চুয়াডাঙ্গা ০১:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাজেট হবে মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ ও বঞ্চিত মানুষের কল্যাণে

Padma Sangbad
২৭

অনলাইন ডেস্ক।।
এবারের বাজেট মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ এবং সমাজের বঞ্চিত মানুষ-জনের কল্যাণে হবে বলে আভাস দিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আজ বুধবার সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ অধিবেশনের বিরতিতে নিজের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

কেমন বাজেট হবে, সাংবাদিকরা জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ডে আফটার টুমোরো, রাত পোহালে তো বাজেট ঘোষণা করব। অস্থির হওয়ার কিছু নেই। ওয়েট করুন। এই মুহূর্তে কিছু বলা যাবে না। তবে এটা বলতে পারি, একটা বাজেট ভালো আমরা দেব। সমাজের সব শ্রেণির মানুষের কল্যাণের কথা এই বাজেটে থাকবে। ছাত্র-শ্রমিক-কামার-কুমার থেকে শুরু করে প্রান্তিক মানুষজন কেউই বাদ যাবে না। বঞ্চিত মানুষজনকে আমরা এডড্রেস করতে চাই। কারণ দেখা গেছে, অতীতে দেশের প্রান্তিক মানুষজনের দিকে তাদের প্রতি নজর সেভাবে দেখা যায়নি। ফ্যাসিস্ট শাসনামলে কি হয়েছে সেটা জনগন দেখেছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এর পরিবর্তন চাই। তারেক রহমানের সরকার সমাজের প্রত্যেকটা শ্রেণি-মানুষের কল্যাণের কথা চিন্তা করে এই বাজেট তৈরি করছে।’

মূল্যস্ফীতি রোধে বাজেটের নির্দেশনা থাকবে বলে জানান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের মধ্যে সৃষ্ট বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কী করা যায় তারও পথ নির্দেশনাও থাকবে বলে আভাস দেন তিনি।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে তারেক রহমান সরকার গঠনের পরে ‘ফ্যামেলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’ , ‘খাল খনন’সহ নির্বাচনি যেসব অঙ্গীকার করা হয়েছিলো তা বাস্তবায়নের কথাও বলেন অর্থমন্ত্রী।

আর্থিকখাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর জনগণের আস্থা ফেরানো, মাক্রো ইকোনোমি শক্তিশালীকরণ এবং রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি করতে কার্যকর বিভিন্ন পদক্ষেপ থাকবে বলে জানান তিনি।

লন্ডন ইউনিভার্সিটি থেকে হিসাব-বিজ্ঞানে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী শুরু করেন কর্মজীবন। দক্ষিণ এশিয়া এক্সচেঞ্জ ফেডারেশনের প্রথম সভাপতি ছিলেন তিনি, দায়িত্ব পালন করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার অনারারি কনসাল হিসেবেও।

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু ১৯৯১ সালে থেকে এই পর্যন্ত চার বার জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর তারেক রহমানের সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের হাল ধরেন তিনি। ২০০১ সালে বেগম খালেদা জিয়ার সরকারে তিনি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

চট্টগ্রাম স্টাক এক্সচেঞ্জের প্রতিষ্ঠাতা আমির খসরু চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

জিয়াউর রহমান থেকে শুরু করে বেগম খালেদা জিয়ার শামনামালে অর্থ মন্ত্রণালয় সামাল দিয়েছেন এম সাইফুর রহমান। জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সন্তান তারেক রহমান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে বেঁছে নিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী হিসেবে। যিনি বেগম খালেদা জিয়ার আমলে বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।

আপডেট : ০৩:৪৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

বাজেট হবে মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ ও বঞ্চিত মানুষের কল্যাণে

আপডেট : ০৩:৪৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
২৭

অনলাইন ডেস্ক।।
এবারের বাজেট মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ এবং সমাজের বঞ্চিত মানুষ-জনের কল্যাণে হবে বলে আভাস দিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আজ বুধবার সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ অধিবেশনের বিরতিতে নিজের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

কেমন বাজেট হবে, সাংবাদিকরা জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ডে আফটার টুমোরো, রাত পোহালে তো বাজেট ঘোষণা করব। অস্থির হওয়ার কিছু নেই। ওয়েট করুন। এই মুহূর্তে কিছু বলা যাবে না। তবে এটা বলতে পারি, একটা বাজেট ভালো আমরা দেব। সমাজের সব শ্রেণির মানুষের কল্যাণের কথা এই বাজেটে থাকবে। ছাত্র-শ্রমিক-কামার-কুমার থেকে শুরু করে প্রান্তিক মানুষজন কেউই বাদ যাবে না। বঞ্চিত মানুষজনকে আমরা এডড্রেস করতে চাই। কারণ দেখা গেছে, অতীতে দেশের প্রান্তিক মানুষজনের দিকে তাদের প্রতি নজর সেভাবে দেখা যায়নি। ফ্যাসিস্ট শাসনামলে কি হয়েছে সেটা জনগন দেখেছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এর পরিবর্তন চাই। তারেক রহমানের সরকার সমাজের প্রত্যেকটা শ্রেণি-মানুষের কল্যাণের কথা চিন্তা করে এই বাজেট তৈরি করছে।’

মূল্যস্ফীতি রোধে বাজেটের নির্দেশনা থাকবে বলে জানান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের মধ্যে সৃষ্ট বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কী করা যায় তারও পথ নির্দেশনাও থাকবে বলে আভাস দেন তিনি।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে তারেক রহমান সরকার গঠনের পরে ‘ফ্যামেলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’ , ‘খাল খনন’সহ নির্বাচনি যেসব অঙ্গীকার করা হয়েছিলো তা বাস্তবায়নের কথাও বলেন অর্থমন্ত্রী।

আর্থিকখাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর জনগণের আস্থা ফেরানো, মাক্রো ইকোনোমি শক্তিশালীকরণ এবং রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি করতে কার্যকর বিভিন্ন পদক্ষেপ থাকবে বলে জানান তিনি।

লন্ডন ইউনিভার্সিটি থেকে হিসাব-বিজ্ঞানে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী শুরু করেন কর্মজীবন। দক্ষিণ এশিয়া এক্সচেঞ্জ ফেডারেশনের প্রথম সভাপতি ছিলেন তিনি, দায়িত্ব পালন করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার অনারারি কনসাল হিসেবেও।

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু ১৯৯১ সালে থেকে এই পর্যন্ত চার বার জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর তারেক রহমানের সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের হাল ধরেন তিনি। ২০০১ সালে বেগম খালেদা জিয়ার সরকারে তিনি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

চট্টগ্রাম স্টাক এক্সচেঞ্জের প্রতিষ্ঠাতা আমির খসরু চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

জিয়াউর রহমান থেকে শুরু করে বেগম খালেদা জিয়ার শামনামালে অর্থ মন্ত্রণালয় সামাল দিয়েছেন এম সাইফুর রহমান। জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সন্তান তারেক রহমান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে বেঁছে নিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী হিসেবে। যিনি বেগম খালেদা জিয়ার আমলে বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।