চুয়াডাঙ্গা ১২:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইলিশের দাম বৃদ্ধি, প্রতি মণ ৩ লাখ টাকা!

Padma Sangbad
১২৬

অনলাইন ডেস্ক।।

পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় ইলিশ মাছের বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। চাহিদা বেড়ে যাওয়া এবং সরবরাহ কম থাকায় ইলিশের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে।

আজ সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল এবং এর আগের দিন রোববার বিকাল থেকে উপজেলার মেঘনা নদীপাড়ের বিভিন্ন মাছের আড়তে ইলিশের দাম অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।

১ কেজির বেশি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭,৫০০–৭,৬০০ টাকা। সে হিসেবে প্রতি মণ ইলিশের দাম দাঁড়াচ্ছে ৩ লাখ থেকে ৩ লাখ ৪ হাজার টাকায়।

অন্যদিকে ৪০০ থেকে ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ২ হাজার ৪০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকায়, যা মণপ্রতি ৯৬ হাজার থেকে ১ লাখ ৪ হাজার টাকার মধ্যে।

স্থানীয় ক্রেতারা জানান, পহেলা বৈশাখে ইলিশ খাওয়া বাঙালির ঐতিহ্যের অংশ হওয়ায় উচ্চমূল্য সত্ত্বেও তারা ইলিশ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, এ সময় ইলিশের চাহিদা বেড়ে গেলেও সরবরাহ তুলনামূলক কম। এর অন্যতম কারণ হিসেবে মেঘনা নদীতে দুই মাসের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞাকে দায়ী করছেন তারা। যদিও কিছু জেলে রাতের আঁধারে মাছ ধরছেন এবং কিছু ইলিশ সাগর থেকে এনে বাজারজাত করা হচ্ছে।

আড়তদারদের মতে, মতলবের নদীতীরবর্তী বাজারগুলো থেকে অধিকাংশ বড় ইলিশ ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও দাউদকান্দির পাইকাররা বেশি দামে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। ফলে স্থানীয় বাজারে সরবরাহ আরও কমে যাচ্ছে এবং দাম বাড়ছে।

মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল বাবুর বাজারসহ বিভিন্ন মাছের আড়তে পাইকার ও খুচরা ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

ষাটনল বাবুর বাজার মৎস্য আড়তের সভাপতি মাহবুব মিয়াজী বলেন, “ইলিশের সংকটের পাশাপাশি নববর্ষকে ঘিরে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। প্রতি বছরই এ সময় ইলিশের দাম বাড়ে, তবে এবারের বৃদ্ধি তুলনামূলক বেশি।”

তিনি আরও জানান, পহেলা বৈশাখের পর ইলিশের দাম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে পারে।

আপডেট : ০৩:০০:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

ইলিশের দাম বৃদ্ধি, প্রতি মণ ৩ লাখ টাকা!

আপডেট : ০৩:০০:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
১২৬

অনলাইন ডেস্ক।।

পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় ইলিশ মাছের বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। চাহিদা বেড়ে যাওয়া এবং সরবরাহ কম থাকায় ইলিশের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে।

আজ সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল এবং এর আগের দিন রোববার বিকাল থেকে উপজেলার মেঘনা নদীপাড়ের বিভিন্ন মাছের আড়তে ইলিশের দাম অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।

১ কেজির বেশি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭,৫০০–৭,৬০০ টাকা। সে হিসেবে প্রতি মণ ইলিশের দাম দাঁড়াচ্ছে ৩ লাখ থেকে ৩ লাখ ৪ হাজার টাকায়।

অন্যদিকে ৪০০ থেকে ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ২ হাজার ৪০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকায়, যা মণপ্রতি ৯৬ হাজার থেকে ১ লাখ ৪ হাজার টাকার মধ্যে।

স্থানীয় ক্রেতারা জানান, পহেলা বৈশাখে ইলিশ খাওয়া বাঙালির ঐতিহ্যের অংশ হওয়ায় উচ্চমূল্য সত্ত্বেও তারা ইলিশ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, এ সময় ইলিশের চাহিদা বেড়ে গেলেও সরবরাহ তুলনামূলক কম। এর অন্যতম কারণ হিসেবে মেঘনা নদীতে দুই মাসের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞাকে দায়ী করছেন তারা। যদিও কিছু জেলে রাতের আঁধারে মাছ ধরছেন এবং কিছু ইলিশ সাগর থেকে এনে বাজারজাত করা হচ্ছে।

আড়তদারদের মতে, মতলবের নদীতীরবর্তী বাজারগুলো থেকে অধিকাংশ বড় ইলিশ ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও দাউদকান্দির পাইকাররা বেশি দামে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। ফলে স্থানীয় বাজারে সরবরাহ আরও কমে যাচ্ছে এবং দাম বাড়ছে।

মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল বাবুর বাজারসহ বিভিন্ন মাছের আড়তে পাইকার ও খুচরা ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

ষাটনল বাবুর বাজার মৎস্য আড়তের সভাপতি মাহবুব মিয়াজী বলেন, “ইলিশের সংকটের পাশাপাশি নববর্ষকে ঘিরে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। প্রতি বছরই এ সময় ইলিশের দাম বাড়ে, তবে এবারের বৃদ্ধি তুলনামূলক বেশি।”

তিনি আরও জানান, পহেলা বৈশাখের পর ইলিশের দাম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে পারে।