চুয়াডাঙ্গা ০৩:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করপোরেটখাত থেকে ব্যাংক আলাদা করে নেওয়া হবে: গভর্নর

Padma Sangbad
৫০

অনলাইন ডেস্ক।।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, ‘করপোরেটখাত থেকে ব্যাংক আলাদা করে নেওয়া হবে। এ জন্য বড়দের সিঙ্গেল বরোয়ার লিমিট (একক গ্রাহক ঋণসীমা) অতিক্রম করতে দেওয়া হবে না। কোনো তদবির বা অন্যায় দাবি মেনে নেওয়া হবে না। বর্তমানে একক গ্রাহক ঋণসীমা হচ্ছে কোনো ব্যাংকের মূলধনের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ, অর্থাৎ মূলধনের ২৫ শতাংশের বেশি কাউকে এককভাবে ঋণ দিতে পারবে না কোনো ব্যাংক। এর মধ্যে ফান্ডেড ঋণ হবে সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ এবং নন-ফান্ডেড হবে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ। অবশ্য বিদ্যুৎ, জ্বালানিসহ সবুজ অর্থায়ন খাতে এই সীমা শিথিল করা আছে।’

আজ সোমবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে ‘বন্ড মার্কেট ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ: চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড রিকমেন্ডেশনস’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি।

গভর্নর বলেন, ‘সারা বিশ্বের অর্থনীতিতে প্রথম অবস্থানে বন্ড, এরপরে পুঁজিবাজার ও তৃতীয় অবস্থানে থাকে মুদ্রাবাজার বা মানি মার্কেট। বাংলাদেশে তার উল্টো। দেশে মানি মার্কেট প্রথম অবস্থানে। এখানে একটি বড় পরিবর্তন আনতে হবে। সরকার, ব্যবসায়ীরা মিলে এই পরিবর্তন হতে হবে। সরকারের ঋণ সবচেয়ে বেশি। সরকারের এই ঋণই বন্ড মার্কেটকে উন্নয়ন ও ভাইব্রেন্ট করতে পারবে। তাই বন্ড মার্কেট উন্নয়নে সরকারকে আগে এগিয়ে যেতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল হচ্ছে; কারণ, অনেক দিন ধরেই টাকা ছাপিয়ে বাজারে দেওয়া হচ্ছে না। এ জন্য বন্ড মার্কেট বড় করার সুযোগ আছে। আমাদের ৫-৬ লাখ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্রের বাজার আছে। এটা সহজে সেকেন্ডারি মার্কেটে (পুঁজিবাজারে) আনা যায়। চাইলে সহজেই কেউ বিক্রি করে দিতে পারবে। এটা লেনদেনযোগ্য করা কোনো বিষয় না। এটা করলেই বন্ড মার্কেটের আকার রাতারাতি দ্বিগুণ হয়ে যাবে। বন্ড মার্কেট বড় করতে হলে বিনিয়োগকারীদের বিশ্বাস করাতে হবে, প্রতিষ্ঠান যথাসময়ে লাভসহ অর্থ ফেরত দেবে। কোনো কারণে তা দিতে না পারলে কোম্পানিকে খেলাপি হিসেবে ধরা হবে।’

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ, অর্থসচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদার, ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম, বিএসইসি কমিশনার মো. সাইফুদ্দিন, এবিবির চেয়ারম্যান ও সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন।

আপডেট : ১২:৫৪:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

করপোরেটখাত থেকে ব্যাংক আলাদা করে নেওয়া হবে: গভর্নর

আপডেট : ১২:৫৪:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
৫০

অনলাইন ডেস্ক।।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, ‘করপোরেটখাত থেকে ব্যাংক আলাদা করে নেওয়া হবে। এ জন্য বড়দের সিঙ্গেল বরোয়ার লিমিট (একক গ্রাহক ঋণসীমা) অতিক্রম করতে দেওয়া হবে না। কোনো তদবির বা অন্যায় দাবি মেনে নেওয়া হবে না। বর্তমানে একক গ্রাহক ঋণসীমা হচ্ছে কোনো ব্যাংকের মূলধনের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ, অর্থাৎ মূলধনের ২৫ শতাংশের বেশি কাউকে এককভাবে ঋণ দিতে পারবে না কোনো ব্যাংক। এর মধ্যে ফান্ডেড ঋণ হবে সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ এবং নন-ফান্ডেড হবে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ। অবশ্য বিদ্যুৎ, জ্বালানিসহ সবুজ অর্থায়ন খাতে এই সীমা শিথিল করা আছে।’

আজ সোমবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে ‘বন্ড মার্কেট ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ: চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড রিকমেন্ডেশনস’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি।

গভর্নর বলেন, ‘সারা বিশ্বের অর্থনীতিতে প্রথম অবস্থানে বন্ড, এরপরে পুঁজিবাজার ও তৃতীয় অবস্থানে থাকে মুদ্রাবাজার বা মানি মার্কেট। বাংলাদেশে তার উল্টো। দেশে মানি মার্কেট প্রথম অবস্থানে। এখানে একটি বড় পরিবর্তন আনতে হবে। সরকার, ব্যবসায়ীরা মিলে এই পরিবর্তন হতে হবে। সরকারের ঋণ সবচেয়ে বেশি। সরকারের এই ঋণই বন্ড মার্কেটকে উন্নয়ন ও ভাইব্রেন্ট করতে পারবে। তাই বন্ড মার্কেট উন্নয়নে সরকারকে আগে এগিয়ে যেতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল হচ্ছে; কারণ, অনেক দিন ধরেই টাকা ছাপিয়ে বাজারে দেওয়া হচ্ছে না। এ জন্য বন্ড মার্কেট বড় করার সুযোগ আছে। আমাদের ৫-৬ লাখ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্রের বাজার আছে। এটা সহজে সেকেন্ডারি মার্কেটে (পুঁজিবাজারে) আনা যায়। চাইলে সহজেই কেউ বিক্রি করে দিতে পারবে। এটা লেনদেনযোগ্য করা কোনো বিষয় না। এটা করলেই বন্ড মার্কেটের আকার রাতারাতি দ্বিগুণ হয়ে যাবে। বন্ড মার্কেট বড় করতে হলে বিনিয়োগকারীদের বিশ্বাস করাতে হবে, প্রতিষ্ঠান যথাসময়ে লাভসহ অর্থ ফেরত দেবে। কোনো কারণে তা দিতে না পারলে কোম্পানিকে খেলাপি হিসেবে ধরা হবে।’

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ, অর্থসচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদার, ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম, বিএসইসি কমিশনার মো. সাইফুদ্দিন, এবিবির চেয়ারম্যান ও সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন।