ত্রীর নাম রত্না খাতুন।

শিশুর বাবা নুরুন্নবী জানান, তারা জানতেন স্ত্রী জমজ সন্তান প্রসব করবেন।সোমবার রাত ৮ টার দিকে স্ত্রীর প্রসব বেদনা উঠলে বাগআঁচড়া নার্সিং হোমে ভর্তি করা হলে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে দুই মাথাওয়ালা এক ছেলে শিশুর জন্ম হয়। দুটি মাথা বাদে শিশুটির দুটি হাত, দুটি পা সহ অন্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ স্বাভাবিক ছিলো।

জন্মের পর রাতেই শিশুটিকে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিলো। সেখানে কর্মরত চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য শিশুটিকে ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন। তারপর ওখানে ভর্তির ২ ঘন্টা পর শিশুটি মারা যায়।

বাগআঁচড়া নার্সিং হোমের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার বেলায়েত হোসেন৷ (এমবিবিএস)জানান, কনজয়েনড টুইনের কারণে এমন বাচ্চা ভূমিষ্ঠ হয়। মায়ের পেটে ভ্রূণ অনেক সময় আলাদা না হওয়ার কারণে গর্ভে দেহ এক থাকলেও মাথা আলাদা হয়। এই বাচ্চাগুলো পেটের মধ্যেও অনেক সময় মৃত্যু হতে পারে এবং জন্মের পর ও মৃত্যু হতে পারে বলে তিনি জানান।

আপডেট : ০৬:৪১:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৪

শার্শার বাগআঁচড়ায় দুই মাথা ওয়ালা শিশুর জন্ম ও অতঃপর মৃত্যু

আপডেট : ০৬:৪১:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৪
৩৪

আরিফুজ্জামান আরিফ বাগআঁচড়া।। যশোরের শার্শার বাগআঁচড়া একটি বেসরকারি ক্লিনিকে
দুই মাথা নিয়ে এক ছেলে শিশুর জন্ম হয়েছে এবং অতঃপর তার মৃত্যু হয়েছে।

অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া শিশুটির মা সুস্থ আছেন। তবে জন্মের পর শিশুটি অসুস্থ থাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।

রোববার সাড়ে রাত ১১টায় শার্শার বাগআঁচড়া নার্সিং হোম ক্লিনিকে ডাক্তার এবিএম আক্তার মারুফের তত্বাবধানে সিজারিয়ানের মাধ্যমে বাচ্চাটির জন্ম হয়।

শিশুটির বাবা নূরুন্নবী উপজেলার কায়বা গ্রামের বাসিন্দা। তার স্ত্রীর নাম রত্না খাতুন।

শিশুর বাবা নুরুন্নবী জানান, তারা জানতেন স্ত্রী জমজ সন্তান প্রসব করবেন।সোমবার রাত ৮ টার দিকে স্ত্রীর প্রসব বেদনা উঠলে বাগআঁচড়া নার্সিং হোমে ভর্তি করা হলে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে দুই মাথাওয়ালা এক ছেলে শিশুর জন্ম হয়। দুটি মাথা বাদে শিশুটির দুটি হাত, দুটি পা সহ অন্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ স্বাভাবিক ছিলো।

জন্মের পর রাতেই শিশুটিকে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিলো। সেখানে কর্মরত চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য শিশুটিকে ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন। তারপর ওখানে ভর্তির ২ ঘন্টা পর শিশুটি মারা যায়।

বাগআঁচড়া নার্সিং হোমের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার বেলায়েত হোসেন৷ (এমবিবিএস)জানান, কনজয়েনড টুইনের কারণে এমন বাচ্চা ভূমিষ্ঠ হয়। মায়ের পেটে ভ্রূণ অনেক সময় আলাদা না হওয়ার কারণে গর্ভে দেহ এক থাকলেও মাথা আলাদা হয়। এই বাচ্চাগুলো পেটের মধ্যেও অনেক সময় মৃত্যু হতে পারে এবং জন্মের পর ও মৃত্যু হতে পারে বলে তিনি জানান।