চুয়াডাঙ্গা ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোর হাসপাতালে জাল রিপোর্ট ও হারানো নথির ঘটনায় উদ্বেগ

Padma Sangbad
১১১

যশোর প্রতিনিধি।।

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগ ও ওয়ার্ড ব্যবস্থাপনায় একের পর এক অনিয়মের ঘটনা সামনে আসছে। পরীক্ষা না করিয়েই বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রিপোর্ট ধরিয়ে দেওয়া, সরকারি রিপোর্ট জাল করা এবং ওয়ার্ড থেকে রোগীর ব্যবস্থাপত্র গায়েব হওয়ার অভিযোগ ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।

সর্বশেষ ঘটনায় একটি ভুয়া ডোপ টেস্ট রিপোর্ট উদ্ধার হয়েছে। জানা যায়, আবজাল হোসেন নামে এক যুবক গত ৬ এপ্রিল হাসপাতালে এক অপরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করে ডোপ টেস্ট করান। দুদিন পর রিপোর্ট হাতে নিয়ে যশোর সিভিল সার্জন অফিসে যাচাই করতে গেলে সেটি জাল বলে প্রমাণিত হয়। রিপোর্টে উল্লিখিত আইডি নম্বর ১১০-এর সঙ্গে হাসপাতালের কোনো নথির মিল পাওয়া যায়নি। পরে ওই যুবক নিজেই স্বীকার করেন, একটি কম্পিউটারের দোকান থেকে রিপোর্টটি তৈরি করা হয়েছিল।

প্যাথলজি ইনচার্জ স্পষ্ট করেন, ক্যাশ মেমো ছাড়া হাসপাতালে কোনো পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার সুযোগ নেই।

একই দিনে ব্যবস্থাপত্র হারানোর একাধিক ঘটনাও ঘটে। সদর উপজেলার ডাকাতিয়া গ্রামের ১৬ মাস বয়সী শিশু আয়সা খাতুন ডায়রিয়া নিয়ে সংক্রমণ ওয়ার্ডে ভর্তি হওয়ার দুদিন পর চিকিৎসক রাউন্ডে এসে ব্যবস্থাপত্র চাইলে তা দেখাতে পারেননি সেবিকারা। পরে রহস্যজনকভাবে কাগজটি শিশু ওয়ার্ড থেকে পাওয়া যায়। ওই দিনই শিশু ও সংক্রমণ ওয়ার্ড মিলিয়ে আরও অন্তত চারটি ব্যবস্থাপত্র নিখোঁজ হওয়ার তথ্য উঠে এসেছে।

এর আগে কুইন্স হাসপাতালের নামে ভুয়া রিপোর্ট সরবরাহের ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট চক্র আত্মগোপন করেছে বলে জানা গেছে। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন সাফায়েত বিষয়টি তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. হাবিবা সিদ্দিকা ফোয়ারাকে। একই সঙ্গে এ ধরনের প্রতারণা ঠেকাতে প্রশাসনিক নজরদারি জোরদার করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।।

আপডেট : ১১:৪১:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

যশোর হাসপাতালে জাল রিপোর্ট ও হারানো নথির ঘটনায় উদ্বেগ

আপডেট : ১১:৪১:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
১১১

যশোর প্রতিনিধি।।

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগ ও ওয়ার্ড ব্যবস্থাপনায় একের পর এক অনিয়মের ঘটনা সামনে আসছে। পরীক্ষা না করিয়েই বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রিপোর্ট ধরিয়ে দেওয়া, সরকারি রিপোর্ট জাল করা এবং ওয়ার্ড থেকে রোগীর ব্যবস্থাপত্র গায়েব হওয়ার অভিযোগ ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।

সর্বশেষ ঘটনায় একটি ভুয়া ডোপ টেস্ট রিপোর্ট উদ্ধার হয়েছে। জানা যায়, আবজাল হোসেন নামে এক যুবক গত ৬ এপ্রিল হাসপাতালে এক অপরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করে ডোপ টেস্ট করান। দুদিন পর রিপোর্ট হাতে নিয়ে যশোর সিভিল সার্জন অফিসে যাচাই করতে গেলে সেটি জাল বলে প্রমাণিত হয়। রিপোর্টে উল্লিখিত আইডি নম্বর ১১০-এর সঙ্গে হাসপাতালের কোনো নথির মিল পাওয়া যায়নি। পরে ওই যুবক নিজেই স্বীকার করেন, একটি কম্পিউটারের দোকান থেকে রিপোর্টটি তৈরি করা হয়েছিল।

প্যাথলজি ইনচার্জ স্পষ্ট করেন, ক্যাশ মেমো ছাড়া হাসপাতালে কোনো পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার সুযোগ নেই।

একই দিনে ব্যবস্থাপত্র হারানোর একাধিক ঘটনাও ঘটে। সদর উপজেলার ডাকাতিয়া গ্রামের ১৬ মাস বয়সী শিশু আয়সা খাতুন ডায়রিয়া নিয়ে সংক্রমণ ওয়ার্ডে ভর্তি হওয়ার দুদিন পর চিকিৎসক রাউন্ডে এসে ব্যবস্থাপত্র চাইলে তা দেখাতে পারেননি সেবিকারা। পরে রহস্যজনকভাবে কাগজটি শিশু ওয়ার্ড থেকে পাওয়া যায়। ওই দিনই শিশু ও সংক্রমণ ওয়ার্ড মিলিয়ে আরও অন্তত চারটি ব্যবস্থাপত্র নিখোঁজ হওয়ার তথ্য উঠে এসেছে।

এর আগে কুইন্স হাসপাতালের নামে ভুয়া রিপোর্ট সরবরাহের ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট চক্র আত্মগোপন করেছে বলে জানা গেছে। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন সাফায়েত বিষয়টি তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. হাবিবা সিদ্দিকা ফোয়ারাকে। একই সঙ্গে এ ধরনের প্রতারণা ঠেকাতে প্রশাসনিক নজরদারি জোরদার করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।।