চুয়াডাঙ্গা ১১:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় ৩৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ভ্যাপসা গরম:জেলার বিভিন্ন স্থানে ঝড়ো হাওয়ার সাথে বৃষ্টি

Padma Sangbad
১৮২

চুয়াডাঙ্গায় ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। রাতে তাপমাত্রা কিছুটা কম থাকলেও গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করে। দুপুরে সূর্য মধ্যগগণে উঠলে রোদের প্রখরতা জনজীবনকে দূর্বিষহ করে তোলে। চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বেলা ৩টা ও সন্ধ্যা ছয়টায় জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় ভ্যাপসা গরমে সড়কে মানুষের চলাচল ছিল তুলনামূলক কম।

তীব্র গরমে ভোগান্তির কথা জানিয়ে শহরের নতুন বাজার এলাকার ভ্রাম্যমাণ ফল বিক্রেতা আব্দুল হান্নান বলেন, ‘ভ্যাপসা গরমে রাস্তায় লোকজন কম। বেচাকেনাও তেমন নেই। দুপুরে দাঁড়িয়ে থাকা যায় না, মনে হয় মাথার ওপর আগুন ঝরে পড়ে।’ একই ধরনের মন্তব্য করেন কলেজপাড়ার দিনমজুর সালাউদ্দীন। তিনি বলেন, ‘এই গরমে ঘরে থাকা যায় না, আবার লোডশেডিংও হচ্ছে। শিশু আর বয়স্কদের কষ্ট বেশি হচ্ছে। একটু বৃষ্টি হলে কিছুটা স্বস্তি মিলতো।’

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের পর্যবেক্ষক জামিনুর রহমান জানান, গতকাল বিকেল থেকে রাতের মধ্যে জেলার বেশকিছু স্থানে ঝড়ো হওয়ার সাথে হালকা বৃষ্টিপাত হয়েছে। দুপুরের পর থেকে জেলার আকাশে ধীরে ধীরে মেঘ জমতে শুরু করে। বিকেলের দিকে বিভিন্ন এলাকায় হালকা বৃষ্টি হয়। আজকের আবহাওয়ার পূর্বভাসে তিনি জানান, শুক্রবার সারাদিনের যেকোনো সময়েই হালকা বাতাসের সঙ্গে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

আপডেট : ০৯:১০:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ এপ্রিল ২০২৫

চুয়াডাঙ্গায় ৩৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ভ্যাপসা গরম:জেলার বিভিন্ন স্থানে ঝড়ো হাওয়ার সাথে বৃষ্টি

আপডেট : ০৯:১০:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ এপ্রিল ২০২৫
১৮২

চুয়াডাঙ্গায় ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। রাতে তাপমাত্রা কিছুটা কম থাকলেও গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করে। দুপুরে সূর্য মধ্যগগণে উঠলে রোদের প্রখরতা জনজীবনকে দূর্বিষহ করে তোলে। চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বেলা ৩টা ও সন্ধ্যা ছয়টায় জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় ভ্যাপসা গরমে সড়কে মানুষের চলাচল ছিল তুলনামূলক কম।

তীব্র গরমে ভোগান্তির কথা জানিয়ে শহরের নতুন বাজার এলাকার ভ্রাম্যমাণ ফল বিক্রেতা আব্দুল হান্নান বলেন, ‘ভ্যাপসা গরমে রাস্তায় লোকজন কম। বেচাকেনাও তেমন নেই। দুপুরে দাঁড়িয়ে থাকা যায় না, মনে হয় মাথার ওপর আগুন ঝরে পড়ে।’ একই ধরনের মন্তব্য করেন কলেজপাড়ার দিনমজুর সালাউদ্দীন। তিনি বলেন, ‘এই গরমে ঘরে থাকা যায় না, আবার লোডশেডিংও হচ্ছে। শিশু আর বয়স্কদের কষ্ট বেশি হচ্ছে। একটু বৃষ্টি হলে কিছুটা স্বস্তি মিলতো।’

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের পর্যবেক্ষক জামিনুর রহমান জানান, গতকাল বিকেল থেকে রাতের মধ্যে জেলার বেশকিছু স্থানে ঝড়ো হওয়ার সাথে হালকা বৃষ্টিপাত হয়েছে। দুপুরের পর থেকে জেলার আকাশে ধীরে ধীরে মেঘ জমতে শুরু করে। বিকেলের দিকে বিভিন্ন এলাকায় হালকা বৃষ্টি হয়। আজকের আবহাওয়ার পূর্বভাসে তিনি জানান, শুক্রবার সারাদিনের যেকোনো সময়েই হালকা বাতাসের সঙ্গে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।