চুয়াডাঙ্গা ০৫:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদের আগে ও পরে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৬২ জনের মৃত্যু

Padma Sangbad
২৫

ঈদুল আজহার আগে-পরে ১৩ দিনে (১১-২৩ জুন) সারা দেশে ২৫১টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৬২ জন, আহত হয়েছেন ৫৪৩ জন। ক্ষতি হয়েছে ৯৯৮ কোটি ৫৫ লাখ ৩৭ হাজার টাকার মানবসম্পদ।

সোমবার (২৪ জুন) দুপুরে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের ‘ঈদুল আজহা উদ্‌যাপনকালে সংঘটিত সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিবেদনে’ এসব তথ্য পাওয়া যায়।

সংগঠনটি ৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহতের মধ্যে নারী ৩২ ও শিশু ৪৪। ১২৯টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১০৪ জন, যা মোট নিহতের ৩৯.৬৯ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৫১.৩৯ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ৪৯ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ১৮.৭০ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ২৮ জন, অর্থাৎ ১০.৬৮ শতাংশ।

এই সময়ে ৭টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত এবং ৩ জন আহত হয়েছে। ১৬টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত এবং ৮ জন আহত হয়েছে।

সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, বেপরোয়া গতি, চালকদের অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা, কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট না থাকা, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজিকে উল্লেখ্যযোগ্য বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

আপডেট : ১২:০৮:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪

ঈদের আগে ও পরে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৬২ জনের মৃত্যু

আপডেট : ১২:০৮:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪
২৫

ঈদুল আজহার আগে-পরে ১৩ দিনে (১১-২৩ জুন) সারা দেশে ২৫১টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৬২ জন, আহত হয়েছেন ৫৪৩ জন। ক্ষতি হয়েছে ৯৯৮ কোটি ৫৫ লাখ ৩৭ হাজার টাকার মানবসম্পদ।

সোমবার (২৪ জুন) দুপুরে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের ‘ঈদুল আজহা উদ্‌যাপনকালে সংঘটিত সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিবেদনে’ এসব তথ্য পাওয়া যায়।

সংগঠনটি ৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহতের মধ্যে নারী ৩২ ও শিশু ৪৪। ১২৯টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১০৪ জন, যা মোট নিহতের ৩৯.৬৯ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৫১.৩৯ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ৪৯ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ১৮.৭০ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ২৮ জন, অর্থাৎ ১০.৬৮ শতাংশ।

এই সময়ে ৭টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত এবং ৩ জন আহত হয়েছে। ১৬টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত এবং ৮ জন আহত হয়েছে।

সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, বেপরোয়া গতি, চালকদের অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা, কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট না থাকা, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজিকে উল্লেখ্যযোগ্য বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।